ইসলামী আন্দোলন রাজনীতি করে ইবাদত হিসেবে --পীর সাহেব চরমোনাই

ইসলামী আন্দোলন রাজনীতি করে ইবাদত হিসেবে –পীর সাহেব চরমোনাই

0

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম পীর সাহেব চরমোনাই বলেছেন, প্রচলিত রাজনীতি হলো ব্যক্তি স্বার্থ চরিতার্থের রাজনীতি। পক্ষান্তরে ইসলামী রাজনীতি হলো দলমতের উর্ধ্বে। ইসলাম সকল ধর্ম, গোষ্ঠী, জাতি দলমত নির্বিশেষে মানুষের কল্যাণে নিবেদিত। ইসলামী আন্দোলন রাজনীতি করে ইবাদত হিসেবে। এখানে নিজের স্বার্থের চেয়ে মানবতার কল্যাণ সর্বাগ্রে। তিনি বলেন, দুর্নীতিবাজ, চরিত্রহীন লুটেরা নেতানেত্রীদের আনুগত্য পরিহার করে ফিরে আসতে হবে আল­াহর রাসূল সা.এর তরিকায়; আপোসহীন আদর্শিক ধারায়। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এ দাওয়াত নিয়েই আজ আপনার সামনে উপস্থিত হয়েছে।আজ বিকেলে ইসলামী আন্দোলণ বাংলাদেশ ঢাকা মহানগরের উদ্যোগে যাত্রাবাড়ীর কাজলা কুতুবখালী পাওয়ার হাউজ সংলগ্ন ইসলামী আন্দোলন যাত্রাবাড়ী থানা কার্যালয় সম্মুখ রাস্তায় অনুষ্ঠিত মাসব্যাপী দাওয়াতীমাসের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনকালে একথা বলেন। এতে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের দক্ষিণ সভাপতি মাওলানা ইমতিয়াজ আলম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ, উল্টর সভাপতি অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ, কেএম আতিকুর রহমান, মাওলানা নেছার উদ্দিন, মাওলানা লোকমান হোসাইন জাফরী, মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাকী, আলহাজ্ব কে.জি. মাওলা, আলহাজ্ব আলতাফ হোসেন, মাওলানা আরিফুল ইসলাম, ছাত্রনেতা কাওছার আহমাদ, মাওলানা এইচ এম সাইফুল ইসলাম, শেখ নূরউন নাবী, মাওলানা আব্দুর রাজ্জাক, আলহাজ্ব ইসমাঈল হোসেনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। এ সময় শত শত মানুষ সদস্য ফরম পুরণ করে পীর সাহেব চরমোনাই’র হাতে ইসলামী আন্দোলনের সদস্য হন।
উলে­খ্য যে ১লা ফেব্র“য়ারী থেকে ২৮ ফেব্র“য়ারী পর্যন্ত এ সদস্য সংগ্রহ অভিযান অব্যাহত থাকবে। সংগঠনের সারাদেশের ৭৮টি সাংগঠনিক জেলার অধীনে সকল শাখা একযোগে ফেব্র“য়ারী মাসব্যাপী দাওয়াতী কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। ব্যক্তিগত দাওয়াত, গ্র“পভিত্তিক দাওয়াত এবং দাওয়াতী সভার মাধ্যমে এ মাসের কর্মসুচী পালন করা হবে। প্রচলিত শাসন ব্যবস্থার অসারতা এবং ইসলামী শাসনের অনিবার্যতা তুলে ধরে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর দাওয়াত সারাদেশের প্রতিটি ঘরে প্রতিটি মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে এ কর্মসুচি গ্রহণ করা  হয়েছে।
পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, ইসলামের সুমহান আদর্শকে বাদ দিয়ে সমাজ ও রাষ্ট্র জীবনে পুঁজিবাদী গণতন্ত্র, নাস্তিক্যবাদী সমাজতন্ত্র এবং অসার ধর্মনিরপেক্ষতাবাদী আদর্শ গ্রহণ করায় সর্বত্র অশান্তিও আগুন জ্বলছে। এ সব মতাদর্শ দ্বারা মানবতার কল্যাণ সম্ভব নয়।  ইসলাম একটি পর্ণাঙ্গ জীবন আদর্শ। ইসলাম ছাড়া মানবতার শান্তি ও মুক্তি সম্ভব নয়। দেশের সর্বস্তরের জনতাকে ইসলামের সুমহান আদর্শে ফিরে আসার আহŸান জানান।
(আহমদ আবদুল কাইয়ূম) প্রচার সম্পাদক

Share.
Loading...

Comments are closed.