News update
  • Dhaka Tops Global Pollution List with Hazardous Air     |     
  • Country Observes Martyred Army Day Today     |     
  • 100 CSOs rally against Trump’s trade tactics, urge access to drugs     |     
  • BNP believes in multiparty democracy, not revenge: Moyeen Khan     |     
  • Bangladesh reaffirms commitment to revitalise SAARC process     |     

এশিয়া কাপ ও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিততে চান কোহলি

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক খবর 2022-05-20, 10:28pm




ভারতের হয়ে এ বছর এশিয়া কাপ ও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিততে চান দেশটির সাবেক অধিনায়ক বিরাট কোহলি। স্টার স্পোটর্সের সাথে এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন কোহলি।

নিজের খারাপ ফর্ম নিয়েও কথা বলেছেন কোহলি। তারপরও ক্রিকেট চালিয়ে যাবার অনুপ্রেরণা পাচ্ছেন তিনি। কোহলি জানান, মাঠের ক্রিকেট নিয়ে নিজেকে মূল্যায়ন করছি না। আমার লক্ষ্য ক্রিকেট খেলে যাওয়া এবং এ বছর ভারতের হয়ে বড় দু’টি টুর্নামেন্ট জয় করা।

২০১৯ সালের নভেম্বর থেকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সেঞ্চুরি নেই কোহলির। ক্রিকেটপ্রেমিদের প্রত্যাশা ছিলো, আইপিএলের পঞ্চদশ আসরে জ¦লে উঠবে কোহলির ব্যাট। কিন্তু সেটি আর হয়নি। প্রথম ১৩ ম্যাচে ১টি হাফ-সেঞ্চুরিতে ২৩৬ রান করেছিলেন কোহলি।

অবশেষে গতরাতে ব্যাট হাতে পুরনো কোহলিকে দেখা যায়। এবারের আইপিএলে নিজের ১৪তম ম্যাচে গুজরাট টাইটান্সের বিপক্ষে ৫৪ বলে ৮টি চার ও ২টি ছক্কায় ৭৩ রানের ম্যাচ জয়ী ইনিংস খেলেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুর কোহলি।

কোহলির অফ-ফর্মে, তাকে বিশ্রামের পরামর্শ দিয়েছেন অনেকেই। তবে খেলাটা উপভোগ করছেন বলে জানান কোহলি।

তিনি বলেন, ‘অনেকে নয়, যারা এই কথা বলেছেন (বিরতি নিয়ে) তাদের মধ্যে একজন ব্যক্তি আছেন, রবি ভাই(সাবেক কাচ রবি শাস্ত্রি), এমনটা বলেছেন। কারণ গত ছয়-সাত বছর আমি যে পরিস্থিতির মধ্যে ছিলাম, সেটির বাস্তবতা খুব কাছ থেকে দেখেছেন তিনি।’  

গেল ১০-১১ বছর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটসহ টানা আইপিএল খেলেছেন কোহলি। সব ফরম্যাটে খেলতে বাড়তি ক্ষমতা লাগে বলে জানান তিনি, ‘আমি যে পরিমাণ ক্রিকেট খেলেছি ও উত্থান-পতন দেখেছি এবং ১০-১১ বছর বিরতিহীন আইপিএলও খেলেছি। সব ফরম্যাট খেলতে বাড়তি ক্ষমতা লাগে। এর মধ্যে সাত বছরের অধিনায়কত্বও ছিল।’

তিনি আরও বলে, ‘এটি অবশ্যই একটি বিষয় যা একজনকে বিবেচনা করতে হবে। ১০০ শতাংশ দিতে না পারলে, খেলাটাও ঠিক নয়। আর এটাই সব সময় আমার জীবনে বিশ্বাস করে এসেছি। তাই বিরতি কখন নিতে হবে, সেটা বুঝতে হবে। তবে কিছুটা সময় নেয়া এবং মানসিক ও শারীরিক ভাবে নিজেকে পুনরুজ্জীবিত করা উচিত। তবে এটি শুধুমাত্র একটি স্বাস্থ্যকর সিদ্ধান্ত। শারীরিকভাবে এত বেশি চাপও হয় না, কারণ ক্রিকেট খেলার মাধ্যমে শারীরিক সুস্থতা সব সময় বজায় রাখা সম্ভব। তবে এটি মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি করতে সাহায্য করে।

অফ-ফর্মের এই সময় থেকে অনেক কিছু শিখছেন বলে জানান কোহলি। তবে যেভাবে জীবন কাটাচ্ছেন, তা নিয়ে বেশ খুশি তিনি।
কোহলি বলেন, ‘এটাও বুঝতে পারছি, কিছু ব্যাপার নিয়ন্ত্রণের বাইরে। আমি যেটা নিয়ন্ত্রণ করতে পারি ও যা নিয়ে কাজ করতে পারি, সেটি হলো মাঠে ও ব্যক্তিগত জীবনে কঠোর পরিশ্রম করা। সেই দৃষ্টিকোণ থেকে আমি অনুভব করছি, এখন জীবনের সবচেয়ে বেশি ভারসাম্যপূর্ণ জায়গায় আছি। আমি এখন যেমন আছি এবং যেভাবে আমার জীবন কাটাচ্ছি, তা নিয়ে বেশ খুশি।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি মাঠে যা করছি, তার বিচারে নিজেকে মূল্যায়ন করছি না। সেই পর্যায় পার করে এসেছি। এখন আমার ক্যারিয়ারের বিবর্তনের সময়। বলছি না আমার মধ্যে তাড়না নেই, এটা কখনও কমবে না। তাড়নাটা যখন থাকবে না, তখন আমি আর খেলব না।’
দলের জন্য কিছু করতে না পারলেই, সবচেয়ে বেশি হতাশায় ভুগেন কোহলি। নিজের পারফরমেন্স নিয়ে মোটেও চিন্তিত নন তিনি।
কোহলি বলেন, ‘আমি একজন ব্যক্তি হিসেবে নিজেকে আরও বেশি মূল্য দিতে শুরু করেছি। মাঠে যা ঘটছে তা নিয়ে আনন্দ বা হতাশার কোন উৎস খুঁজে পাচ্ছি না আমি। কারণ এটা শুধু নিজেকে নিয়ে নয়, দলের জন্য আমি যতটা চেয়েছিলাম ততটা অবদান রাখতে পারিনি। এটি এমন একটি ব্যাপার, যা জন্য প্রস্তুতি নেয়া হয়। তবে দলের জন্য কিছু না করতে পারাটা  সবসময় হতাশার, নিজের পারফরমেন্সের জন্য নয়। কারণ আমি আমার দলকে নিরাশ করতে চাই না।’
আইপিএলের পর ভবিষ্যত পরিকল্পনা সম্পর্কে কোহলিকে প্রশ্ন করা হয়। প্রশ্নের উত্তরে কোহলি জানান, এ বছর দু’টি বড় টুর্নামেন্ট জিততে ভারতকে সাহায্য করা।
তিনি বলেন, ‘আমি ভারতকে এশিয়া কাপ এবং টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জেততে চাই, এটাই এখন অনুপ্রেরা।’
কোহলি আরও বলেন, ‘ভারসাম্য বজায় রেখে এগিয়ে যেতে হবে, বিশ্রাম নিতে হবে, পুনরুজ্জীবিত করতে হবে, একবার মানসিকভাবে চাঙ্গা হলে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হবে না আমাকে এবং এটি দারুণ মজার। আমার মূল লক্ষ্য হল ভারতকে এশিয়া কাপ এবং বিশ্বকাপ জেতাতে সাহায্য করা এবং এ কারণে দলের জন্য আমি যে কোন কিছু করতে প্রস্তুত।’ তথ্য সূত্র বাসস।