News update
  • Cabinet Approves Secretariat Relocation to Sher-e-Bangla Nagar     |     
  • Nearly Half of Bangladesh’s Families Are in Debt: BBS     |     
  • Bangladesh Seeks Details on Execution of Two Nationals     |     
  • Former Bangladesh Air Force Chief Arrested in Qatar     |     

অভিবাসীর স্রোতে বিপর্যস্ত ফ্রান্স জ্বলছে : ট্রাম্প

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক Nation 2026-10-18, 10:30pm

afp_20260309_a2lb64d_v1_highres_usiranwarpoliticstrump-6cf6bf99020faf0a7cd6d26348af844c1792341076.jpg




ফ্রান্সে ছড়িয়ে পড়া সাম্প্রতিক সহিংস বিক্ষোভ ও বিশৃঙ্খলার জন্য দেশটির অভিবাসন নীতিকে সরাসরি দায়ী করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি দেশটির সীমান্ত কঠোরভাবে বন্ধ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জোর তাগিদ দিয়েছেন।

স্থানীয় সময় (১৮ অক্টোবর) নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যালে’ দেওয়া এক বার্তায় ট্রাম্প এ মন্তব্য করেন। খবর এএফপির। 

পোস্টে ট্রাম্প লিখেছেন, ‘ফ্রান্স জ্বলছে! সম্পূর্ণ ভিন্ন এক জগত থেকে আসা মানুষের অভিবাসন এবং তাদের হৃদয়ে পুষে রাখা ঘৃণা এককালের এই মহান দেশটিকে ধ্বংস করে দিয়েছে। পরিস্থিতি পুরোপুরি হাতের বাইরে চলে যাওয়ার আগেই আপনাদের সীমান্ত বন্ধ করুন এবং দেশের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিন!’

উল্লেখ্য, ফ্রান্সে ছড়িয়ে পড়া গণবিক্ষোভে চরম সহিংসতা দেখা দিয়েছে। শনিবার বিক্ষোভের সময় দেশটির ঐতিহাসিক সিটি হল ভবন আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়। অন্তত ১ হাজার ৮০০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির আইন প্রয়োগকারী সংস্থা। দেশটির প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর মেয়াদ শেষের ছয় মাস আগে এমন ঘটনা সরকারের ওপর প্রচণ্ড রাজনৈতিক চাপ তৈরি করেছে।

এর আগে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স সামাজিকমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) একই ধরনের মন্তব্য করেছিলেন। ভ্যান্স লেখেন, পাশ্চাত্যের উদারপন্থিরা বৈচিত্র্য ও মানবিকতার দোহাই দিয়ে ফ্রান্সসহ অন্যান্য দেশে তৃতীয় বিশ্বকে আমদানি করেছে। তারা সাংস্কৃতিক আত্মীকরণ ও সামঞ্জস্যের মৌলিক প্রশ্নগুলোকে পুরোপুরি উপেক্ষা করেছিল। তাদের আগেই সতর্ক করা হয়েছিল যে পরিণতি এমনই হবে, কিন্তু তারা কান দেয়নি।

ভ্যান্স আরও যোগ করেন, আমি প্রার্থনা করি ফ্রান্সের মতো একটি সুন্দর দেশ তার দর্শনীয় স্থানগুলো আগুনে ধ্বংস হয়ে যাওয়ার আগেই এই উন্মাদনা বন্ধ করবে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, ২০২৮ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে বিবেচিত ভ্যান্স এবং ট্রাম্পের এই ধরনের মন্তব্য মূলত আগামী ৩ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া মার্কিন কংগ্রেসের মধ্যবর্তী নির্বাচনকে সামনে রেখেই দেওয়া হচ্ছে, যেখানে অভিবাসন ইস্যুকে মূল রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে রিপাবলিকান পার্টি।