News update
  • BSEC approves liquidation of Vanguard AML BD Finance Mutual Fund One     |     
  • 200 economists for urgent action to tackle AI's impact on jobs, economy     |     
  • PM Launches National Startup Platform for Entrepreneurs     |     
  • HSC Examinees Block Roads, Demand Exam Suspension     |     
  • France, Spain set for blockbuster World Cup semifinal      |     

মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সংঘাতের মধ্যেই রোমে বৈঠকে লেবানন-ইসরায়েল

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক সংঘাত 2026-07-14, 7:46pm

israil-lebanon-7edce9c11a3b14d31edf4bb07e35a97d1784036810.jpg




ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে নতুন করে আঞ্চলিক উত্তেজনা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় আজ মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) ইতালির রাজধানী রোমে নতুন দফার আলোচনা করছে লেবানন ও ইসরায়েল।

দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধাবস্থায় থাকা দুই দেশ ওয়াশিংটনে পাঁচ দফা আলোচনার পর গত ২৬ জুন একটি কাঠামোগত চুক্তিতে পৌঁছায়।

চুক্তির লক্ষ্য ছিল ইসরায়েল ও ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহর মধ্যে যুদ্ধের অবসান ও শান্তির পথ তৈরি করা।

বৈরুত থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

তবে হিজবুল্লাহ এ চুক্তি প্রত্যাখ্যান করেছে। চুক্তিতে সংগঠনটির নিরস্ত্রীকরণের কথা বলা হয়েছে। এর বাস্তবায়ন শুরু হওয়ার কথা দক্ষিণ লেবাননের দুটি ‘পাইলট অঞ্চল’ থেকে ইসরায়েলি বাহিনীর প্রত্যাহারের মাধ্যমে।

লেবাননের প্রেসিডেন্টের কার্যালয় সোমবার জানায়, রোমে যাওয়া তাদের প্রতিনিধি দলকে আর কোনো আলোচনা শুরুর আগেই দুটি পাইলট অঞ্চল থেকে ইসরাইলি বাহিনীর অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়েছে ।

আলোচনার বিষয়বস্তু সম্পর্কে অবগত এক লেবাননি কূটনৈতিক সূত্র জানায়, ইসরায়েলি বাহিনী যেসব এলাকা থেকে ধাপে ধাপে সরে যাবে, সেখানে পর্যায়ক্রমে নিয়ন্ত্রণ নিতে লেবাননের সেনাবাহিনী প্রস্তুত।

তেল আবিবভিত্তিক ইনস্টিটিউট ফর ন্যাশনাল সিকিউরিটি স্টাডিজের (আইএনএসএস) বিশ্লেষক অরনা মিজরাহি এএফপিকে বলেন, ইসরায়েল ধাপে ধাপে সেনা প্রত্যাহারে প্রস্তুত। তবে তার শর্ত হলো, যেসব এলাকা থেকে ইসরায়েল সরে যাবে, সেখানে হিজবুল্লাহর কোনো উপস্থিতি থাকতে পারবে না।

অরনা মিজরাহি বলেন, ইসরায়েল আরও নিশ্চিত হতে চায় যে লেবাননের সেনাবাহিনীর এমন সক্ষমতা থাকবে, যাতে ওই এলাকাগুলোকে নিরপেক্ষ অঞ্চল হিসেবে রাখা যায় এবং হিজবুল্লাহ সেখানে আবার ফিরে আসতে না পারে।

শনিবার যুক্তরাষ্ট্রের একটি সামরিক প্রতিনিধিদল বৈরুতে লেবাননের সেনাবাহিনীর সঙ্গে ওই দুটি পাইলট অঞ্চলের একটিতে ইসরাইলি বাহিনীর প্রত্যাহার প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা শুরু করেছে।

তবে প্যারিসের সায়েন্সেস পো-র শিক্ষক করিম বিতার এএফপিকে বলেন, রোমের বৈঠকে বড় ধরণের অগ্রগতির সম্ভাবনা খুবই সীমিত। তিনি বলেন, বরং এটা দেখানোর একটি সুযোগ হতে পারে যে প্রক্রিয়াটি এখনও চলছে। বিরোধিতা ও নতুন নতুন বাধা সত্ত্বেও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।

১৭ জুন ওয়াশিংটনের সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক চূড়ান্ত করতে তেহরান লেবাননে যুদ্ধবিরতির দাবি জানিয়েছিল।

তবে সাম্প্রতিক দিনগুলোতে আবারও উত্তেজনা বেড়েছে। যুক্তরাষ্ট্র টানা তৃতীয় রাতের মতো ইরানে হামলা চালিয়েছে। একই সঙ্গে মঙ্গলবার ইরানের বন্দরগুলোর ওপর নৌ অবরোধ পুনর্বহালেরও পরিকল্পনা রয়েছে।

মিজরাহি বলেন, ইরান আঞ্চলিক যুদ্ধ নিয়ে আলোচনার সঙ্গে লেবাননের বিষয়টিকে যুক্ত করতে চায়। কিন্তু আমরা এই দুই বিষয়কে আলাদা রাখতে চাই। তিনি বলেন, বর্তমানে তেহরানের প্রধান অগ্রাধিকার হরমুজ প্রণালী ও পারমাণবিক ইস্যু। তার ভাষায়, লেবাননকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করছে ইরান। তারা সব সময়ই এটিকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করবে।

২ মার্চ ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ইরানের সমর্থনে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে হিজবুল্লাহ লেবাননকে এই আঞ্চলিক যুদ্ধে জড়িয়ে ফেলে।

করিম বিতার বলেন, আঞ্চলিক উত্তেজনার কারণে, লেবাননে আবার বড় ধরণের যুদ্ধ শুরু হওয়ার ঝুঁকি অবশ্যই উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

তবে তিনি বলেন, আমার মনে হয়, ইরান এখন হিজবুল্লাহকে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে নতুন করে হামলা চালাতে বলার আগে দুবার ভাববে। তার মতে, তেহরান দীর্ঘমেয়াদি প্রতিরোধের একটি উপায় হিসেবে হিজবুল্লাহকে ধরে রাখতে চায়। তাই এখনই নতুন একটি যুদ্ধফ্রন্ট খুলতে সংগঠনটিকে ব্যবহার করতে চায় না।