News update
  • Solar irrigation brings savings, extra income to Jhenaidah farmers     |     
  • ADB Approves $100m Loan for Affordable Housing in Bangladesh     |     
  • No Respite From Poisonous Air: Radical Cure Urgent     |     
  • Minimising The Energy Shocks In Bangladesh     |     

ইরানের জন্য ‘খুব খারাপ সময়’ অপেক্ষা করছে, হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক সংঘাত 2026-05-17, 7:29am

324374e614514c92e6a7654696c6a924720f2c74f7dea42d-a5d12ec60d5d7a8263c91f9f059d617d1778981399.jpg




শান্তিচুক্তিতে দ্রুত অগ্রগতি না হলে তেহরানের জন্য খুব খারাপ সময় অপেক্ষা করছে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প।

ফরাসি সংবাদমাধ্যম বিএফএমটিভিকে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, তেহরানের জন্য এখন সমঝোতায় পৌঁছানোই সবচেয়ে ভালো পথ। যদিও সাম্প্রতিক চীন সফরে ইরান ইস্যুতে বড় কোনো অগ্রগতির ইঙ্গিত দিতে পারেননি তিনি।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে তাদেরও (ইরানের) স্বার্থ রয়েছে।

এদিকে নয়াদিল্লিতে ব্রিকস বৈঠক শেষে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, তেহরান এখনও আলোচনার জন্য প্রস্তুত। তবে পরস্পরবিরোধী বার্তা ও অতীত হামলার কারণে ওয়াশিংটনের ওপর আস্থা রাখতে পারছে না ইরান। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, হরমুজ প্রণালিতে নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে যুদ্ধ শেষে নতুন ব্যবস্থাপনা কাঠামো আনার পরিকল্পনা করছে তেহরান।

অন্যদিকে নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানে নতুন করে হামলা চালানোর প্রস্তুতি জোরদার করেছে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র। গত মাসের যুদ্ধবিরতির পর এটিই সবচেয়ে বড় সামরিক প্রস্তুতি বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যের দুজন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী সপ্তাহের শুরুতেই নতুন অভিযান চালানোর মতো প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে।

মার্কিন কর্মকর্তারা বলেছেন, সম্ভাব্য অভিযানে ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে থাকা ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম উদ্ধারে বিশেষ কমান্ডো বাহিনী মোতায়েনের বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে।

কর্মকর্তাদের মতে, যদিও এ ধরনের অভিযান অত্যন্ত জটিল ও ঝুঁকিপূর্ণ। কারণ অভিযানের এলাকায় একটি নিরাপত্তা বলয় তৈরি করতে হাজার হাজার সেনা মোতায়েন করতে হবে এবং ইরানের সামরিক বাহিনীর সঙ্গে সরাসরি সংঘাতে জড়াতে হবে।

চলমান পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালি ঘিরে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও। যুক্তরাষ্ট্র বলছে, ইরানি বন্দর অবরোধের মধ্যে অন্তত ৭৮টি বাণিজ্যিক জাহাজকে পথ পরিবর্তন করতে হয়েছে। অন্যদিকে, প্রণালি ব্যবহারে ফি আরোপ ও নিজস্ব তদারকির ইঙ্গিত দিয়েছে ইরান। এতে তেল সরবরাহ, জাহাজ চলাচল এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য নিয়ে বাড়ছে অনিশ্চয়তা।

এমন পরিস্থিতিতে কূটনৈতিক তৎপরতাও বেড়েছে। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও আমিরাতের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বিন জায়েদ ফোনালাপে রাজনৈতিক সমাধানের ওপর জোর দিয়েছেন। একই সময়ে পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার তেহরান সফর করে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও সংলাপের বিষয়ে আলোচনা করেছেন। ইসলামাবাদ এখনও যুদ্ধ বন্ধে মধ্যস্থতার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

তবে যুদ্ধের প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়ছে অর্থনীতিতে। যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানি ও মূল্যস্ফীতি বাড়তে শুরু করেছে, আর ইরানে নিত্যপণ্যের দাম বেড়েছে কয়েকগুণ। এমন পরিস্থিতিতে যুদ্ধবিরতি টিকিয়ে রাখা ও নতুন সমঝোতায় পৌঁছানো এখন মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে বড় কূটনৈতিক চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে।