News update
  • Saint Martin’s Island to Reopen for Tourists on Nov 1     |     
  • France Arrests More Than 1,300 After Nationwide Protests     |     
  • Dhaka ranks world's third most polluted city this morning     |     
  • Soldiers Guard Milan as Thousands Protest Across Europe     |     
  • Cheese Industry Thrives In Thakurgaon Villages      |     

পহেলা বৈশাখের আগেই চালু হচ্ছে ‘কৃষক কার্ড’ 

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক খবর 2026-03-04, 6:53pm

trertrewr-3f55d1c09e30c7223d2570060aa7f4371772628805.jpg




কৃষকদের জন্য বহুল আলোচিত ‘কৃষক কার্ড’ কার্যক্রম পাইলট প্রকল্প হিসেবে আগামী পহেলা বৈশাখের মধ্যেই চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। 

বুধবার (৪ মার্চ) সচিবালয়ে কৃষক কার্ড চালু নিয়ে গঠিত কমিটির সভা শেষে বেরিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান কৃষি, খাদ্য এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী আমিন উর রশীদ। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।   

কৃষিমন্ত্রী বলেন, আগামী পহেলা বৈশাখের মধ্যে শুরু করার চিন্তা করছি এবং আশা করি পারবো। প্রাথমিকভাবে এটি পাইলট প্রকল্প হিসেবে চালু হবে। প্রথম পর্যায়ে ৯টা উপজেলায় মধ্যে যাবে। ৯টা উপজেলার ৯টা ইউনিয়নের কার্যক্রম শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রতিটি নির্বাচিত উপজেলার নির্দিষ্ট ইউনিয়নে পরীক্ষামূলকভাবে এই কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে।

আমিন-উর রশীদ বলেন, প্রান্তিক ও একেবারে ক্ষুদ্র কৃষকদের অগ্রাধিকার দিয়ে এ কার্যক্রম শুরু হবে। কৃষক কার্ডের মাধ্যমে কৃষকদের জন্য বিভিন্ন সুবিধা নিশ্চিত করা হবে। শুরুতে প্রান্তিক কৃষকদের কিছু বিশেষ সুবিধা দেওয়া হবে; যা অনেকটা ফ্যামিলি কার্ডের আদলে পরিচালিত হবে।

তিনি বলেন, কৃষক কার্ডের মূল উদ্দেশ্য হলো উৎপাদন, ভোক্তা, কৃষিজমি, কৃষিপণ্য ও বিভিন্ন জাতের তথ্যকে একটি নিয়মতান্ত্রিক ব্যবস্থার আওতায় আনা। এর ফলে কৃষকরা সহজে সরকারি সহায়তা পাবেন এবং সরকারের কাছেও কৃষি খাতের সঠিক ও হালনাগাদ তথ্য থাকবে।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, বিনামূল্যে সার ও বীজ দেওয়ার বিষয়টি নিয়েও আলোচনা হয়েছে। তবে, একেবারে দরিদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের ক্ষেত্রে এ সুবিধা দেওয়া হবে কি না— তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি। এ বিষয়ে আজকের সভায় বিস্তারিত সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানা গেছে।

তিনি বলেন, যারা সরাসরি উৎপাদনের সঙ্গে জড়িত তারাই এই প্রকল্পে কৃষক হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হবেন। প্রকৃত ও সক্রিয় কৃষকদের একটি নির্ভরযোগ্য ডাটাবেজ তৈরি করাই এ উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য।