News update
  • Bangladesh Plans Bonded Warehouse Reforms to Diversify Exports     |     
  • Dhaka ranks 4th among world's most polluted cities this morning     |     
  • Lula re-elected Brazilian president in runoff     |     
  • PM arrives in Tokyo on four-day state visit to Japan     |     
  • Saint Martin’s Island to Reopen for Tourists on Nov 1     |     

জ্বালানি সংকট: পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কোন দেশ কী পদক্ষেপ নিচ্ছে

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক জ্বালানী 2026-04-20, 5:49pm

yhrthrtyrtyr-434a19a299d137fe22711642b67115d11776685768.jpg




 ইরান যুদ্ধ ও হরমুজ প্রণালী ঘিরে অচলাবস্থার জেরে তীব্র জ্বালানি সংকটের মুখে পড়েছে বিশ্ব। তেলের দাম বাড়তে থাকায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নানা ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছে দেশগুলো।

বিশ্বের মোট তেল ও গ্যাসের ২০ শতাংশই আসে হরমুজ প্রণালী দিয়ে। ইরান যুদ্ধের জেরে এই রুটটি কার্যত অচল হয়ে পড়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। ইন্টারন্যাশনাল অ্যানার্জি এজেন্সি বা আইইএ এটিকে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় সরবরাহ বিপর্যয় হিসেবে আখ্যা দিয়েছে।

এই ধাক্কা সামলাতে বিভিন্ন দেশ এ পর্যন্ত নানা পদক্ষেপ নিয়েছে।

যুক্তরাজ্যে বিদ্যুতের বেশিরভাগই প্রাকৃতিক গ্যাস ও নবায়নযোগ্য উৎস থেকে উৎপাদিত হলেও, বৈশ্বিক তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে দেশটিতে পেট্রোলের দাম বেড়েছে। পেট্রোল বিক্রেতারা এই পরিস্থিতিতে অতিরিক্ত মুনাফার চেষ্টা করলে সরকার ব্যবস্থা নেয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আয়ারল্যান্ড সরকার ৫০৫ মিলিয়ন ইউরোর সহায়তা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে।

জ্বালানি সাশ্রয়ে কার্যকর কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে এশিয়ার দেশগুলো।

থাইল্যান্ডে এসির ব্যবহার কমাতে সরকারি কর্মকর্তাদের জ্যাকেট খুলে অফিস করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। শ্রীলঙ্কায় জ্বালানি বাঁচাতে বুধবার সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এদিকে ফিলিপিন্স ও মিশর যাতায়াতে চাপ কমাতে কর্মীদের জন্য সপ্তাহে চার দিন অফিস বা বাসা থেকে কাজ করার নীতি গ্রহণ করেছে।

মিয়ানমার ও স্লোভেনিয়ায় ব্যক্তিগত গাড়ির জন্য জ্বালানি তেলের রেশন ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।

তেলের ওপর নির্ভরশীলতা কমাতে অনেক দেশ গণপরিবহনকে প্রাধান্য দিচ্ছে। অস্ট্রেলিয়ার দুই রাজ্যে ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার কমাতে ট্রেন, বাস ও ফেরিতে চলাচল সম্পূর্ণ বিনামূল্য ঘোষণা করা হয়েছে।

অন্যদিকে বিশ্বের বৃহত্তম তেল আমদানিকারক দেশ চীন তাদের বিশাল মজুদ থেকে চাহিদা মেটানোর চেষ্টা করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তেল রফতানি আপাতত বন্ধ রেখেছে বেইজিং।