News update
  • Around 7,500 Bangladeshis imprisoned in Saudi Arabia: Shama Obaed     |     
  • Bangladesh Outperforms India in Global Hunger Index 2026     |     
  • Covered van hits Gazipur police patrol team, killing SI, BNP leader     |     
  • Korean City scrambles to rescue dusky shark after it returns to canal     |     
  • PM inspects Mongla Port, Sundarbans, proposed economic zone     |     

বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি, পানিবন্দি জনজীবন

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক বিপর্যয় 2023-07-14, 11:02pm

image-231611-1689349512-9dbb0b6dc8edf45145f3869e26adf3dd1689354150.jpg




উজানের ঢল এবং ভারি বৃষ্টিপাতে তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানি কেবল বেড়েই চলেছে। এতে দেশের বিভিন্ন জেলার লাখো পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

শুক্রবার (১৪ জুলাই) সকালে তিস্তা নদীর পানি ডালিয়া পয়েন্টে বিপৎসীমার ৪০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। ধরলা নদীর পানি কুড়িগ্রামের তালুক শিমুলবাড়ী পয়েন্টে বিপৎসীমার ২২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে এবং দুধকুমার নদীর পানি পাটেশ্বরী পয়েন্টে বিপৎসীমার ৪৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।

নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় তিস্তা ব্যারেজের ৪৪টি জলকপাট খুলে দেওয়া হয়েছে। এতে করে কুড়িগ্রাম, রংপুর, লালমনিরহাট ও নীলফামারী জেলার তিস্তা নদীর তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল, চর ও দ্বীপ চরে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। কৃষকের ফসল পানিতে তলিয়ে গেছে, রাস্তা-ঘাট ডুবে গেছে। গবাদি পশু নিয়ে বিপাকে পড়েছেন পানিবন্দি মানুষেরা।

কুরিগ্রামের সদর উপজেলার পাঁচগাছী ইউনিয়নের সিতাইঝাড় এলাকার আইয়ুব আলী বলেন, হঠাৎ করে পানি বাড়ার কারণে বাড়ি-ঘরে পানি ঢুকে পড়েছে। বাড়িতে থাকার মত পরিবেশ নাই। উঁচু স্থানে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি। ভাবতেও পারিনি একরাতেই এতো পানি বাড়বে।

কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাঈদুল আরিফ বলেন, চিলমারী, উলিপুর, সদর, নাগেশ্বরী, রাজারহাট ও ভুরুঙ্গামারীসহ বন্যায় যেসব এলাকা প্লাবিত হয়েছে এসব এলাকায় ত্রাণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আজ ৬শ পরিবারকে ত্রাণ সহায়তা দেওয়া হবে। আমাদের কাছে পর্যাপ্ত ত্রাণ সামগ্রী মজুত রয়েছে।

রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার চর ছালাপাকের কৃষক সুজা মিয়া বলেন, ‌‘নদীর পানি কয়েকদিন থেকে বাড়ছে আবার কমছে। রাতে পানি বাড়ায় ক্ষেতের ফসল পানিতে ডুবে গেছে।’ একই এলাকার কৃষক আলম বলেন, আবাদি জমি, গরু-ছাগল নদীর পানিতে ভেসে গেছে।

রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম বলেন, তিস্তা নদীর পানি কিছুটা কমতে শুরু করলেও ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। সকাল ৯টায় তিস্তা নদীর ডালিয়া পয়েন্টে বিপদসীমার ৩২ সেন্টিমিটার, দুধকুমার নদী পাটেশ্বরী পয়েন্টে বিপদসীমার ৫০ সেন্টিমিটার, ধরলা নদী কুড়িগ্রাম পয়েন্টে বিপদসীমার ৯ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। তিস্তা নদীর পানি মধ্যরাত নাগাদ আরও বাড়তে পারে।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আসফাউদ্দৌলা বলেন, তিস্তার পানি বিপৎসীমার ৪০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তাই দেশের সর্ববৃহৎ সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি গেট খুলে দেওয়া হয়েছে। দুই দিন তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে থাকতে পারে।