News update
  • People positive on Padma Barrage, experts urge caution over fallout     |     
  • Parties convey their expectations at Bonn climate talks     |     
  • ECNEC Approves 8 Projects Worth Tk 2,266 Crore     |     
  • No Plan to Drop Bangla, History from Honours: Milon     |     
  • Global turmoil shadows Bonn climate talks     |     

মার্কিন-ইসরায়েলি হামলা থামানো উপসাগরীয় দেশগুলোর ‘নৈতিক দায়িত্ব’ : ইরান

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক সংঘাত 2026-06-10, 1:29pm

afp_20260609_b6g489e_v3_highres_topshotlebanonisraeliranuswar-8317de92428c8e7aba93d6b2965973571781076587.jpg




যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যেকোনো সম্ভাব্য হামলা প্রতিরোধে পারস্য উপসাগরীয় প্রতিবেশী দেশগুলোর ‘আইনি ও নৈতিক দায়িত্ব‘ রয়েছে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। আজ বুধবার (১০  জুন) ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এই আনুষ্ঠানিক বিবৃতি জারি করা হয়। খবর এএফপির।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, পারস্য উপসাগরের দক্ষিণ উপকূলে অবস্থিত দেশগুলোসহ এই অঞ্চলের সকল রাষ্ট্রের আইনি ও নৈতিক দায়িত্ব রয়েছে। তারা যেন মার্কিন সামরিক বাহিনী ও ইসরায়েলকে তাদের ভূখণ্ড, সামরিক ঘাঁটি বা কোনো ধরনের লজিস্টিক সুবিধা ব্যবহার করতে না দেয়। ইরানকে লক্ষ্য করে কোনো শত্রুতামূলক পদক্ষেপের পরিকল্পনা, সংগঠন, পরিচালনা বা সমর্থনে আঞ্চলিক কোনো দেশের মাটি ব্যবহার করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হবে না।

গত সোমবার (৮ জুন) রাতে হরমুজ প্রণালির কাছে আমেরিকার একটি অত্যাধুনিক ‘অ্যাপাচি’ সামরিক হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হওয়ার পর মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই ঘটনার জন্য সরাসরি ইরানকে দায়ী করেছে। এর মাত্র কয়েক ঘণ্টার মাথায় আজ বুধবার ভোরে দক্ষিণ ইরানে বিমান হামলা চালায় মার্কিন সামরিক বাহিনী।

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড এই আক্রমণকে ইরানের অযাচিত আগ্রাসনের বিরুদ্ধে আত্মরক্ষামূলক ও আনুপাতিক জবাব হিসেবে অভিহিত করেছে। পেন্টাগন জানিয়েছে, তাদের হামলায় হরমুজ প্রণালির কাছে অবস্থিত ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, স্থল নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র ও নজরদারি রাডার স্টেশনগুলো সফলভাবে ধ্বংস করা হয়েছে।

আমেরিকার এই হামলাকে জাতিসংঘের সনদের ২(৪) অনুচ্ছেদের চরম লঙ্ঘন ও দেশের সার্বভৌমত্বের ওপর নগ্ন হস্তক্ষেপ বলে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তেহরান নিশ্চিত করেছে, মার্কিন আগ্রাসনের জবাবে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীও আত্মরক্ষার সহজাত অধিকার প্রয়োগ করে ওই অঞ্চলে থাকা মার্কিন ঘাঁটি ও সামরিক সরঞ্জাম লক্ষ্য করে পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে।

একই সঙ্গে ইরান স্পষ্ট করে জানিয়েছে, নিজেদের নিরাপত্তা ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় তারা বিন্দুমাত্র দ্বিধা করবে না। যেখান থেকে ইরানের ওপর হামলা চালানো হবে, সেই উৎপত্তিস্থল ও লজিস্টিক সুবিধাদানকারী ঘাঁটিগুলোকে সরাসরি লক্ষ্যবস্তু করা হবে।