News update
  • More than 500 Rohingya vanished at sea - what happened?     |     
  • EU, G77 Back Bangladesh's Smooth LDC Graduation     |     
  • US hits Iran infrastructure in tit-for-tat strikes     |     
  • Trump to attend World Cup final on Sunday: White House     |     
  • IEA Warns Hormuz Disruption Threatens Energy Security     |     

বাংলাদেশিসহ বিদেশি সব শিক্ষার্থীর জন্য ভিসায় বড় পরিবর্তন যুক্তরাষ্ট্রের

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক প্রবাস 2026-07-17, 10:15am

img_20260717_101318-6d568e810022ee8da3375cd5921e33a71784261757.jpg




যুক্তরাষ্ট্রে পড়তে যাওয়া আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য ভিসানীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। বিদেশি শিক্ষার্থী এবং বিনিময় কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া অতিথি ও সাংবাদিকদের ভিসার ক্ষেত্রে এবার নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দিতে যাচ্ছে তারা। এর মধ্য দিয়ে কয়েক দশকের পুরোনো একটি ব্যবস্থার অবসান ঘটতে যাচ্ছে অচিরেই, যে ব্যবস্থায় এতদিন যুক্তরাষ্ট্রে থাকার ক্ষেত্রে বিশেষ এক ধরনের সুবিধা ভোগ করতেন বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থীরা।

এতদিন নির্দিষ্ট শিক্ষা কার্যক্রমে যুক্ত থাকা পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানের সুযোগ পেতেন বিদেশি শিক্ষার্থীরা। কিন্তু নতুন নিয়ম অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী ও বিনিময় কর্মসূচির অতিথিরা এখন থেকে সর্বোচ্চ চার বছরের জন্য ভিসা পাবেন।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তাবিষয়ক বিভাগ (ডিএইচএস) এই নতুন নিয়ম জারি করেছে। খবর আল জাজিরার।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, বিদেশি সাংবাদিকেরা এক দফায় সর্বোচ্চ ২৪০ দিন থাকার অনুমতি পাবেন। তবে, চীনা নাগরিকদের ক্ষেত্রে সাংবাদিকদের এই সময়সীমা হবে মাত্র ৯০ দিন।

নির্ধারিত সময়ের চেয়ে বেশি দিন থাকতে চাইলে ভিসার মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন করতে হবে। অথবা দেশ ছেড়ে চলে যাওয়ার পর নতুন করে আবেদনের মাধ্যমে আবার ফিরে আসতে হবে।

নতুন এই নিয়ম ফেডারেল রেজিস্টারে প্রকাশের ৬০ দিন পর থেকে কার্যকর হবে। তবে, এর আগে কংগ্রেসের পর্যালোচনার প্রয়োজন হবে।

এই নিয়মের কারণে যুক্তরাষ্ট্রে আগামী আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাস থেকে শুরু হতে যাওয়া কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রোগ্রামগুলোর ভর্তি প্রক্রিয়ায় প্রভাব পড়তে পারে।

ডিএইচএসের তথ্য অনুযায়ী, বিগত বছরে স্টুডেন্ট ভিসায় রেকর্ড সংখ্যক মানুষ যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেছেন। তবে, এই বিপুল সংখ্যার কারণে তাদের ওপর নজরদারি করা কঠিন হয়ে পড়ছে বলে দাবি করছে দপ্তরটি।

এদিকে অভিবাসন আইনজীবী এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ট্রাম্প প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তের বিষয়ে সতর্ক করেছে। তাদের মতে, এই নীতির কারণে যুক্তরাষ্ট্রে পড়াশোনা, শিক্ষাদান বা গবেষণার খরচ ও জটিলতা বাড়বে। ফলে, মেধা চর্চার কেন্দ্র হিসেবে বিশ্ব দরবারে যুক্তরাষ্ট্রের আকর্ষণ কমে যেতে পারে।