প্রকৃত নেতার বৈশিষ্ট্য

প্রকৃত নেতার বৈশিষ্ট্য

0

‘চট্টগ্রাম থেকে ট্রেনে ঢাকা ফিরছি। ভৈরবের কাছাকাছি কোন ষ্টেশনে ট্রেন থামতেই এক দল যুবক আমাদের কামরায় হৈচৈ করে ঢুকে পড়ল। আমাকে দেখেই হোমড়া চোমড়া দলনেতা বলল, ‘স্যার আপনি? কোথায় যাবেন?’ জবাবে বললাম, ঢাকা যাব। টেলিভিশনে টকশোর উপস্থাপক হওয়াতে অনেকে আমাকে চিনতেন। ছেলেটি তার দলের সদস্যদের হাঁক দিয়ে বলল, যা, স্যারের জন্য ভাল কিছু খাবার নিয়ে আয়। একটু পড়েই তারা বড় পাকা টসটসে কলার একটা পুরো কাঁদি নিয়ে এল। দলনেতা বলল, স্যার আপনি খান। আমার সাথিদেরও সে খাওয়াল। পরে তার দলের সবাইকে। অবশেষে দেখা গেল, তার নিজের জন্য কলা নেই। কিন্তু তাতে সে কোনভাবেই অসন্তুষ্ট নয়। বরং সবাইকে দেবার আনন্দে গর্বিত। প্রকৃত নেতাদের চরিত্র এরকমেরই হয়। তারা হিসেব না করে যার দরকার তাকে সব দিয়ে দেয়। (টেকনোক্রেট) নেতাদের পক্ষে তা করা কঠিন।’ কথাগুলো বলেছেন সর্বজন শ্রদ্ধেয় শিক্ষক, বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা, অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সাঈদ। আমরা তাঁর জনা বিষেক ছাত্র তাঁকে একান্তে তাঁরই তৈরী প্রতিষ্ঠানে ঘন্টাখানেকের জন্যে পেয়েছিলাম বিগত ৪ নভেম্বর। সে আমাদের অনেক বড় পাওয়া। তিনি বলছিলেন বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের জন্য বিদেশী সাহায্য নেয়া হয়না। এক টাকা থেকে হাজার-লাখ টাকা যে যেমন দান করেন তা সাদরে নেয়া হয়।  – মোস্তফা কামাল মজুমদার

Share.
Loading...

Comments are closed.