News update
  • Dhaka Tops Global Pollution List with Hazardous Air     |     
  • Country Observes Martyred Army Day Today     |     
  • 100 CSOs rally against Trump’s trade tactics, urge access to drugs     |     
  • BNP believes in multiparty democracy, not revenge: Moyeen Khan     |     
  • Bangladesh reaffirms commitment to revitalise SAARC process     |     

আদানির চুক্তি ইস্যুতে নড়েচড়ে বসেছে সরকার, খতিয়ে দেখা হচ্ছে অসঙ্গতি

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক বিদ্যুৎ 2026-02-25, 1:41pm

2e830c23beff73d93c58ad00ad80ddc2ff82a44e464001cd-e45d7b1f165f225f094ff523a168635c1772005318.jpg




ভারতীয় আদানি গ্রুপের সঙ্গে করা ‘বহুল বিতর্কিত’ বিদ্যুৎ চুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে পর্যালোচনা করছে বিএনপি সরকার। চুক্তির বিভিন্ন অসঙ্গতি ও খুঁটিনাটি বিষয় খতিয়ে দেখতে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকও হয়েছে। সময় সংবাদকে দেয়া সাক্ষাৎকারে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ জানিয়েছেন, বাংলাদেশের স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে আদানি চুক্তির ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করা হবে।

বিগত ২০১৭ সালের নভেম্বরে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার ভারতীয় প্রতিষ্ঠান আদানি গ্রুপের সঙ্গে ২৫ বছরের বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তি করে। ঝাড়খন্ডের গোড্ডায় আদানি পাওয়ারের ১৬০০ মেগাওয়াট তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয় ২০২৩ সালের এপ্রিলে।

তবে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকারের গঠিত জাতীয় রিভিউ কমিটির প্রতিবেদনে আদানির বিদ্যুতের অস্বাভাবিক মূল্য ও অসম নানা শর্ত উঠে আসে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারত থেকে আমদানি করা বিদ্যুতের দাম যখন ৪.৪৬ সেন্ট, তখন আদানির সঙ্গে ৮.৬১ সেন্টে চুক্তি করা হয়েছে। চুক্তিতে এক অদ্ভুত সূচকও দেয়া হয়েছে, যার ফলে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতে ৪০-৫০ শতাংশ বেশি হিসেবে বাংলাদেশ প্রতি বছর আদানিকে বাড়তি ৫০ কোটি ডলার বা ছয় হাজার কোটি টাকা দিচ্ছে।

২৫ বছর চুক্তির মেয়াদে এক হাজার কোটি ডলার বাড়তি নিয়ে যাবে আদানি। প্রতিবেদনে চুক্তিটি বাংলাদেশের জন্য আত্মঘাতী উল্লেখ করে শর্ত পুনর্বিবেচনা বা বাতিলের সুপারিশ করা হয়েছে।

জাতীয় কমিটির এই প্রতিবেদনের সুপারিশের আলোকে সম্প্রতি সচিবালয়ে সরকারের মন্ত্রী, আন্তর্জাতিক চুক্তি পর্যালোচনা ও কারিগরি বিশেষজ্ঞদের নিয়ে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক হয়। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ জানিয়েছেন, আদানি চুক্তির ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সব বিধিবিধান ও দেশের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, আদানির সঙ্গে চুক্তির বিষয়টি অনেক বড়। বিগত সরকার কমিটি তৈরি ও প্রতিবেদন তৈরি করেছিল। বর্তমান সরকারও কাজ করছে। তবে সবার আগে বাংলাদেশকে প্রাধান্য দেয়া হচ্ছে যাতে সাশ্রয় হয়।

আদানিসহ বিগত আওয়ামী লীগের আমলে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের অসম চুক্তিগুলোর বিষয়েও ভাবা হচ্ছে বলেও জানান বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী। তিনি বলেন, অন্যান্য চুক্তিগুলোর বিষয়ও দেখা হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে কিছুটা সময় লাগবে।

বিদ্যুৎ বিভাগের তথ্যমতে, বর্তমানে দেশের ১৩৬টি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের দৈনিক উৎপাদন সক্ষমতা ৩২ হাজার ৩৩২ মেগাওয়াট। সর্বোচ্চ চাহিদা ১৭ থেকে ১৮ হাজার মেগাওয়াট হলেও বাংলাদেশকে এখনও বিদ্যুৎ আমদানি করতে হয়।