News update
  • No role to play in Hasina presser, Not endorse what was said: Delhi     |     
  • Saudi, Turkey, Pakistan sign ‘Mecca Joint Defense Agreement’     |     
  • Police on High Alert Over Possible Bomb Attack Threats     |     
  • India Distances Itself From Hasina's Press Conference     |     
  • Green transition: Pay the Least, Benefit the Most     |     

মূল ভূখণ্ডের বাইরে কোন দেশের কতটি অঞ্চল

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক বিবিধ 2026-01-23, 9:14pm

sfsrwerwer-2f7ee1c252969b1319bd2469a9bb71a11769181295.jpg




সুইজারল্যান্ডের দাভোসে গত বুধবার বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, চীন ও রাশিয়ার মতো প্রতিপক্ষের হাত থেকে নিজেদের রক্ষা করতে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিনল্যান্ডের মালিকানা প্রয়োজন। তবে তিনি ডেনমার্কের এই স্বায়ত্তশাসিত দ্বীপটির নিয়ন্ত্রণ নিতে বলপ্রয়োগ করবেন না। খবর আলজাজিরার।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশ মূল ভূখণ্ডের বাইরে কিছু অঞ্চলে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখে। সেসব অঞ্চলে দেশগুলোর নিজস্ব কৌশলগত ও সামরিক স্থাপনা রয়েছে। তবে ঐতিহাসিক, অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত কারণেও মূল ভূখণ্ডের বাইরের অঞ্চলগুলো ধরে রাখে দেশগুলো। এসব অঞ্চলের কয়েকটি অবশ্য ঔপনিবেশিক সাম্রাজ্যের অবশিষ্টাংশ। যদিও বিশ্বজুড়ে সাবেক উপনিবেশের আওতায় থাকা বহু অঞ্চল বিংশ শতাব্দীতে স্বাধীনতা অর্জন করে, কিন্তু তাদের অনেকেই অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, নিরাপত্তার জন্য সম্পর্ক বজায় রেখেছে। কারণ এই অঞ্চলগুলো সম্পূর্ণ স্বাধীন জাতি হিসেবে টিকে থাকার বিবেচনায় খুব ছোট।  

ব্রিটেন ও ফ্রান্সের মূল ভুখণ্ডের বাইরের (ওভারসিস) অঞ্চল থেকে শুরু করে ক্যারিবীয় ও প্রশান্ত মহাসাগরে যুক্তরাষ্ট্রের মালিকানাধীন অঞ্চল পর্যন্ত, এসব অঞ্চলে বিভিন্ন মাত্রার স্বায়ত্তশাসন রয়েছে।

যুক্তরাজ্য : ১৪টি অঞ্চল

আটলান্টিক, ক্যারিবীয়, প্রশান্ত মহাসাগর ও মেরু অঞ্চলজুড়ে যুক্তরাজ্যের ১৪টি ওভারসিস অঞ্চল রয়েছে। জনবসতিপূর্ণ অঞ্চলগুলোর মধ্যে রয়েছে অ্যাঙ্গুইলা, বারমুডা, ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ, কেম্যান দ্বীপপুঞ্জ, ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ, জিব্রাল্টার ও মন্টসেরাট। এ অঞ্চলগুলো স্বায়ত্তশাসিত, তবে প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্রবিষয়ক কার্যক্রম পরিচালনা করে যুক্তরাজ্য।

যুক্তরাজ্য পরিচালিত কম জনবসতির অঞ্চলগুলোর মধ্যে রয়েছে ব্রিটিশ অ্যান্টার্কটিক অঞ্চল, ব্রিটিশ ভারত মহাসাগর অঞ্চল, পিটকেয়ার্ন দ্বীপপুঞ্জ, দক্ষিণ জর্জিয়া দ্বীপ এবং দক্ষিণ স্যান্ডউইচ দ্বীপপুঞ্জ, পাশাপাশি সাইপ্রাসের আক্রোটিরি ও ঢেকেলিয়া ঘাঁটি। এগুলো মূলত সামরিক, বৈজ্ঞানিক ও পরিবেশগত উদ্দেশ্যে ব্যবহার করে যুক্তরাজ্য।

কয়েক দশকব্যাপী বিরোধের পর সম্প্রতি ব্রিটিশ ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের চাগোস দ্বীপপুঞ্জের সার্বভৌমত্ব মরিশাসের কাছে ফিরিয়ে দিয়েছে যুক্তরাজ্য। চলতি সপ্তাহে ট্রাম্প এই পদক্ষেপকে ‘মহা বোকামি’ উল্লেখ করে এর তীব্র সমালোচনা করেছেন।

যুক্তরাজ্যের অবশ্য তিনটি ‘ক্রাউন ডিপেন্ডেন্সি’ রয়েছে, যা ব্রিটিশ ওভারসিজ অঞ্চলের মতো নয়। এগুল কখনও উপনিবেশ ছিল না এবং যুক্তরাজ্যেরও অংশ ছিল না। তাদের নিজস্ব কর ব্যবস্থা ও আদালত রয়েছে। যুক্তরাজ্য কেবল তাদের প্রতিরক্ষা এবং বৈদেশিক বিষয়গুলো দেখভাল করে।

ক্রাউন ডিপেন্ডেন্সিগুলো হলো ব্রিটিশ রাজতন্ত্রের সম্পত্তি। এসব অঞ্চল যুক্তরাজ্য সরকারের নয়, রাজার প্রতি অনুগত। এর মধ্যে রয়েছে ফরাসি নরম্যান্ডি উপকূলের কাছে জার্সি ও গার্নসির স্বায়ত্তশাসিত চ্যানেল দ্বীপপুঞ্জ। যুক্তরাজ্য ও আয়ারল্যান্ডের মধ্যে আইরিশ সাগরে থাকা আইল অব ম্যানও একটি ক্রাউন ডিপেন্ডেন্সি।

যুক্তরাষ্ট্র : ১৪টি অঞ্চল

যুক্তরাষ্ট্রের পাঁচটি স্থায়ী জনবসতিপূর্ণ এবং নয়টি জনবসতিহীন অঞ্চল রয়েছে। পুয়ের্তো রিকো সবচেয়ে জনবহুল ও স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল। এই অঞ্চলগুলোতে স্থানীয় সরকার রয়েছে, তবে কেন্দ্রীয় পর্যায়ে তাদের প্রতিনিধিত্ব সীমিত।

যুক্তরাষ্ট্র বেশিরভাগ জনবসতিহীন দ্বীপপুঞ্জ সাধারণত একসঙ্গে ইউএস ভার্জিন আইল্যান্ড নামে পরিচিত। ক্যারিবীয় ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় এই অঞ্চলগুলো সামরিক বা কৌশলগত উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয়। এগুলো হলো—বেকার আইল্যান্ড, হাওয়ার্ড আইল্যান্ড, জার্ভিস আইল্যান্ড, জনস্টন অ্যাটল, কিংম্যান রিফ, মিডওয়ে অ্যাটল, নাভাসা আইল্যান্ড, পালমিরা অ্যাটল ও ওয়েক আইল্যান্ড।

ফ্রান্স : ১৩টি অঞ্চল

আটলান্টিক, ক্যারিবীয়, ভারত মহাসাগর, প্রশান্ত মহাসাগর ও দক্ষিণ আমেরিকাজুড়ে ফ্রান্সের মূল ভূখণ্ডের বাইরে ১৩টি অঞ্চল রয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটি প্রশাসনিক অঞ্চল হিসেবে ফ্রান্সের সঙ্গে সম্পূর্ণরূপে একীভূত। পাঁচটি অঞ্চল—ফ্রেঞ্চ গায়ানা, গুয়াদেলুপ, মার্টিনিক, মায়োট ও রিইউনিয়ন ফ্রান্সের সঙ্গে সম্পূর্ণরূপে একীভূত। ফরাসি পার্লামেন্টে এসব অঞ্চলের প্রতিনিধি রয়েছে এবং ইউরোকে তারা মুদ্রা হিসেবে ব্যবহার করে।

ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া, নিউ ক্যালেডোনিয়া, সেন্ট পিয়েরে ও মিকেলন, ওয়ালিস ও ফুটুনা, সেন্ট মার্টিন ও সেন্ট বার্থেলেমি, ক্লিপারটন আইল্যান্ড পরিচালনা করে ফ্রান্স। এসব অঞ্চলে বিভিন্ন মাত্রার স্বায়ত্তশাসন রয়েছে।

ফ্রান্স ফ্রেঞ্চ সাউথ ও অ্যান্টার্কটিক ল্যান্ড দাবি করে। এগুলো জনবসতিহীন, মূলত বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও পরিবেশ সুরক্ষার জন্য ব্যবহৃত হয়। তবে মরিশাস, মাদাগাস্কার ও কোমোরোসের মতো কিছু দেশের এই দ্বীপপুঞ্জে ফ্রান্সের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ রয়েছে।

অস্ট্রেলিয়া : ৭টি অঞ্চল

অস্ট্রেলিয়ার সাতটি ওভারসিস অঞ্চল রয়েছে, যার মধ্যে তিনটিতে জনবসতি রয়েছে—নরফোক দ্বীপ, ক্রিসমাস দ্বীপ ও কোকোস (কিলিং) দ্বীপপুঞ্জ। এই দ্বীপগুলোর বাসিন্দারা অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক এবং এগুলোতে বিভিন্ন স্তরের শাসনব্যবস্থা রয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ার নিয়ন্ত্রণাধীন চারটি অঞ্চল প্রধানত জনবসতিহীন। এগুলো হলো হার্ড আইল্যান্ড এবং ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপপুঞ্জ, অ্যাশমোর ও কার্টিয়ার দ্বীপপুঞ্জ, কোরাল সাগর দ্বীপপুঞ্জ ও অস্ট্রেলিয়ার অ্যান্টার্কটিক অঞ্চল। এগুলো মূলত বৈজ্ঞানিক গবেষণা, আবহাওয়া পর্যবেক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়।

নেদারল্যান্ডস : ৬টি অঞ্চল

ক্যারিবীয় অঞ্চলে নেদারল্যান্ডসের ছয়টি অঞ্চল রয়েছে। এর মধ্যে তিনটি—আরুবা, কুরাকাও ও সিন্ট মার্টেনের নিজস্ব সরকার, পার্লামেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী রয়েছে। এগুলো ‘সংবিধানিক’ দেশ হিসেবে পরিচিত। ১৯৮৬ সালে আরুবা এবং ২০১০ সালে কুরাকাও ও সিন্ট মার্টেন এই মর্যাদা লাভ করে।

অন্য তিনটি অঞ্চল—বোনেয়ার, সিন্ট ইউস্টাটিয়াস ও সাবা সরাসরি নেদাল্যান্ডস শাসিত। এই অঞ্চলগুলোতে স্থানীয় সরকার রয়েছে এবং তারা মুদ্রা হিসেবে মার্কিন ডলার ব্যবহার করে।

নরওয়ে : ৫টি অঞ্চল

নরওয়ের আর্কটিক ও অ্যান্টার্কটিকে পাঁচটি অঞ্চল রয়েছে। দেশটির প্রথম আর্কটিক অঞ্চল হলো সোয়ালবার্ড। এ অঞ্চল ১৯২০ সালের সোয়ালবার্ড চুক্তির অধীনে বিশেষ আইনি মর্যাদা পেয়েছে। এতে আন্তর্জাতিক বসতি স্থাপনের অনুমতি দেওয়া হয়, তবে সামরিক কার্যকলাপ সীমিত। দ্বিতীয় অঞ্চলটি হলো জান মায়েন। এ দ্বীপটি জনবসতিহীন এবং এতে আগ্নেয়গিরি রয়েছে। এটি আবহাওয়া গবেষণা, পর্যবেক্ষণ ও প্রতিরক্ষার জন্য ব্যবহৃত হয়।

নরওয়ে অ্যান্টার্কটিকার তিনটি জনবসতিহীন অঞ্চল দাবি করে। এসগুলো হলো বুভেট আইল্যান্ড, পিটার আই আইল্যান্ড ও কুইন মড ল্যান্ড। বুভেট দ্বীপ ও পিটার আই দ্বীপের বেশিরভাগ অংশই বরফে আচ্ছাদিত। কুইন মড ল্যান্ডের উপকূলে খুব সীমিত বরফ-বিহীন ভূমি রয়েছে। এটি অ্যান্টার্কটিকার বৃহত্তম সামুদ্রিক পাখির আবাসস্থল।

নিউজিল্যান্ড : ৪টি অঞ্চল

নিউজিল্যান্ডের দুটি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল রয়েছে। একটি হলো দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরের কুক দ্বীপপুঞ্জ, যা নিউজিল্যান্ড ও হাওয়াইয়ের মধ্যে অবস্থিত। অপরটি হলো নিউ, যা নিউজিল্যান্ডের উত্তর-পূর্বে ও টোঙ্গার পূর্বে অবস্থিত। উভয় অঞ্চলই স্বায়ত্তশাসিত এবং নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে জোটবদ্ধ।

কুক দ্বীপপুঞ্জ বা নিউয়ের মতো অঞ্চল দুটি তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়গুলো দেখাভাল করে, তবে প্রতিরক্ষা ও বৈদেশিক নীতির জন্য নিউজিল্যান্ডের ওপর নির্ভরশীল।

এ ছাড়া টোকেলাউ ১৯২৫ সালে নিউজিল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণে আসে এবং এটি স্বায়িত্তশাসিত অঞ্চল নয়। বেশ কয়েকটি দেশের মতো নিউজিল্যান্ডও অ্যান্টার্কটিকার কিছু অংশ দাবি করে। ১৯৫৯ সালের অ্যান্টার্কটিক চুক্তি হয়, যা শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে ও বৈজ্ঞানিক গবেষণার জন্য অ্যান্টার্কটিকাকে সংরক্ষণ এবং সব আঞ্চলিক দাবিগুলোকে স্থগিত করে।

ডেনমার্ক : ২টি অঞ্চল

ডেনমার্কের দুটি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল রয়েছে—গ্রিনল্যান্ড ও ফ্যারো দ্বীপপুঞ্জ। গ্রিনল্যান্ড এখন ট্রান্স-আটলান্টিক বিরোধের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প উত্তর আমেরিকায় অবস্থিত সম্পদে সমৃদ্ধ দ্বীপটি অধিগ্রহণের জন্য জোর দিচ্ছেন। দ্বীপটির নিজস্ব পার্লামেন্ট ও নেতা রয়েছে। ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ড বারবার বলেছে, দ্বীপটি বিক্রির জন্য নয়।

ফ্যারো দ্বীপপুঞ্জ উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে আইসল্যান্ড, নরওয়ে ও স্কটল্যান্ডের মধ্যে অবস্থিত। ২০০৫ সাল থেকে এখানে ফ্যারোদের একটি স্বায়ত্তশাসন রয়েছে।

চীন : ২টি অঞ্চল

চীনের মূল ভূখণ্ডের বাইরে দুটি অঞ্চল রয়েছে, যা যুক্তরাজ্য বা ফ্রান্সের মতো নয়। চীনের দুটি বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চল রয়েছে—হংকং ও ম্যাকাও। এগুলো সাধারণত রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও আইনি ব্যবস্থার দিক থেকে স্বায়ত্তশাসিত, ‘এক দেশ, দুই ব্যবস্থা’ নীতির অধীনে পরিচালিত।  

দক্ষিণ চীন সাগরের তীরে অবস্থিত হংকং ব্রিটিশ উপনিবেশ ছিল। তবে এ অঞ্চলতি ১৯৯৭ সালে চীনের কাছে ফিরে। এর জনসংখ্যা প্রায় ৭৫ লাখ এবং এটি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক অঞ্চল। হংকংয়ের বিচার বিভাগের মতে, এর আইনি ব্যবস্থা চীন থেকে আলাদা।

ম্যাকাও পর্তুগিজ উপনিবেশ ছিল, যা ১৯৯৯ সালে চীনকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। এ অঞ্চলের জনসংখ্যা প্রায় ৬ লাখ ৮০ হাজার। এটি তার আর্থিক পরিষেবা শিল্পের পাশাপাশি ক্যাসিনোর জন্যও বিখ্যাত।

তবে তাইওয়ানকে চীন একটি প্রদেশ হিসেবে বিবেচনা করে। স্বায়ত্বশাসিত তাইওয়ানের নিজস্ব সরকার, অর্থনীতি ও আইনি ব্যবস্থা রয়েছে। 

পর্তুগাল : ২টি অঞ্চল

পর্তুগালের দুটি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল রয়েছে—আজোরেস ও মাদেইরা। উভয় অঞ্চলই আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত। আজোরস হলো উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে ৯টি আগ্নেয়গিরির দ্বীপের একটি দ্বীপপুঞ্জ, যা পর্তুগালের মূল ভূখণ্ড থেকে প্রায় ১ হাজার ৪০০ থেকে ১ হাজার ৬০০ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত। ১৪৩৯ সালে পর্তুগাল এই দ্বীপপুঞ্জের মালিকানা দাবি করেছিল। তবে বর্তমানে তাদের নিজস্ব আঞ্চলিক সরকার রয়েছে। স্বায়ত্তশাসিত এই অঞ্চলে ২ লাখ ৪৫ হাজার মানুষ বাস করে।

অপরদিকে মাদেইরা পর্তুগালের মূল ভূখণ্ড থেকে প্রায় ১ হাজার কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত। এ অঞ্চলের জনসংখ্যা প্রায় ২ লাখ ৬০ হাজার। ১৪১৯ সালের জুলাইয়ে ঝড়ের কারণে পথভ্রষ্ট দুই নাবিক মাদেইরা আবিষ্কার করেন। কার্নেশন বিপ্লবের পর ১৯৭৬ সালে মাদেইরা স্বায়ত্তশাসন লাভ করে।