News update
  • Tarique Warns of Fresh Conspiracies, Vows to Defend Sovereignty     |     
  • National Revolution and Solidarity Day Today     |     
  • Tarique Rahman Pays Tribute at Zia, Khaleda’s Graves     |     
  • Dhaka’s air quality 4th worst in the world this morning     |     
  • US Launches Fresh Strikes on Iran Amid Peace Efforts     |     

দুপুর ও রাতের খাবারের পর ফল খেলে কী কী সমস্যা হতে পারে?

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক খাদ্য 2026-10-08, 11:24pm

fruit_1-974b984cdd41eef0fe4f40bed85ffcf21791480264.jpg




ফল ভিটামিন ও মিনারেলের চমৎকার উৎস। তাই সুস্থ থাকতে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় ফল রাখতেই হয়। দুপুর ও রাতের খাবারের পর বহু পরিবারে ফল খাওয়ার প্রচলন রয়েছে। কিন্তু খাবারের পর কি ফল খাওয়া নিরাপদ? খেলেও কোন কোন ফল খাওয়া উচিত? তবে খাবারের সঙ্গে ফল খেতেই নিষেধ করছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ।

দুপুরের খাবারের পর ফল

দুপুরে খাবারের পর অনেকেই ফল খেয়ে থাকেন। একটি সম্পূর্ণ খাবারের মাধ্যমে শরীরে কার্বোহাইড্রেট প্রবেশ করে। তারপরে ফল খাওয়ার পরে কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ আরও বেড়ে যায়। কলার খেলে গ্লাইসেমিক লোড বাড়িয়ে দিতে পারে। ফলে রক্ত শর্করার পরিমাণও বেড়ে যেতে পারে।

রাতের খাবারের পর ফল

রাতের খাবারের পর বা ঘুমাতে যাওয়ার আগে ফল খাওয়া উচিত নয়। এর ফলে রক্তে শর্করার পরিমাণ বেড়ে যায়। এ কারণে ঘুমের অসুবিধা হতে পারে। হজমের সমস্যাও হতে পারে। তাই এ বিষয়ে চিকিৎসকদের একাংশ জানিয়েছেন, রাতে ঘুমাতে যাওয়ার অন্তত দু’ঘন্টা আগে রাতের খাবার খেয়ে নেওয়া উচিত। সম্ভব হলে রাতে ফল না খাওয়াই ভাল।

খাবারের সঙ্গে ফল

খাবারের সঙ্গে ফল খেতেই নিষেধ করছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ। এর ফলে শরীরে অস্বস্তি বোধ তৈরি হতে পারে। কারণ উচ্চ ফাইবার যুক্ত ফল ধীরে ধীরে হজম হয়। খাবারের সঙ্গে ফল খেলে, খাবার হজম করতেও তা সমস্যা তৈরি করতে পারে।

কখন খাওয়া উচিত?

সকালের নাশতায় ফল খাওয়া উপকারী। কারণ দিনের শুরুতেই তা শরীরকে তার প্রয়োজনীয় শক্তির জোগান দেয়। পুষ্টিবিদ ও ফিটনেস প্রশিক্ষকদের একাংশের মতে, দুপুরে খাবার খাওয়ার পরেই ফল খেলে অধিক ফাইবারের জন্য খাবার হজমের সমস্যা হতে পারে। তাই প্রথমে ৩০ মিনিট বিরতি নেওয়া উচিত। তারপর ফল খাওয়া যেতে পারে, এর ফলে বদহজমের সমস্যা হবে না। যাদের ডায়াবেটিস রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে দুপুরের খাবার খাওয়ার অন্তত দু’ঘণ্টা পর ফল খাওয়া উচিত। এর ফলে রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে থাকে।