News update
  • Cheap reading glasses remain key conduit to better quality of life     |     
  • ডিপি ওয়ার্ল্ডকে বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর     |     
  • Putin offers to help end Iran war in meeting with Pezeshkian     |     
  • Fired OpenAI Researchers Say Dismissals Chilled Safety Efforts     |     
  • Dhaka Fifth Most Polluted City Globally on Friday Morning     |     

রংপুরে ৪ খুন: নমুনা পরীক্ষায় আসামি সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধের ডিএনএ শনাক্ত

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক অপরাধ 2026-10-09, 10:28am

img_20261009_102804-7f839bde333db8df5f0bbac319713a781791520112.jpg




রংপুরে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ একই পরিবারের আলোচিত চার খুনের ঘটনায় ডিএনএ পরীক্ষার পর আটক করা দুইজন আসামির নমুনার সঙ্গে মিল পেয়েছে সিআইডি। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার খেজুর, শসা ও সিগারেটের মতো কিছু গুরুত্বপূর্ণ আলামতের সঙ্গে গ্রেপ্তার আসামি সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসের ডিএনএ'র শতভাগ মিল পাওয়া গেছে।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা শাখার উপকমিশনার (ডিবি) সনাতন চক্রবর্তী এ তথ্য জানিয়েছেন।

সনাতন চক্রবর্তী জানান, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে দুই আসামির সম্পৃক্ততা যাচাই করতে তাদের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার ফলাফলে ডিএনএ ম্যাচ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।

তিনি জানান, ডিএনএ পরীক্ষায় দুই আসামির সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের আলামতের মিল পাওয়ার যে তথ্য সামনে এলো এতে চার হত্যাকাণ্ডে সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসের সম্পৃক্ততার পক্ষে বৈজ্ঞানিক প্রমাণের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি তৈরি হলো। তবে হত্যাকাণ্ডের পেছনে আর কেউ জড়িত ছিল কি না, হত্যার প্রকৃত উদ্দেশ্য কী এবং পুরো ঘটনার সঙ্গে আরও কোনো বিষয় সম্পৃক্ত আছে কি না এসব বিষয় তদন্তের চলমান রয়েছে।

গত ২০ সেপ্টেম্বর ডিএনএ পরীক্ষার জন্য গ্রেপ্তার দুই আসামি সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসকে ঢাকায় নেওয়া হয়। পরদিন সোমবার ঢাকার সিআইডি কার্যালয়ে তাদের নমুনা সংগ্রহের কথা জানিয়েছিল পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে সংগ্রহ করা আলামত এবং নিহতদের নমুনার সঙ্গে আসামিদের ডিএনএ মিলিয়ে দেখার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল।

সিআইডি ও তদন্ত সংস্থা সূত্রে জানা গেছে, হত্যাকাণ্ডের শিকার শিক্ষক পরিবারের সদস্যদের মরদেহ উদ্ধার কার্যক্রমের সময় ঘটনাস্থল থেকে ৩৫টি আলামত সংগ্রহ করেছিল সিআইডি। ঘটনার ১২ দিন পর তিন দফায় সেগুলো ফরেনসিক ল্যাবে পাঠানো হয়েছে। এসবের মধ্যে ফল কাটার চাকু, ইয়াবা সেবনের ফয়েল, সিগারেটের শেষাংশ, নান রুটি, শসা ও খেজুর, বেসিনের দাগ, নিহত শিশু প্রিয়মের খাতায় পাওয়া একটি লেখাসহ সংগ্রহ করা ৩৫টি আলামত রয়েছে।

তদন্তে নতুন করে পাওয়া ডিএনএ মিল মামলার ফরেনসিক ভিত্তিকে আরও শক্তিশালী করতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশেষ করে ঘটনাস্থলে থাকা খাদ্যদ্রব্য ও ধূমপানের আলামতে দুই আসামির ডিএনএ পাওয়া যাওয়াকে তাদের সঙ্গে ঘটনাস্থলের সম্ভাব্য সরাসরি যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক সূত্র হিসেবে দেখা হচ্ছে।

তবে তদন্তসংশ্লিষ্টরা বলছেন, ডিএনএ মিলকে এককভাবে চূড়ান্ত অপরাধের প্রমাণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে না। আদালতে অভিযোগ প্রমাণের ক্ষেত্রে ডিএনএ পরীক্ষার ফলাফলের পাশাপাশি আসামিদের জবানবন্দি, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন, ঘটনাস্থলের অন্যান্য আলামত, লুট হওয়া সম্পদ উদ্ধারের তথ্য এবং তদন্তে পাওয়া অন্যান্য প্রমাণও বিবেচনায় নেওয়া হবে।

প্রসঙ্গত, গত ২২ আগস্ট রাতে রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়া এলাকায় নিজ বাড়ি থেকে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী, মেয়ে আগামী চক্রবর্তী ও ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে টানা দুই দিন যোগাযোগ না হওয়া এবং বাড়ি থেকে দুর্গন্ধ বের হওয়ার পর স্বজনেরা বিষয়টি জানতে পারেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে চারজনের মরদেহ উদ্ধার করে। পুলিশের তদন্তে তাদের সবাইকে শ্বাসরোধে হত্যার তথ্য উঠে আসে।