News update
  • AI Moves Closer To Decoding Human Thoughts     |     
  • UNESCO Calls Iran School Strike Grave Violation     |     
  • Oil Jumps, Asian Stocks Slide On Gulf Tensions     |     
  • Death toll from central Israel strike rises to 5     |     
  • DSE sinks 138 points on broad sell-off; CSE also tumbles     |     

ধর্ষিতার ‘টু ফিঙ্গার’ পরীক্ষা নিষিদ্ধের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক আদালত 2023-08-31, 9:01am

download-fd456406745d816a45cae554c788e7541693450959.jpeg




ধর্ষিতার মেডিকেল পরীক্ষায় দুই আঙুলের মাধ্যমে পরীক্ষার (টু ফিঙ্গার টেস্ট) পদ্ধতি নিষিদ্ধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ হয়েছে।

বুধবার (৩০ আগস্ট) রিটকারী সংগঠন বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (ব্লাস্ট) এর পক্ষ থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

রায় প্রদানকারী বিচারপতি গোবিন্দ চন্দ্র ঠাকুর ও বিচারপতি এ কে এম সাহিদুল হকের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চের সইয়ের পর রায়টি প্রকাশিত হয়েছে।

রিট আবেদনকারীর পক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার সারা হোসেন। তাকে সহায়তা করেন অ্যাডভোকেট মাসুদা রেহানা রোজী, অ্যাডভোকেট আইনুন্নাহার সিদ্দিকা এবং ব্যারিস্টার শারমিন আক্তার। অপরদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ এস এম নাজমুল হক।

এর আগে, ২০১৮ সালের ১২ এপ্রিল ধর্ষণের শিকার নারীর ‘টু ফিঙ্গার টেস্ট’ পরীক্ষা পদ্ধতি নিষিদ্ধ ঘোষণা করে রায় দেন হাইকোর্ট। রায়ে আটটি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সেগুলো হলো-

১. রাষ্ট্রের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ হেলথ রেসপনস টু জেন্ডার বেজড ভায়োলেন্স-প্রটোকল টু হেলথ কেয়ার প্রোভাইডারে প্রটোকলটি সব ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ, ফিজিশিয়ান- যারা ধর্ষণের শিকার নারীর ডাক্তারি (মেডিকো-লিগ্যাল) পরীক্ষা করেন পুলিশ কর্মকর্তা- যারা ধর্ষণের মামলার তদন্ত করেন এবং নারী ও শিশু নির্যাতন আইনের মামলার সরকারি প্রসিকিউটর এবং আইনজীবীদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করবে।

২. ধর্ষণের শিকার নারীর ক্ষেত্রে দুই আঙুলের পরীক্ষা অবৈজ্ঞানিক, অনির্ভরযোগ্য এবং অবৈধ। এর প্রেক্ষিতে দুই আঙুলের পরীক্ষা নিষিদ্ধ।

৩. ডাক্তাররা ধর্ষণের শিকার নারীর ডাক্তারি (মেডিকো-লিগ্যাল) পরীক্ষার সনদে ধর্ষণের বিষয়ে মতামত দেবেন, কিন্তু কোনোভাবেই অমর্যাদাকর শব্দ, যেমন- ‘অভ্যাসগতভাবে যৌন সম্পর্কে লিপ্ত’ ব্যবহার করতে পারবেন না। ধর্ষণের শিকার নারীকে তার অতীতের যৌন সম্পর্ক সম্পর্কে কোনো জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবেন না।

৪. কোনো শিশু বা কিশোরী মেয়ের ক্ষেত্রে পার স্পেকুলাম এক্সামিনেশন পরীক্ষা করা যাবে না, যদি না কোনো বাহ্যিক আঘাতের চিহ্ন থাকে।

৫. ধর্ষণের শিকার নারীর যৌনাঙ্গে কোনো গভীর ক্ষত পরীক্ষার জন্য গাইনি বিশেষজ্ঞের কাছে পাঠাতে হবে।

৬. বায়ো ম্যানুয়াল পরীক্ষার সঙ্গে দুই আঙুলের পরীক্ষার কোনো সম্পর্ক নেই। এটি একটি গাইনি পরীক্ষা এবং ধর্ষণের শিকার নারীর ক্ষেত্রে এ পরীক্ষা করা যাবে না।

৭. নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল বিষয়টি নিশ্চিত করবে যে, আদালতে ধর্ষণের শিকার নারীকে জিজ্ঞাসাবাদে তার মর্যাদা ক্ষুণ্ন করে এমন কোনো প্রশ্ন আইনজীবী করবেন না।

৮. ধর্ষণের শিকার নারীর ডাক্তারি (মেডিকো-লিগ্যাল) পরীক্ষার জন্য প্রশিক্ষিত ডাক্তার ও সেবিকাদের নিয়োগ করতে হবে। এ পরীক্ষার সময়ে সুবিধা অনুযায়ী- নারী পুলিশ, একজন নারী আত্মীয়ের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে এবং সুবিধা অনুযায়ী একজন নারী ডাক্তার দিয়ে পরীক্ষা করতে হবে। কর্তব্যরত ডাক্তার এবং ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা এ পরীক্ষার ক্ষেত্রে ধর্ষণের শিকার নারীর ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষা করবেন। তথ্য সূত্র আরটিভি নিউজ।