News update
  • HSC Results 2026 Published, Pass Rate Stands at 52.12%     |     
  • Nations Agree to Revive Efforts to Meet 2030 Nature Goals     |     
  • Dhaka Among World’s 15 Most Polluted Cities on Saturday     |     
  • Over 12.70 lakh candidates await HSC, equivalent exam results     |     
  • AI changing the way we think. Will we notice in time     |     

রোজা রাখার শারীরিক ও মানসিক উপকারিতা

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক স্বাস্থ্য 2026-02-21, 11:05am

1b57ef7551966090c0845e54d3ce491f7553f5a3ad588efa-1a6ff2d18bf1ec3499b599b89e552c8d1771650339.jpg




রোজা ইসলামের তৃতীয় স্তম্ভ। প্রতিবছর আরবি রমজান মাসে ধর্মপ্রাণ মুসলমানগণ মহান সৃষ্টিকর্তার অনুগ্রহ লাভের জন্য ধর্মীয় ইবাদত হিসেবে রোজা পালন করে থাকেন।

রোজা শুধু ধর্মীয় বিধিবিধানের অংশ নয়; বরং এটি বিজ্ঞান ও স্বাস্থ্যনীতিরও একটি বড় অংশ জুড়ে রয়েছে। এর রয়েছে শারীরিক ও মানসিক উপকারিতাও।

রোজা রাখার শারীরিক উপকারিতা

রোজার শারীরিক উপকারিতা অনেক। রোজা থাকলে দিনের বেশিরভাগ সময় না খেয়ে থাকতে হয়। এতে আমাদের শরীরে অতিরিক্ত ফ্যাট ও চর্বি কমে যায়। সেই সঙ্গে শরীরে জমে থাকা ক্ষতিকারক টক্সিন কিডনির মাধ্যমে শরীর থেকে বের হওয়ার সুযোগ পায়।

শরীরকে বিষমুক্ত করার একটি কার্যকরী উপায় হলো রোজা। যারা ওজন কমাতে চাচ্ছেন, তারা সহজেই রমজান মাসের এ সময়টা কাজে লাগাতে পারেন। কারণ, রোজা রাখার পাশাপাশি ইফতার ও সেহরিতে পুষ্টিকর খাবারের প্রাধান্য দিলে খুব সহজেই এই সময়ে আপনি আপনার ওজন কমিয়ে ফেলতে পারবেন।

রমজানে নিয়মিত রোজা রাখার ফলে স্বাস্থ্যসম্পর্কিত বিভিন্ন সমস্যা যেমন: উচ্চ কোলেস্টেরল, হৃদ্‌রোগ ও স্থূলতা প্রতিরোধ করা সম্ভব।

রোজায় পেট খালি থাকার কারণে খাবার হজমের অ্যাসিড এই সময় ধীরগতিতে নিঃসরিত হয়, যা হজম শক্তিজনিত নানা সমস্যা দূর করতে সহায়তা করে।

উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রোজার কোনো বিকল্প নেই। কারণ দীর্ঘসময় না খেয়ে থাকার ফলে শরীরে কোলেস্টেরল ও গ্লুকোজের পরিমাণ কমে যায়।

অতিরিক্ত খাবার খাওয়ার বদভ্যাস যাদের আছে, তারা নিয়মিত রোজা রাখার কারণে এই বদভ্যাস থেকে বেরিয়ে আসতে পারেন। তাছাড়া যেকোনো নেশাদ্রব্য থেকে মুক্তি পেতে রোজা রাখার অভ্যাস কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।

রোজা রাখার মানসিক উপকারিতা

রোজার শারীরিক উপকারিতার সঙ্গে রয়েছে মানসিক উপকারিতাও। রোজা যেহেতু ধর্মীয় একটি ইবাদত তাই নিয়মিত রোজা রাখার ফলে মানসিক প্রশান্তি অনুভব করা যায়। এ সময় স্ট্রেস হরমোনের নিঃসরণ কমে যায়, যা ব্রেনের কর্মক্ষমতাকে অনেকটাই বাড়িয়ে তোলে।

এ ছাড়া দীর্ঘ এক মাস রোজা রাখার অভ্যাস সঠিক পথে চলার শক্তি জোগায়। দীর্ঘসময় নিজেকে সংযত রাখার কারণে সহজেই পাপ কাজ থেকে বিরত থাকা যায়।

নিয়মিত রোজা পালন ও ধর্মপথে থাকায় মানুষ নিজের আত্মপর্যালোচনা এবং চিন্তা-চেতনাকে উন্নত করার সুযোগ পায়।

রোজার গুরুত্ব অনুধাবন করে ডা. আইজাক জেনিংস বলেছেন, যারা আলস্য ও গোঁড়ামির কারণে এবং অতিভোজনের কারণে নিজেদের সংরক্ষিত জীবনীশক্তিকে ভারাক্রান্ত করে ধীরে ধীরে আত্মহত্যার দিকে এগিয়ে যায়, রোজা তাদের এ বিপদ থেকে রক্ষা করে।

রোজা রাখার ফলে শরীর নানা ধরনের চাপ নিতে সক্ষমতা অর্জন করে। ফলে রোজাদার ব্যক্তি সাধারণত কখনো খিঁচুনি এবং মানসিক অস্থিরতার মুখোমুখি হন না।

কোরআন ও হাদিসে রোজার গুরুত্বের বিবরণ বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। বৈজ্ঞানিক দৃষ্টির সঙ্গে চিকিৎসা ক্ষেত্রেও রোজার গুরুত্ব অপরিসীম। তাই মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে ও ইতিবাচকভাবে জীবনদর্শনের জন্য রমজান মাসে রোজা রাখার গুরুত্ব অস্বীকার করার উপায় নেই।সূত্র: আলজাজিরা