News update
  • Bus Fares Rise by 17 Paisa Per Kilometre     |     
  • PM arrives in New York to attend 81st UNGA session     |     
  • Jatri Kalyan Samity urges withdrawal of increased fuel prices     |     
  • Global Diesel Shortage Likely to Persist Into 2027     |     

ইসির সীমানা অনুযায়ী পাবনার দুটি আসনে ১২ ফেব্রুয়ারিই নির্বাচন

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক নির্বাচন 2026-01-15, 3:38pm

ert435345-77d319e3c1798ba9cc514ee4643ef55d1768469910.jpg




নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জারি করা সর্বশেষ গেজেট অনুযায়ী পাবনা-১ ও পাবনা-২ সংসদীয় আসনে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন আয়োজন করতে আর কোনো আইনগত বাধা নেই বলে আদেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ।

বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এই আদেশ দেন। ফলে সাঁথিয়া উপজেলা পাবনা-১ এবং সুজানগর ও বেড়া উপজেলা পাবনা-২ আসনের অন্তর্ভুক্ত থাকবে বলে গণ্য হবে।

এর মাধ্যমে পাবনা-১ আসন থেকে বেড়া উপজেলার চারটি ইউনিয়ন ও পৌরসভা বাদ দিয়ে পাবনা-২ আসনের সঙ্গে যুক্ত করার বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের গেজেটকে অবৈধ ঘোষণা করা হাইকোর্টের রায়ের ওপর স্থগিতাদেশ দেন সর্বোচ্চ আদালত।

আদালতে নির্বাচন কমিশনের পক্ষে ছিলেন ভারপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল আরশাদুর রউফ ও অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনীক আর হক। জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার ইমরান আবদুল্লাহ সিদ্দিকী এবং বিএনপির প্রার্থীর পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার এইচ এম সানজিদ সিদ্দিকী।

এর আগে বুধবার (১৪ জানুয়ারি) হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে দায়ের করা লিভ টু আপিলের শুনানির জন্য বৃহস্পতিবার দিন ধার্য করা হয়। গত ১৩ জানুয়ারি পাবনা-১ ও ২ আসনের নির্বাচন কার্যক্রম স্থগিত রাখার ইসির সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করা হয়। আবেদনে যথাসময়ে নির্বাচন ও নির্বাচনী কার্যক্রম শুরুর নির্দেশনা চাওয়া হয়।

পাবনা-১ আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন এ আবেদন করেন।

উল্লেখ্য, সীমানা পুনর্নির্ধারণ সংক্রান্ত আপিল বিভাগের আগের আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশন এই দুই আসনের নির্বাচন স্থগিত করেছিল। তবে সর্বশেষ আদেশে সেই স্থগিতাদেশ কার্যত প্রত্যাহার হওয়ায় নির্ধারিত তারিখেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

এর আগে, গত ১৮ ডিসেম্বর পাবনা-১ আসন থেকে বেড়া উপজেলার চারটি ইউনিয়ন ও পৌরসভা বাদ দেওয়ার গেজেটের অংশকে আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করে হাইকোর্ট রায় দেন এবং আসন দুটি আগের মতো পুনর্বহালের নির্দেশ দেন। সেই রায়ের বিরুদ্ধেই লিভ টু আপিল করা হয়।