News update
  • Tarique, Erdogan discuss expanding Bangladesh-Türkiye trade ties     |     
  • PM, UN refugee chief discuss sustainable solution to Rohingya crisis     |     
  • WB ready to support Bangladesh amid external economic shocks: Khosru     |     
  • PM, World Bank President Discuss Bangladesh’s Development     |     
  • Bus Fares Rise by 17 Paisa Per Kilometre     |     

জাতিসংঘে গ্রিনল্যান্ড ও ডেনমার্কের সঙ্গে নিরাপত্তা চুক্তি স্বাক্ষর ট্রাম্পের

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক মিডিয়া 2026-09-23, 8:02am

grinlyaandd-1-51b3aaa0720bbf610df92cc1458d55151790128959.jpg




জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশন চলাকালে ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের নেতাদের সঙ্গে এক বিশেষ নিরাপত্তা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) নিউ ইয়র্কে আয়োজিত চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে ট্রাম্প বলেন, এটি একটি দীর্ঘমেয়াদী ও চমৎকার সম্পর্ক হতে যাচ্ছে।

এর আগে ট্রাম্প প্রকাশ্যে জানান, এই চুক্তির ফলে সুমেরু (আর্কটিক) অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত ডেনমার্কের স্বায়ত্তশাসিত দ্বীপ গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তার ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ‘স্থায়ী নিয়ন্ত্রণ’ প্রতিষ্ঠিত হবে।

উল্লেখ্য, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই অঞ্চলটির প্রতি দীর্ঘদিন ধরেই ট্রাম্পের বিশেষ আগ্রহ রয়েছে।

চুক্তি স্বাক্ষরের আগে ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন ট্রাম্পের বক্তব্য সমর্থন করে বলেন, মি. প্রেসিডেন্ট, সুমেরু (আর্কটিক) অঞ্চলে শত্রুপক্ষ যাতে ভিড়তে না পারে- আপনি সে বিষয়টি পরিষ্কার করেছেন। আমি আপনার সঙ্গে একমত। এই চুক্তির ফলে প্রতিপক্ষ কোনো শক্তি আর সেখানে প্রভাব বা নিয়ন্ত্রণ তৈরি করতে পারবে না।

একই অনুষ্ঠানে গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেন্স-ফ্রেডেরিক নিলসেন বলেন, উত্তর আমেরিকা ও ট্রান্স-আটলান্টিক অঞ্চলের সার্বিক নিরাপত্তার জন্য গ্রিনল্যান্ড অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চুক্তিটি তাদের নিজ নিজ দায়িত্বশীলতারই প্রকাশ বলে উল্লেখ করেন তিনি।

২০২৫ সালের শুরুতে পুনরায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই আর্কটিক অঞ্চলে ভূ-রাজনৈতিক প্রাধান্য বজায় রাখতে গ্রিনল্যান্ডের ওপর মার্কিন নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার জোরালো দাবি তুলে আসছিলেন ট্রাম্প। মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই একগুঁয়ে মনোভাব ও গ্রিনল্যান্ডে মার্কিন প্রভাব বৃদ্ধির পদক্ষেপ ন্যাটো মিত্র ডেনমার্কসহ পশ্চিমা মিত্র দেশগুলোর মধ্যে তীব্র উদ্বেগ ও বিরোধিতার জন্ম দেয়।