News update
  • 47m health workers, advocates for cleaner air to curb deaths     |     
  • Bangladesh Seeks 50-Year Water Management Plan from China     |     
  • Khaleda to Celebrate Eid with Family in London After 6-yr     |     
  • Dhaka Bustles with Last-Minute Eid Shopping Frenzy     |     

ঈদের আগে রেমিট্যান্সের পালে হাওয়া, ভাঙতে পারে রেকর্ড

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক অর্থনীতি 2025-03-24, 8:26am

664255ef82c1870c0e710036419d908a98023b553145ca43-2d28398871582d1371d850894b93d4fc1742783178.jpg




চলতি মাসের প্রথম ২২ দিনে দেশে এসেছে ২৪৩ কোটি ৭৫ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। দেশীয় মুদ্রায় (প্রতি ডলার ১২২ টাকা হিসাবে) যার পরিমাণ ২৯ হাজার ৭৩৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা। এই হিসাবে প্রতিদিন গড়ে দেশে এসেছে ১১ কোটি ৮ লাখ ডলার রেমিট্যান্স।

রোববার (২৩ মার্চ) বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

এতে বলা হয়, মার্চের প্রথম ২২ দিনে দেশে এসেছে ২৪৩ কোটি ৭৫ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। আর গত ফেব্রুয়ারি ও জানুয়ারির একই সময়ে প্রবাসী আয় এসেছিল যথাক্রমে ১৯২ কোটি ৯৯ লাখ ডলার ও ১৪৭ কোটি ৪০ লাখ ডলার। এ হিসাবে মার্চে প্রচুর বেড়েছে রেমিট্যান্স প্রবাহ।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঈদকে সামনে রেখে দেশে স্বজনদের কাছে বিপুল পরিমাণে অর্থ পাঠাচ্ছেন প্রবাসীরা। এতে বাড়ছে প্রবাসী আয়ের প্রবাহ। এ ধারা অব্যাহত থাকলে চলতি মাসে রেকর্ড পরিমাণ রেমিট্যান্স দেশে আসতে পারে।

মার্চের প্রথম ২২ দিনে রাষ্ট্র মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৫২ কোটি ৭৩ লাখ ৯০ হাজার ডলার। এছাড়া বিশেষায়িত ব্যাংকের মাধ্যমে ১৯ কোটি ৯২ লাখ ৮০ হাজার ডলার, বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে ১৭০ কোটি ৬৩ লাখ ৪০ হাজার ডলার ও বিদেশি খাতের ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৪৫ লাখ ৭০ হাজার ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংক আরও জানায়, মার্চের ১৬ থেকে ২২ তারিখ প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ৭৮ কোটি ১৪ লাখ ৭০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স। ৯ থেকে ১৫ মার্চ দেশে এসেছে ৮৪ কোটি ১৮ লাখ ২০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স। ২ থেকে ৮ মার্চ দেশে এসেছে ৭৮ কোটি ৪২ লাখ ডলার রেমিট্যান্স। আর ১ মার্চ রেমিট্যান্স এসেছে ৩ কোটি ৮০ হাজার ডলার।

এদিকে, গত ফেব্রুয়ারি ও জানুয়ারি মাসে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল যথাক্রমে ২৫২ কোটি ৭৬ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার ও ২১৮ কোটি ৫২ লাখ মার্কিন ডলার।

আর সদ্য বিদায়ী ২০২৪ সালে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ৬৮৮ কোটি ৯১ লাখ মার্কিন ডলার। এর মধ্যে গত বছরের জানুয়ারিতে ২১১ কোটি ৩১ লাখ ৫০ হাজার, ফেব্রুয়ারিতে ২১৬ কোটি ৪৫ লাখ ৬০ হাজার, মার্চে ১৯৯ কোটি ৭০ লাখ ৭০ হাজার, এপ্রিলে ২০৪ কোটি ৪২ লাখ ৩০ হাজার, মে মাসে ২২৫ কোটি ৪৯ লাখ ৩০ হাজার, জুনে ২৫৩ কোটি ৮৬ লাখ, জুলাইতে ১৯১ কোটি ৩৭ লাখ ৭০ হাজার, আগস্টে ২২২ কোটি ৪১ লাখ ৫০ হাজার, সেপ্টেম্বরে ২৪০ কোটি ৪৭ লাখ ৯০ হাজার, অক্টোবরে ২৩৯ কোটি ৫০ লাখ ৮ হাজার, নভেম্বরে ২১৯ কোটি ৯৫ লাখ ১০ হাজার ও ডিসেম্বরে এসেছে ২৬৩ কোটি ৮৭ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার। সময়