News update
  • Bangladesh to Introduce New Law to Curb Extortion, IGP Says     |     
  • UN Marks 81 Years of Global Cooperation and Peace     |     
  • Dhaka's air 5th worst in the world this morning     |     
  • Around 7,500 Bangladeshis imprisoned in Saudi Arabia: Shama Obaed     |     
  • Bangladesh Outperforms India in Global Hunger Index 2026     |     

৬ সংস্থা বিলুপ্ত করে গঠিত হচ্ছে ‘বিনিয়োগ উন্নয়ন সংস্থা’

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক বিনিয়োগ 2026-04-20, 6:26am

tyertertert-f78cf2f19265672c8126266ca9c07c391776644790.jpg




দেশের বিনিয়োগ পরিবেশকে আরও গতিশীল ও সমন্বিত করতে বড় ধরনের প্রশাসনিক সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এরই অংশ হিসেবে বিডা, বেপজা ও বেজাসহ গুরুত্বপূর্ণ ছয়টি সরকারি সংস্থাকে বিলুপ্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এসব সংস্থাকে একীভূত করে ‘বিনিয়োগ উন্নয়ন সংস্থা’ নামে একটি নতুন দপ্তর গঠন করা হবে।

বিলুপ্ত হতে যাওয়া সংস্থাগুলো হলো— বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা), বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ (বেপজা), বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা), বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব (পিপিপি) কর্তৃপক্ষ এবং বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন (বিসিক)।

রোববার (১৯ এপ্রিল) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ৬ সংস্থা বিলুপ্ত করে গঠন করা হচ্ছে বিনিয়োগ উন্নয়ন সংস্থা নামের নতুন দপ্তর; যেখানে থাকবে না কাগুজে নথির চল। চালু করা হবে ডি নথি।

সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, এসব সংস্থা একীভূত করে ‘বিনিয়োগ উন্নয়ন সংস্থা’ নামে একটি নতুন দপ্তর গঠন করা হবে। নতুন এই কাঠামোয় বিনিয়োগ সংক্রান্ত সব সেবা এক ছাতার নিচে আনা হবে এবং কাগজভিত্তিক ফাইলিংয়ের পরিবর্তে চালু করা হবে ডিজিটাল নথি (ডি-নথি) ব্যবস্থা।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বিনিয়োগ প্রক্রিয়াকে সহজ ও দ্রুত করতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে বিনিয়োগ প্রক্রিয়ায় একাধিক দপ্তরের সম্পৃক্ততার কারণে সময়ক্ষেপণ ও জটিলতা তৈরি হয় বলে মনে করছে সরকার।

নতুন কাঠামোতে প্রতিটি ধাপ ডিজিটালাইজড করার পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে বিনিয়োগকারীদের বিভিন্ন দপ্তরে ঘুরতে না হয়। পাশাপাশি ফাইল প্রসেসিংয়ের দীর্ঘসূত্রতা কমিয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ব্যবস্থা রাখা হবে।

এরই মধ্যে সংস্থাগুলো বিলুপ্তি, জনবল পুনর্বিন্যাস, নতুন অর্গানোগ্রাম প্রণয়ন এবং আইনি কাঠামো তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। একাধিক কমিটিও গঠন করা হয়েছে এ প্রক্রিয়া বাস্তবায়নের জন্য।

সব খসড়া ও চূড়ান্ত পরিকল্পনা আগামী ২ জুলাই প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে উপস্থাপন করা হবে বলে জানা গেছে।