News update
  • First cruise ship crosses Strait of Hormuz since war began     |     
  • MDBs stress co-op support global stability amid uncertainty     |     
  • PM opens first Hajj flight, visits Ashkona camp     |     
  • River ports asked to hoist cautionary signal No 1     |     
  • Oil prices drop 9% & Wall Street rallies to a record after Iran reopens Hormuz     |     

এনআইডিতে ৩০০ টাকা ঘুষ নিয়ে চাকরি হারালেন ইসি কর্মকর্তা

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক নির্বাচন 2026-02-06, 2:34am

29bde475a51426eb24b70a42fcd8b6edff483e48f962ba52-f6979bbff27205a3a25671f516635df31770323669.jpg




জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) সেবা দিতে গিয়ে মাত্র ৩০০ টাকা ঘুষ গ্রহণ এবং সেই তথ্য গোপন করতে সাংবাদিককে ২৯ হাজার টাকা ঘুষ দেয়ার অভিযোগে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব শুধাংশু কুমার সাহাকে চাকরি থেকে অপসারণ করা হয়েছে।

রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদের সই করা প্রজ্ঞাপনে এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থার কথা জানানো হয়। গত ৩ ফেব্রুয়ারি থেকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে বলে ইসি সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, শুধাংশু কুমার সাহা কুমিল্লায় অতিরিক্ত আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত থাকাকালে এক সেবাগ্রহীতার এনআইডি সংশোধনের জন্য অবৈধভাবে ৩০০ টাকা গ্রহণ করেন। ওই সময় উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীরা ঘুষ গ্রহণের দৃশ্য ভিডিও ধারণ করেন। সেই ভিডিও যাতে প্রচার না করা হয়, সে জন্য অভিযুক্ত কর্মকর্তা সংশ্লিষ্ট সাংবাদিককে ২৯ হাজার টাকা ‘উৎকোচ’ বা ঘুষ হিসেবে প্রদানের প্রস্তাব দেন।

এই অনৈতিক ঘটনার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পর তাকে প্রথমে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়। পরবর্তী সময়ে তার বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ অনুযায়ী ‘অসদাচরণ’-এর অভিযোগে বিভাগীয় মামলা দায়ের করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন আইডিইএ দ্বিতীয় পর্যায় প্রকল্পের অতিরিক্ত প্রকল্প পরিচালক মো. ফরিদুল ইসলাম। দীর্ঘ তদন্ত শেষে অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়।

তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, অভিযুক্ত কর্মকর্তা আত্মপক্ষ সমর্থনের চেষ্টা করলেও তার জবাব সন্তোষজনক ছিল না। পরবর্তী সময়ে সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) পরামর্শ এবং রাষ্ট্রপতির সানুগ্রহ অনুমোদনের পর তাকে সরকারি কর্মচারী বিধিমালা অনুযায়ী ‘চাকরি থেকে অপসারণ’ নামক গুরুদণ্ড প্রদান করা হয়।

নির্বাচন কমিশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে কমিশনের এই কঠোর অবস্থান জিরো টলারেন্স নীতির অংশ। বরখাস্তের আগে তিনি আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়, রংপুরে সংযুক্ত ছিলেন। জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ গত ৩ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর হয়েছে।