News update
  • Tarique Rahman Formally Named BNP Chairman     |     
  • 136 new drugs in 195 essential drugs list, pricing guidelines     |     
  • BSF halts overnight road building near border as BGB intervenes     |     
  • U.S. Pullout From Global Bodies Sparks Widespread Alarm     |     

ড. ইউনূসের সঙ্গে যুক্তরাজ্যে গিয়ে যেসব বৈঠকে অংশ নিয়েছেন গভর্নর

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক ব্যাঙ্কিং 2025-06-14, 8:33am

img_20250614_083053-d5809ea57fb418b4d1b1626a3f17bf901749868398.jpg




অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সফরসঙ্গী হিসেবে গত ১০ জুন যুক্তরাজ্য সফরে গেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর। শুক্রবার (১৩ জুন) শেষ হয়েছে এ সফর। এই চারদিনে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে অংশ নিয়েছেন গভর্নর। সেইসঙ্গে নীতিগত কিছু ইস্যুতে আলাদা বৈঠকও করেছেন।

জানা গেছে, ১১ জুন তিনি দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেনের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল ক্রাইমস এজেন্সি (এনসিএ) পরিদর্শন করেন এবং ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্টি-করাপশন কো-অর্ডিনেশন সেন্টারের (আইএসিসিসি) প্রধান ড্যানিয়েল মারফিসহ অন্যান্য সিনিয়র কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

এ সময় বাংলাদেশের অ্যাসেট রিকভারি টাস্কফোর্সের সঙ্গে আইএসিসিসি-এর চলমান সহযোগিতা এবং ১১টি যৌথ তদন্ত দলের (জেআইটিএস) কার্যক্রমে প্রযুক্তিগত সহায়তার জন্য কৃতজ্ঞতা জানান বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নর। সেইসঙ্গে যুক্তরাজ্যে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদের ১৭০ মিলিয়ন পাউন্ড মূল্যের সম্পদ জব্দ এবং বেক্সিমকো গ্রুপের সায়ান এফ রহমান ও শাহরিয়ার রহমানের ৯০ মিলিয়ন পাউন্ড মূল্যের সম্পদ জব্দের ঘটনায় এনসিএ-এর ভূমিকাকেও স্বাগত জানান তিনি।

ড. আহসান এইচ মনসুর আশাবাদ ব্যক্ত করেন, ভবিষ্যতে যুক্তরাজ্যের এনসিএ ও আইএসিসিএ-এর সঙ্গে আরও গভীর সহযোগিতার সম্পর্ক গড়ে উঠবে এবং ২৫০ মিলিয়ন পাউন্ড মূল্যের মোট সম্পদ জব্দের এই সিদ্ধান্ত অন্যান্য অর্থপাচার গন্তব্য দেশগুলোকেও অনুরূপ পদক্ষেপ নিতে উৎসাহিত করবে।

এরপর গভর্নর আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন আইন প্রতিষ্ঠান ডিএলএ পারাপার আয়োজিত অ্যাসেট রিকভারি বিষয়ক এক গোল টেবিলে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন। বৈঠকে ওমনি ব্রিজওয়ে, বেঞ্চ ওয়াক ক্যাপিটাল এর মতো বড় লিটিগেশন ফান্ডার এবং আলভারেজ অ্যান্ড মার্শাল ও ইউনিটাছ ও ইউনিটাস গ্লোবাল-এর মতো তদন্ত ও কৌশলগত পরামর্শ প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করে।

২০২৫ সালের মধ্যে ৩০টি মামলার জন্য ১০০ মিলিয়ন পাউন্ড লিটিগেশন ফান্ড সংগ্রহের গভর্নরের রোডম্যাপ নিয়ে আলোচনা করেন তারা। অংশগ্রহণকারীরা বাংলাদেশের ব্যাংকগুলোর অপরিশোধিত ঋণের (এনপিএলএস) তথ্য ভাগ করে নেওয়ার লক্ষ্যে দ্রুত এনডিএ স্বাক্ষরের ওপর গুরুত্ব দেন যেন সম্পদের সন্ধান ও মামলা প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হয়।

ড. আহসান এইচ মনসুর বিভিন্ন দেশের—বিশেষ করে যুক্তরাজ্য ও সিঙ্গাপুরের—বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণে একটি বিশেষ উদ্দেশ্য সংস্থা (এসপিভি) গঠনের প্রস্তাবকে সমর্থন করেন, যা রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রভাবমুক্ত থেকে অ্যাসেট রিকভারি প্রক্রিয়াকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেবে।

এছাড়া গভর্নর বিশ্বের বৃহত্তম অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠান ব্ল্যাকরকের-এর সঙ্গে বৈঠক করেন এবং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি তুলে ধরেন। তিনি বাংলাদেশের ব্যাংকিং ও পুঁজিবাজারে তাদের বিনিয়োগ বাড়ানোর অনুরোধ জানান।

এছাড়া, তিনি লর্ড মেয়র অব লন্ডন ও শীর্ষস্থানীয় ফিনটেক কোম্পানিগুলোর সঙ্গে বৈঠক করেন এবং বাংলাদেশের আর্থিক খাতে লন্ডনের নগরী থেকে বেশি বিনিয়োগ ও সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা করেন। এ সময় লর্ড মেয়রকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান তিনি।

লন্ডনে বেশ কয়েকটি মানি এক্সচেঞ্জ হাউজের সঙ্গেও বৈঠক করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর। এ সময় রেমিট্যান্স প্রক্রিয়া আরও সহজ ও গতিশীল করতে করণীয় বিষয়ে মতবিনিময় করেন তিনি, যেন রেমিট্যান্স প্রবৃদ্ধির ইতিবাচক ধারা অব্যাহত থাকে। আরটিভি