News update
  • First cruise ship crosses Strait of Hormuz since war began     |     
  • MDBs stress co-op support global stability amid uncertainty     |     
  • PM opens first Hajj flight, visits Ashkona camp     |     
  • River ports asked to hoist cautionary signal No 1     |     
  • Oil prices drop 9% & Wall Street rallies to a record after Iran reopens Hormuz     |     

সৌদির গুরুত্বপূর্ণ তেলের পাইপলাইনে ড্রোন হামলা

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক জ্বালানী 2026-04-09, 7:42am

5e701d52dd0b811892647348ec2ffa6a363611775b7733fd-89aae2fb71f4bc7945e385a104a947011775698968.jpg




মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিরতির কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সৌদি আরবের একটি গুরুত্বপূর্ণ তেলের পাইপলাইনে ড্রোন হামলা হয়েছে। তবে কারা এই হামলা চালিয়েছে তা স্পষ্ট নয়। কোনো দেশ বা গোষ্ঠী এখনও হামলার দায় স্বীকার করেনি। তবে সংশ্লিষ্টদের অভিযোগের তীর ইরানের দিকেই। খবর ব্লুমবার্গের।

প্রতিবেদন মতে, হামলার সম্পর্কে অবগত এক ব্যক্তি জানিয়েছেন, ইস্ট-ওয়েস্ট তেলের পাইপলাইনের একটি পাম্পিং স্টেশন লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয় এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো যাচাই করা হচ্ছে। রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি সৌদি আরামকো এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।

ইস্ট-ওয়েস্ট তেলের পাইপলাইনটি পারস্য উপসাগরীয় তেলক্ষেত্র থেকে তেল সরাসরি লোহিত সাগরের উপকূলে অবস্থিত ইয়ানবুবন্দরে পৌঁছানোর একটি গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প পথ। এর ফলে হরমুজ প্রণালী এড়িয়ে তেল রফতানি করা সম্ভব হয়।

মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল এবং ইরান দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হওয়ার পরই এই হামলার ঘটনা ঘটে। এছাড়া আজ বুধবারও (৮ এপ্রিল) অঞ্চলজুড়ে বিচ্ছিন্নভাবে কিছু হামলার খবর পাওয়া গেছে। হামলা হয়েছে ইরানের একটি তেল শোধনাগারেও। 

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধবিরতির শর্ত হিসেবে ইরানকে হরমুজ প্রণালী খুলে দিতে বলেন। কিন্তু বুধবার পর্যন্ত সেখানে জাহাজ চলাচল বেশ সীমিত ছিল। আগামী শুক্রবার থেকে পুরোদমে এটি খুলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। 

২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলার মাধ্যমে এক রক্তক্ষয়ী সংঘাত শুরু হয়। আগ্রাসনের জবাবে পাল্টা হামলার পাশাপাশি নিজেদের ঘরের উঠানের হরমুজ প্রণালী কার্যত বন্ধ করে দেয় ইরান।

এতে বৈশ্বিক শিপিং ব্যবস্থা বিঘ্নিত হয়। বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহ আটকে পড়ে। ফরে লে জ্বালানি ও পরিবহন বাজারে অস্থিরতা দেখা দেয়। অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের ওপরে ওঠে। 

এমন পরিস্থিতিতে ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইন ও ইয়ানবু বন্দর দিয়ে তেল রফতানি সৌদি আরব ও বৈশ্বিক তেলবাজারের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

গত সপ্তাহে ব্লুমবার্গ নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বর্তমানে এই পাইপলাইনের মাধ্যমে প্রায় প্রতিদিন ৫০ লাখ ব্যারেল তেল রফতানি করা হচ্ছে, যা যুদ্ধ-পূর্ব মোট রফতানির প্রায় ৭০ শতাংশ। পাশাপাশি দেশটি দৈনিক প্রায় ৭ থেকে ৯ লাখ ব্যারেল তেলজাত পণ্যও রফতানি করছে।

এর আগে আরামকোর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) আমিন এইচ নাসের সাংবাদিকদের বলেন, গ্রাহকরা রুট পরিবর্তন করায় ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইন কয়েকদিনের মধ্যে পূর্ণ সক্ষমতায় পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে।