News update
  • PM Orders Study on Restoring Universal Stipends for Girls     |     
  • President urges KSA to make hajj more convenient for Bangladeshi pilgrims     |     
  • Second Teesta Bridge: Costly shortcut that heavy vehicles cannot take     |     
  • March in Stockholm for stronger climate action ahead of polls     |     
  • Dhaka ranks 18th in global air quality ranking Monday morning     |     

বন্যায় নিহত বেড়ে ৫১, ক্ষতিগ্রস্ত ১০ লাখের বেশি মানুষ

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক বিপর্যয় 2026-07-13, 8:06am

img_20260713_080405-3bdde498a3556170a5c9e4034765fc531783908371.jpg




দেশে টানা ভারি বৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল ও পাহাড়ধসে দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সাত জেলায় বন্যা পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। এখন পর্যন্ত বন্যা ও বন্যা সংশ্লিষ্ট দুর্ঘটনায় ৫১ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং আহত হয়েছেন আরও ৩৯ জন। পানিবন্দি ও অতিবৃষ্টির কারণে দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ১০ লাখ ২২ হাজার ৯৬৩ জন মানুষ। 

রোববার (১২ জুলাই) দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে প্রকাশিত বন্যা পরিস্থিতির সর্বশেষ প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

দুপুর ২টা পর্যন্ত মন্ত্রণালয়ের প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, বন্যা আক্রান্ত ৭টি জেলার (চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি, বান্দরবান, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ) মোট ৫৯টি উপজেলা এবং ৩৮০টি এলাকা (৩৬৮টি ইউনিয়ন ও ১২টি পৌরসভা) বন্যায় প্লাবিত হয়েছে। 

মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশের উপদ্রুত এলাকায় বন্যা দুর্গতদের জন্য মোট ১ হাজার ৪৯টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে, যেখানে বর্তমানে ৩৮ হাজার৪২২ জন মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন।

লাশের মিছিল কক্সবাজারে, সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত চট্টগ্রাম

জেলাভিত্তিক হিসাব অনুযায়ী, বন্যায় সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে পর্যটন নগরী কক্সবাজারে। জেলাটিতে পাহাড়ধস ও পাহাড়ি ঢলে ২৮ জনের মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে ১৫ জন স্থানীয় বাসিন্দা এবং ১৩ জন রোহিঙ্গা নাগরিক। এছাড়া সেখানে ২৪ জন আহত এবং ১ জন নিখোঁজ রয়েছেন। অন্যান্য জেলার মধ্যে চট্টগ্রামে ১৩ জন, বান্দরবানে ছয় জন, রাঙামাটিতে তিন জন এবং মৌলভীবাজারে এক জনের মৃত্যু হয়েছে। 

এদিকে ক্ষয়ক্ষতির দিক থেকে সবচেয়ে বেশি বিপর্যস্ত চট্টগ্রাম জেলা। জেলার ১৬টি উপজেলায় প্রায় ৫ লাখ ৯৫ হাজার মানুষ বন্যার কবলে পড়েছেন এবং পানিবন্দি অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন এক লাখ ৪৭ হাজার ৫০০টি পরিবার। কক্সবাজারেও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা ১ লাখ ৫৮ হাজারের বেশি। 

ত্রাণ বরাদ্দ ও বিতরণের চিত্র

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, দুর্গত ৭টি জেলায় এ পর্যন্ত সর্বমোট তিন হাজার ২৫০ মেট্রিক টন চাল এবং এক কোটি ৭৫ লাখ টাকা নগদ অর্থ সাধারণ ও বিশেষ কোটায় বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে চট্টগ্রামে সর্বোচ্চ এক হাজার ২০০ মেট্রিক টন চাল ও ৬৫ লাখ টাকা নগদ অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে, যার মধ্যে ৭১০ মেট্রিক টন চাল ও ৬০ লাখ টাকা ইতোমধ্যে বিতরণ করা হয়েছে। 

কক্সবাজারে ৪৫০ মেট্রিক টন চালের বিপরীতে বিতরণ করা হয়েছে মাত্র ৩৩০ প্যাকেট শুকনো খাবার। অন্যদিকে, ৩০ লাখ ৯৫ হাজার টাকা বরাদ্দের মধ্যে ৯ লাখ ৮২ হাজার ৫০০ টাকা বিতরণ করা হয়েছে। খাগড়াছড়িতে ৪০০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দের বিপরীতে ৬৭.৬ মেট্রিক টন বিতরণ করা হয়েছে। রাঙামাটিতে ৫০০ মেট্রিক টন বরাদ্দের বিপরীতে ২৩৫ মেট্রিক টন এবং বান্দরবানে ৪০০ মেট্রিক টনের বিপরীতে ৬৮ মেট্রিক টন চাল বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়া মৌলভীবাজারে ৯০ মেট্রিক টন চাল ও হবিগঞ্জে ৭০ মেট্রিক টন চাল বিতরণ করা হয়েছে।