News update
  • Around 7,500 Bangladeshis imprisoned in Saudi Arabia: Shama Obaed     |     
  • Bangladesh Outperforms India in Global Hunger Index 2026     |     
  • Covered van hits Gazipur police patrol team, killing SI, BNP leader     |     
  • Korean City scrambles to rescue dusky shark after it returns to canal     |     
  • PM inspects Mongla Port, Sundarbans, proposed economic zone     |     

নওগাঁয় প্রাথমিক সহকারি শিক্ষক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসে জড়িত আটক ১৮

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক পরীক্ষা 2026-01-10, 10:55am

werrw3452342-984e5be9926deea534caff414d88fffa1768020915.jpg




নওগাঁয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস চক্রের সদস্য, ডিভাইস ব্যবহার করে অসদুপায়ে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া পরীর্ক্ষীসহ ১৮ জনকে আটক  করা হয়েছে। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) সকাল থেকে দিনভর পুলিশ ও জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা (এন এস আই) ও জেলা প্রশাসন ও এসব অভিযান পরিচালনা করে। 

শুক্রবার রাতে নওগাঁ পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে জেলা পুলিশের প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানায় পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম। তিনি জানান, আজ শুক্রবার সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শহরের নীলসাগর হোটেল এবং পোরশা রেস্ট হাউজে অভিযান চালানো হয়। সেখানে প্রশ্ন ফাঁসচক্রের মূলহোতা আহসান হাবিব ও মামুনূর রশিদকে আটক করা হয়। যারা লাখ লাখ টাকার বিনিময়ে পরীক্ষার আগেই প্রশ্ন সরবরাহ করতে চেয়েছিল। পরে তাদের দেওয়া তথ্যে একে একে ১৮ জনকে আটক করা হয়। এদের মধ্যে প্রতারিত শিক্ষার্থী, ভূয়া শিক্ষার্থী ও অভিভাবক আছেন। এসময় তাদের কাছে থেকে ১১টি মোবাইল ফোন, ১টি মানিব্যাগসহ নগদ ৩৭ হাজার ৯৪৮ টাকা উদ্ধার করা হয়।  

আটকরা হলেন, নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার বামইন গ্রামের মো. আবু সাইদ (৩১) ও চন্ডীপুর গ্রামের সারোয়ার হোসেন (৩১), মহাদেবপুর উপজেলার জিওলি গ্রামের হাবিবুর রহমান (২৬) ও মালাহার গ্রামের ফারুক হোসেন (৩১), সাপাহার উপজেলার কওমি মাদ্রাসাপাড়ার আতাউর রহমান (৩০) এবং পোরশা উপজেলার দিঘা গ্রামের রেহান জান্নাত (৩১)।

চক্রের  দুই সদস্য হলেন পত্নীতলা উপজেলার শিবপুর গ্রামের মামুনুর রশিদ (৪১) ও মহাদেবপুর উপজেলার জিওলি গ্রামের আহসান হাবিব (৪০)। এছাড়াও আটক আরেকজন হলেন অভিভাবক ফারাজুল ইসলাম (৪৮)। তিনি জেলার মহাদেবপুর উপজেলার জিওলি গ্রামের মৃত লাল মোহাম্মদের ছেলে। এদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা হবে বলেও জানান পুলিশ সুপার।