News update
  • India’s young return to streets as anger against EC and Modi grows     |     
  • Dhaka’s air quality 4th worst in the world this morning     |     
  • Delhi on High Alert Ahead of CJP Protest With 20,000 Personnel     |     
  • 7.7-Magnitude Earthquake Strikes Panama, Damages Buildings     |     
  • Global food prices rise amid weather strain, trade disruptions     |     

ভোলায় বজ্রপাতে দুই মহিষের মৃত্যু, ক্ষতিপূরণ ও কেল্লা নির্মাণের দাবি

Disasters 2026-10-10, 1:03pm

img-20261009-wa0065-901e05995baaa72f1c1f750aa98a3d3b1791615814.jpg

Buffaloes killed in lightning strike in Bhola.



২০০ বছরের ঐতিহ্য রক্ষায় মহিষের বীমা চালুর আহ্বান বাংলাদেশ কৃষক ঐক্য ফাউন্ডেশনের

ভোলা প্রতিনিধি: ভোলার দৌলতখান উপজেলার চর মদন এলাকায় ৯ অক্টোবর ২০২৬, শুক্রবার সকাল ১১টার দিকে বজ্রপাতে হাজী আবদুল মান্নানের দুটি মহিষ মারা গেছে। এতে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন ওই খামারি। ভোলার বিস্তীর্ণ চরাঞ্চলে মহিষ পালনের সঙ্গে জড়িত খামারিরা দীর্ঘদিন ধরে মহিষ ও রাখালদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপের দাবি জানিয়ে আসছেন।

খামারিদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ভোলার প্রায় ৮৫টি চরে মহিষ পালন করা হয়। কিন্তু পরিকল্পিতভাবে মহিষ পালনের উপযুক্ত অবকাঠামো, নিরাপদ আশ্রয় ও পর্যাপ্ত সুরক্ষাব্যবস্থা না থাকায় ঝড়, জলোচ্ছ্বাস ও বজ্রপাতের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগে প্রতিবছর মহিষ মারা যায় বা হারিয়ে যায়। পাশাপাশি চুরির কারণেও ক্ষতির শিকার হন খামারিরা।

ভোলার প্রায় ২০০ বছরের ঐতিহ্যবাহী ‘ভোলার মহিষের দুধের কাঁচা দই’ জিআই স্বীকৃত একটি পণ্য। এই ঐতিহ্যবাহী দই উৎপাদনের সঙ্গে স্থানীয় মহিষের খামারিরা প্রত্যক্ষভাবে জড়িত। অথচ মহিষ পালন ও এই ঐতিহ্যকে টিকিয়ে রাখতে খামারিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি।

খামারিদের অভিযোগ, চরাঞ্চলে মহিষ ও রাখালদের নিরাপত্তার জন্য কেল্লা নির্মাণ, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত খামারিদের ক্ষতিপূরণ এবং মহিষের বীমাব্যবস্থা চালুর দাবি দীর্ঘদিন ধরে জানানো হলেও কার্যকর উদ্যোগ দৃশ্যমান নয়।

এ অবস্থায় বাংলাদেশ কৃষক ঐক্য ফাউন্ডেশন বজ্রপাতে মারা যাওয়া মহিষ দুটির মালিক হাজী আবদুল মান্নানকে যথাযথ ক্ষতিপূরণ দেওয়ার জোর দাবি জানাচ্ছে।

একই সঙ্গে সংগঠনটি ভোলার চরাঞ্চলে জরুরি ভিত্তিতে মহিষ ও রাখালদের নিরাপত্তায় কেল্লা নির্মাণ, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত খামারিদের জন্য ক্ষতিপূরণ তহবিল গঠন এবং মহিষের বীমা চালুর দাবি জানিয়েছে।

সংগঠনটির মতে, মহিষ পালন শুধু খামারিদের জীবিকার মাধ্যম নয়; এটি ভোলার ঐতিহ্য, গ্রামীণ অর্থনীতি ও সম্ভাবনাময় কৃষিভিত্তিক শিল্পের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই ঐতিহ্য রক্ষা এবং খামারিদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

খামারির পরিচয়

হাজী আবদুল মান্নান

আহ্বায়ক

বাংলাদেশ কৃষক ঐক্য ফাউন্ডেশন

সদর উপজেলা শাখা, ভোলা।

বাংলাদেশ কৃষক ঐক্য ফাউন্ডেশনের দাবি:

১. বজ্রপাতে মারা যাওয়া দুটি মহিষের মালিককে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।

২. ভোলার চরাঞ্চলে জরুরি ভিত্তিতে মহিষ ও রাখালদের নিরাপত্তায় কেল্লা নির্মাণ করতে হবে।

৩. ঝড়, জলোচ্ছ্বাস ও বজ্রপাতে ক্ষতিগ্রস্ত খামারিদের ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করতে হবে।

৪. মহিষের জন্য কার্যকর বীমাব্যবস্থা চালু করতে হবে।

৫. ভোলার ঐতিহ্যবাহী মহিষ পালন ও জিআই স্বীকৃত দই উৎপাদন রক্ষায় দীর্ঘমেয়াদি সরকারি পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে।