News update
  • COP17: Can the World Deliver on Its Biodiversity Goals?     |     
  • Dhaka Ranks 8th in Global Pollution Index on Sunday     |     
  • Deadly Inani Beach Fire Exposes Gaps in Tourism Safety     |     
  • PM Tarique Rahman Pledges Inclusive Dev in Dialogue with Persons with Disabilities     |     
  • PM Inspects 13 Dhaka Sites, Sets Deadlines for Cleanliness     |     

জলবায়ু সংকটে বাড়ছে বাল্যবিবাহের ঝুঁকি, ঢাকায় আলোচনা সভা

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক জলবায়ু 2026-10-18, 9:03am

img-20261018-wa0004-2d4726c3f8aecd7ce964cf79878200cb1792292621.jpg




জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বাংলাদেশের মেয়েদের বাল্যবিবাহের ঝুঁকি কমাতে আলোচনা সভার আয়োজন করেছে ইটস হিউম্যানিটি ফাউন্ডেশন (আইএইচএফ) ও ইসমাইলি সিভিক বাংলাদেশ। আন্তর্জাতিক ও জাতীয় কন্যাশিশু দিবস উপলক্ষে শনিবার (১৭ অক্টোবর) রাজধানীর বসুন্ধরায় ইসমাইলি জামাতখানা অ্যান্ড সেন্টারে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন খাতের বিশেষজ্ঞ ও প্রতিনিধিরা অংশ নেন। দুটি প্যানেল আলোচনায় উঠে আসে, বন্যা, ঘূর্ণিঝড়সহ জলবায়ুজনিত দুর্যোগ পরিবারের আয় ও জীবিকায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। এতে মেয়েদের পড়াশোনা ব্যাহত হয়, বাড়ে পারিবারিক চাপ এবং তৈরি হয় বাল্যবিবাহের ঝুঁকি।

মূল বক্তব্যে ইটস হিউম্যানিটি ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক মো. আদনান হোসেন বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন ও বাল্যবিবাহকে আলাদা করে দেখার সুযোগ নেই। দুর্যোগে পরিবারের আয় কমে গেলে মেয়েদের শিক্ষা বাধাগ্রস্ত হয় এবং তাদের ওপর বাড়তি দায়িত্ব চাপানো হয়। একপর্যায়ে পরিবারগুলো মেয়েদের অল্প বয়সে বিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

তিনি বলেন, “একটি ঝড় একটি পরিবারের জীবন এলোমেলো করে দিতে পারে। স্কুলঘর ভাসিয়ে নিয়ে যেতে পারে। কিন্তু কোনো দুর্যোগই যেন একটি মেয়ের স্বপ্নপূরণ বা নিজের ভবিষ্যৎ গড়ার পথে বাধা হয়ে না দাঁড়ায়, সে বিষয়ে আমাদের কাজ করতে হবে।”

প্রথম প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন জলবায়ু গবেষক, আইনজীবী, করপোরেট খাতের প্রতিনিধি ও জেন্ডার বিশেষজ্ঞরা। আলোচনাটি সঞ্চালনা করেন ইটস হিউম্যানিটি ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা শামীমা আক্তার। দ্বিতীয় প্যানেলে আইনজীবী, গবেষক, উন্নয়নকর্মী ও যোগাযোগ বিশেষজ্ঞরা অংশ নেন। এটি সঞ্চালনা করেন ফাউন্ডেশনের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও উপদেষ্টা সৈয়দ ফজলে নিয়াজ।

আলোচকেরা বলেন, দুর্যোগের সময় জরুরি সহায়তা দেওয়ার পাশাপাশি দুর্যোগ-পরবর্তী সময়ে পরিবারগুলোর স্বাভাবিক জীবনে ফেরার সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে। বিশেষ করে মেয়েদের শিক্ষা, নিরাপত্তা ও ভবিষ্যৎ যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেদিকে গুরুত্ব দেওয়া জরুরি। এ জন্য সুরক্ষাব্যবস্থা জোরদার, শিক্ষা ও আয়ের সুযোগ বৃদ্ধি এবং জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলার সিদ্ধান্ত গ্রহণে মেয়েদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন তাঁরা।

ইসমাইলি সিভিক বাংলাদেশের লিড মুনিরা আহমেদ ফিদাই বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে মেয়েদের শুধু ভুক্তভোগী হিসেবে দেখলে চলবে না। নেতৃত্ব ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে তাদের সক্রিয় অংশগ্রহণের সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে, যাতে তারা নিরাপদ ও সহনশীল সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখতে পারে।

২০১০ সালে প্রতিষ্ঠিত ইটস হিউম্যানিটি ফাউন্ডেশন শিক্ষা, নারীর ক্ষমতায়ন, তরুণদের দক্ষতা উন্নয়ন ও জরুরি সহায়তার মাধ্যমে দারিদ্র্য দূরীকরণে কাজ করে। অন্যদিকে, ইসমাইলি সিভিক সমাজের উন্নয়ন ও পরিবেশ সুরক্ষায় বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে।