News update
  • WB ready to support Bangladesh amid external economic shocks: Khosru     |     
  • PM, World Bank President Discuss Bangladesh’s Development     |     
  • Bus Fares Rise by 17 Paisa Per Kilometre     |     
  • PM arrives in New York to attend 81st UNGA session     |     

চাঁদের মাটিতে ভূমিকম্প মুনকোয়েক রেকর্ড করল ভারতের চন্দ্রযান ৩

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক বিপর্যয় 2023-09-02, 11:20am

01000000-0aff-0242-9e70-08dbab2b2927_w408_r1_s-fd2a4ae78339cbb0b04f957571dffd111693632040.jpg




চাঁদে ভূমিকম্প। মহাকাশবিজ্ঞানীরা বলেন, চাঁদের মাটির ভূমিকম্প ‘মুনকোয়েক'। পৃথিবীর মতো ভূমিকম্প না হলেও চাঁদের মাটিতে কম্পন হয়। হাল্কা কম্পনের তরঙ্গ বোঝা যায় চন্দ্রপৃষ্ঠেও। সেই কম্পনই রেকর্ড করল ভারতের চন্দ্রযান ৩-এর রোভার প্রজ্ঞান। কতটা তরঙ্গ হলে চাঁদের মাটি কাঁপে সেই তথ্য জোগাড় করে পৃথিবীতে ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোকে পাঠিয়ে দিয়েছে সে।

চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে অবতরণের পর ল্যান্ডার বিক্রমের ভেতর থেকে চাঁদের মাটিতে নামার পরেই একের পর এক চমক দিচ্ছে প্রজ্ঞান। চাঁদে সালফারের খোঁজ পেয়েছে, হাইড্রোজেনের খোঁজ চালাচ্ছে। খনিজ মৌলের সন্ধান চালাচ্ছে। তার মধ্যেই ভূমিকম্পের কম্পনের মাত্রা রেকর্ড করেছে। ইসরো তার নতুন ভিডিওতে দেখিয়েছিল চাঁদের মাটিতে গোল হয়ে ঘুরছে প্রজ্ঞান। সেই ভিডিও মন জয় করেছে বিশ্ববাসীর। ইসরো জানাচ্ছে প্রজ্ঞান ঘুরে ঘুরে চাঁদের মাটির কম্পন পরীক্ষা করছিল।

চাঁদের মাটিতে ভূমিকম্প মুনকোয়েক রেকর্ড করল ভারতের চন্দ্রযান ৩-এর রোভার প্রজ্ঞান

চাঁদের মাটিতে ভূমিকম্প মুনকোয়েক রেকর্ড করল ভারতের চন্দ্রযান ৩-এর রোভার প্রজ্ঞান

ইলসা (ILSA) অর্থাৎ ইনস্ট্রুমেন্ট ফর লুনার সিসমিক অ্যাকটিভিটি পেলোড দিয়ে চাঁদের মাটির কম্পন পরীক্ষা করছে প্রজ্ঞান। এই পেলোডের কাজ গুরুত্বপূর্ণ। চাঁদের মাটিও ভূমিকম্পপ্রবণ। এই পেলোড পরীক্ষা করবে চাঁদের মাটিতে কীভাবে কম্পন হয়, কতক্ষণ ধরে তা চলে এবং অবশ্যই সেই কম্পনের মধ্যে পড়লে বিক্রম এবং প্রজ্ঞানের কোনও ক্ষতি হবে কিনা। মাইক্রো ইলেক্ট্রো মেকানিক্যাল সিস্টেম প্রযুক্তি ভিত্তিক যন্ত্রটি মাটির যে কোনও প্রকার কম্পন বুঝতে পারে। প্রজ্ঞান ও তার পেলোডগুলি ঘোরাফেরা করার সময় চাঁদের মাটিতে যে কম্পন হয়েছে তাও রেকর্ড করেছে ওই যন্ত্র। আর এসবের মাঝেই ধরা পড়েছে অন্যরকম এক তরঙ্গ। বিজ্ঞানীদের অনুমান, ওই কম্পন ভূমিকম্পেরই। খুবই অল্পমাত্রার তরঙ্গদৈর্ঘ্য যন্ত্রে ধরা পড়েছে।

ইলসার পাশাপাশি চ্যাস্ট পেলোডও কাজ করছে। এর কাজ হল চাঁদের মেরু অঞ্চলের তাপমাত্রার প্রকৃতি নির্ধারণ করা। মূলত চন্দ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা, তাপমাত্রার বদল, থার্মাল কন্ডাক্টিভিটি পরীক্ষা করাই এর কাজ। চাঁদের মাটিতে গর্ত করে তার মধ্যে যন্ত্র ঢুকিয়ে তাপমাত্রা মাপছে প্রজ্ঞান। তার রেডিও অ্যানাটমি অব মুন বাউন্ড হাইপারসেনসিটিভ আয়নোস্ফিয়ার অ্যান্ড অ্যাটমস্ফিয়ারও অ্যাকটিভ হয়েছে। এর কাজ হল চাঁদের মাটিতে প্লাজমার ঘনত্ব বোঝা এবং আয়নিত কণা বা ইলেকট্রিন পার্টিকল পরীক্ষা করা। কীভাবে চাঁদের মাটিতে আয়নিত কণাগুলির নিরন্তর বদল ঘটছে তা পরীক্ষা করছে এই পেলোড। তথ্য সূত্র আরটিভি নিউজ।