News update
  • Dhaka Ranks Fifth Among World’s Most Polluted Cities on Tuesday      |     
  • Protests Disrupt Production at 681 Factories Across Bangladesh     |     
  • LPG Price Hike Fuels Fears of Tk 2,500 Cylinder Cost     |     
  • Consumers face fresh burden as 12kg LPG cylinder price rises to Tk 2,060     |     
  • Cabinet Approves 29 Public Holidays for Bangladesh in 2027     |     

ইউরোপে নজিরবিহীন তাপপ্রবাহ, মৃতের সংখ্যা ১৩০০ ছাড়াল

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক বিপর্যয় 2026-06-29, 7:22am

img_20260629_072052-b312b55c99ce014cb3685d5a910194051782696146.jpg




চলতি গ্রীষ্মের শুরুতেই ইউরোপ জুড়ে শুরু হওয়া নজিরবিহীন তাপপ্রবাহের কারণে মহাদেশটিতে নিহতের সংখ্যা ১ হাজার ৩০০ জন ছাড়িয়ে গেছে। রোববার (২৮ জুন) জার্মানি, পোল্যান্ড ও চেক প্রজাতন্ত্রসহ পুরো মহাদেশজুড়েই আবহাওয়ার আগের সব রেকর্ড ভেঙে তাপমাত্রা সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছায়। এই দাবদাহ এখন ক্রমশ পূর্ব ইউরোপের দিকে অগ্রসর হচ্ছে, যার ফলে সৃষ্টি হয়েছে এক ভয়াবহ মানবিক ও স্বাস্থ্য বিপর্যয়। খবর বিবিসির।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) প্রধান তেদরোস আধানোম গেব্রেউসুস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে এই উদ্বেগের কথা জানান। তিনি উল্লেখ করেন, গত ২১ জুন থেকে এ পর্যন্ত ইউরোপে তীব্র তাপমাত্রার কারণে ১ হাজার ৩০০ জনেরও বেশি অতিরিক্ত মৃত্যু রেকর্ড করা হয়েছে। হিট স্ট্রোক বা তাপজনিত চাপকে 'নীরব ঘাতক' আখ্যা দিয়ে তিনি সতর্ক করেন, ইউরোপের ঘরবাড়ি, কর্মক্ষেত্র ও স্কুলগুলো এই চরম তাপমাত্রা সহ্য করার মতো পরিকাঠামো নিয়ে তৈরি করা হয়নি। একই সঙ্গে তিনি মনে করিয়ে দেন, ইউরোপ হলো পৃথিবীর দ্রুততম উষ্ণ হতে থাকা মহাদেশ, যা বৈশ্বিক গড় তাপমাত্রার চেয়ে দ্বিগুণ গতিতে উত্তপ্ত হচ্ছে।

এদিকে ফ্রান্সের জাতীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত বুধবার থেকে কেবল ফ্রন্সেই স্বাভাবিকের চেয়ে প্রায় এক হাজারের বেশি মানুষের আকস্মিক মৃত্যু হয়েছে। এই অতিরিক্ত মৃত্যুর শিকার হওয়াদের একটি বড় অংশই হলেন ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সী প্রবীণ নাগরিক এবং দেশটিতে বাড়িতে বসে মারা যাওয়া মানুষের সংখ্যা এক ধাক্কায় প্রায় ৪০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এই চরম বৈরী আবহাওয়ার কারণে মহাদেশটির লাখ লাখ মানুষ এখন তীব্র সংকটের মধ্যে জীবনযাপন করছেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বহু স্কুল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এবং অতিরিক্ত লোডের কারণে অনেক দেশের বিদ্যুৎ গ্রিডগুলো ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছে।

আবহাওয়ার প্রাথমিক উপাত্ত বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, জার্মানি টানা তৃতীয় দিনের মতো দেশটির ইতিহাসের উষ্ণতম দিন প্রত্যক্ষ করেছে। পূর্ব জার্মানির পোল্যান্ড সীমান্তবর্তী শহর কোশেনের একটি আবহাওয়া স্টেশনে দেশের সর্বোচ্চ ৪১.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। পাশাপাশি প্রতিবেশী দেশ চেক প্রজাতন্ত্রের ডোকসানি শহরে তাপমাত্রা ৪১.১ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছায় এবং পোল্যান্ডের স্লাবিস শহরেও সর্বকালের সব রেকর্ড ভেঙে তাপমাত্রা ৪০.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে গিয়ে ঠেকেছে। জলবায়ু পরিবর্তনের এমন ভয়াবহ ও নজিরবিহীন রূপ পুরো ইউরোপের জনজীবনকে সম্পূর্ণ বিপর্যস্ত করে তুলেছে।