News update
  • February polls bring new stability of policy in BD: Japan Envoy     |     
  • Master plans being prepared to ensure planned urbanisation: PM     |     
  • PM Orders Faster Work on Dhaka Inner Circular Road     |     

কুয়াকাটায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দু'দিন ব্যাপী বীচ কার্নিভাল উৎসব

পর্যটন 2026-10-04, 11:16pm

beach-carnival-festival-is-being-organised-in-kuakata-on-23-and-24-october-2026-22e847d5f6fde85594d6bf703901089a1791134210.jpg

Beach Carnival Festival is being organised in Kuakata on 23 and 24 October 2026.



পটুয়াখালী: একই স্থানে দাঁড়িয়ে  সূর্যোদয় আর সূর্যাস্তের অপার সৌন্দর্য্য দর্শনে প্রসিদ্ধ কুয়াকাটায় পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে আগামী ২৩ ও ২৪ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দু'দিন ব্যাপী বীচ কার্নিভাল উৎসব বা কুয়াকাটা পর্যটন কার্নিভাল ২০২৬। এ আয়োজন ঘিরে কুয়াকাটাকে আধুনিক পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে পর্যটন সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের নিয়ে

রবিবার বিকেল ৪টায় বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের আয়োজনে কুয়াকাটার পর্যটন হলিডে হোমসের কনফারেন্স হলে ‘কুয়াকাটা পর্যটন কার্নিভাল ২০২৬’ উপলক্ষে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এর আগে ২০১৭ সালে বীচ কার্নিভাল অনুষ্ঠিত হয়। দীর্ঘ বিরতির পর আগামী ২৩ ও ২৪ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে কুয়াকাটা বীচ কার্নিভাল।

 বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান জনাব মো. শামীমুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রশিক্ষন বিষয়ক সম্পাদক ও পটুয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এ বি এম মোশাররফ হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের পরিচালক মো. গনী উল আজম।

এছাড়া পটুয়াখালী জেলা পরিষদ প্রশাসক স্নেহাংশু সরকার কুট্টি, বরিশাল বিভাগীয়  ডিআইজি (ট্যুরিস্ট পুলিশ) অর্নিবান চাকমা, সহকারী কমিশনার( ভূমি) ইয়াসীন সাদেক সহ পর্যটন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধি, ব্যবসায়ী, হোটেল-মোটেল মালিক, উদ্যোক্তা ও স্থানীয় অংশীজনরা উপস্থিত ছিলেন।

আয়োজকরা জানান, কুয়াকাটার পর্যটন সম্ভাবনাকে দেশ-বিদেশে তুলে ধরা এবং পর্যটকদের কাছে এ অঞ্চলকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতেই এবারের কার্নিভালের আয়োজন। কার্নিভালকে কেন্দ্র করে সৈকত ও আশপাশের এলাকায় সাজসজ্জা, পরিচ্ছন্নতা এবং প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। 

কার্নিভালে থাকবে বীচ ক্যাম্পিং, বিচ ফুটবল, কুইজ প্রতিযোগিতা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, বিচ উৎসব,পুথি পাঠ,  প্রি-ইভেন্টসহ নানা আয়োজন। পাশাপাশি স্থানীয় পণ্য, খাবার ও পর্যটনকে ঘিরেও থাকবে বিভিন্ন কর্মসূচি। - গোফরান পলাশ