News update
  • Rohingya Crisis: Global Community Urges Long-Term Strategy     |     
  • PM Orders Study on Restoring Universal Stipends for Girls     |     
  • President urges KSA to make hajj more convenient for Bangladeshi pilgrims     |     
  • Second Teesta Bridge: Costly shortcut that heavy vehicles cannot take     |     
  • March in Stockholm for stronger climate action ahead of polls     |     

জিয়া, খালেদা ও তারেক ঢাকার বিত্তবান ও সাধারণের কাছে সমান ভাবে জনপ্রিয়

রাজনীতি 2026-01-22, 12:06am

img-20260121-wa0301-a020f03d672a0d56fa6eeeaed828f94e1769018761.jpg

BNP chairman Tarique Rahman, waving at the audience at a doa mobile for Khaleda Zia on Tuesday.



বনানী ও কোরাইলে খালেদা জিয়ার জন্য মঙ্গলবার আয়োজিত দুইটি দোয়া মহফিলে স্থানীয়দের দেয়া বক্তব্যে প্রতীয়মান হয়, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও তিনবার নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী মরহুমা খালেদা জিয়া বিত্তবান ও সাধারণ সকল শ্রেণীর মানুষের মনে স্থায়ী আসন অধিকার করে আছেন।

সাথে সাথে তারা তাদের সন্তান, বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে তারা ভালবাসেন এবং আশা করেন তিনি তার পিতা মাতার অসমাপ্ত কাজ সম্পন্ন করে বাংলাদেশের উন্নয়ন, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব নিশ্চিত করবেন।

এই দুই দোয়া মহফিলে কোরাইল মাঠে বস্তির লক্ষাধিক বাসিন্দা এবং বনানীর ক্লাব মাঠে গুলশান, বনানী, বারিধারা ও নিকেতনের কয়েক হাজার মানুষ অংশ নেন। 

উভয় মহফিলে জনতা তারেক রহমানকে স্বতঃস্ফূর্ত করতালির মাধ্যমে অভিবাদন জানান এবং পিন পতন নিরবতার সাথে তার বক্তব্য শোনেন। বিশেষকরে বনানী ক্লাব মাঠে তার উন্নয়ন পরিকল্পনার উপর গভীর রাতে দেয়া প্রায় দেড় ঘণ্টার ভাষণ করতালির মাধ্যমে সমর্থন জানান যা সবাইকেই অভিভূত করে। 

উক্ত দুইটি অনুষ্ঠানে তারেক রহমান বস্তিবাসিদের জন্য ফলাট নির্মান, মহিলাদের স্বাবলম্বী ও শিশু-কিশোরদের জন্য স্কুল ও খেলার মাঠ নির্মাণ, সবার কাছে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছানোর পরিকল্পনার এবং পানিদূষণ, ট্রাফিক জ্যাম, বেকারত্ব সমস্যার সমাধান, ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন, ৫ বছরের ২৫ কোটি গাছ লাগানোর, শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন ও শিল্পে বিনিয়োগ উৎসাহিত করার অভিপ্রায়ের কথা জানান।

কোরাইল মাঠের মহফিলে এলাকাবাসীর পক্ষে বক্তব্য রাখার সময় আব্দুল মালেক ও আখি আকতার শহীদ জিয়া, খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের প্রতি তাদের হৃদয় নিংড়ানো ভালবাসার কথা জানান।

বনানী ক্লাব মাঠে আয়োজিত মহফিলে গুলশান সোসাইটি, বারিধারা সোসাইটি, বনানী সোসাইটি ও নিকেতন সোসাইটির; এবং গুলশান লেডিজ ক্লাব ও বনানী ক্লাবের নেতৃবৃন্দ শহীদ জিয়া ও খালেদার, দেশপ্রেম ও দেশগড়ার যে দৃষ্টান্ত রেখে গেছেন তার ভূয়সি প্রশংসা করেন।

বনানী ক্লাবের সভাপতি রুবেল আজিজ বলেন বেগম খালেদা জিয়া দীর্ঘ সংগ্রামের পর ১৯৯১ সালে দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন। একইভাবে তারেক রহমান অনেক বছর পর গণতন্ত্র পূন: প্রবর্তন জন্য দেশে ফিরে এসেছেন।

নিকেতন সোসাইটির সভাপতি ড: মো আবুল বাশার বলেন বাংলাদেশের বাইরে আমার কোন ঠিকানা নেই, এর চেয়ে বড় দেশপ্রেমিক বক্তব্য আর হতে পারেনা। তিনি বলেন তারেক জিয়ার একটা প্ল্যান ও পরিপককতা আছে তার মায়ের কাছ থেকে শিক্ষা নিয়ে দেশকে গড়ে তোলার।

বারিধারা সোসাইটির সভাপতি এটিএম মতিন বলেন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে আমরা অভিভাবকহীন হয়ে পড়েছি। তার রূহের মাগফিরাতের জন্য সকল ধর্মের মানুষ তাদের উপাসনালয়ে প্রার্থনা করেন। তারেক রহমান নতুন অভিভাবক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন। আমরা আশা করি তিনি নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলবেন যেখানে সবাই তাদের অধিকার ভোগ করবেন।

খালেদা জিয়ার বাসার নিকটতম গুলশান সোসাইটি জামে মসজিদের খতিব মুফতি মুরতজা ফয়েজি বলেন, খালেদা জিয়া কখনো অসুস্থ হলে, বা বিরূপ অবস্থায় পড়লে জুমার নামাজের দিন নাম উল্লেখ নাকরে তার জন্য দোয়া করতে বলতেন। এটা প্রমাণ করে ধর্মের প্রতি তার বিশ্বাস ও আস্থা কত গভীর ছিল।