News update
  • Seven Bangladeshis killed, 6 injured in Saudi road accident     |     
  • Dhaka ranks 4th in global list of cities with worst air quality     |     
  • Tarique Warns of Fresh Conspiracies, Vows to Defend Sovereignty     |     
  • National Revolution and Solidarity Day Today     |     
  • Tarique Rahman Pays Tribute at Zia, Khaleda’s Graves     |     

রোহিঙ্গা ক্যাম্পের কাছে দুটি সেনা ক্যাম্প স্থাপনের সিদ্ধান্ত

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক খবর 2026-10-08, 10:55pm

img_20261008_225303-1386a1fb2d70a44db35d6aa1d85473841791478504.jpg




কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্প-সংলগ্ন পাহাড়ি এলাকায় অপহরণসহ বিভিন্ন অপরাধ দমনে দুটি সেনা ক্যাম্প স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, কক্সবাজারের নোয়াখালীপাড়া ও রঙ্গিখালী পাহাড়ি এলাকায় রামুর ১০ পদাতিক ডিভিশনের অধীনে এসব ক্যাম্প স্থাপন করা হবে।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সচিবালয়ে বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের এই তথ্য দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রঙ্গিখালী ও নোয়াখালীপাড়া পাহাড়ি এলাকায় প্রতিনিয়ত লোকজনকে অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায় করা হয়। এ ধরনের অপরাধ বন্ধে সবার পরামর্শ অনুযায়ী ওই দুই এলাকায় সেনা ক্যাম্প স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, ১০ পদাতিক ডিভিশনের অধীনে ক্যাম্প দুটি স্থাপন করা হলে ওই এলাকায় এ ধরনের অপরাধ বন্ধ হবে বলে আশা করছে সরকার।

এছাড়া, রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাইরে নষ্ট হয়ে যাওয়া কাঁটাতারের বেড়া পুনর্নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলেও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সেইসঙ্গে সেখানে সোলার লাইট স্থাপন, কিছুদূর পরপর সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন এবং কন্ট্রোল ও ওয়াচ টাওয়ার নির্মাণ করা হবে বলে আশ্বস্ত করেন তিনি।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি প্রসঙ্গে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ক্যাম্পের ভেতরে ও বাইরে মাদক, অস্ত্র, মানবপাচারসহ বিভিন্ন অপরাধ মোকাবিলায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করে। আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) একজন ডিআইজির নেতৃত্বে এসব অভিযানে অন্যান্য বাহিনীর সদস্যরাও যুক্ত থাকেন।

তিনি আরও বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্প সংশ্লিষ্ট অপরাধের মধ্যে প্রধানত মাদক কারবার, অনলাইন জুয়া, মানবপাচার ও বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর আনাগোনা রয়েছে। এর বাইরে দণ্ডবিধির আওতায় বিভিন্ন সাধারণ অপরাধও হয়। এসব অপরাধ নিয়ন্ত্রণে পুলিশ বাহিনীর নিয়মিত কাজের পাশাপাশি এপিবিএনের নেতৃত্বে ক্যাম্প সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সম্প্রতি এপিবিএনের আইনে তাদের তদন্তের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। এপিবিএনে প্রায় ৪০০ উপ-পরিদর্শক (এসআই) পর্যায়ের কর্মকর্তা থাকায় তাদের এ ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া, জঙ্গল সলিমপুরকে সুশাসনের আওতায় আনতে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সেখানে সারদার মতো একটি পুলিশ একাডেমি প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত হয়েছে এবং এ জন্য জমি দেখা হচ্ছে।