News update
  • Cultivation of Black Baby watermelons on a rooftop in Kalapara     |     
  • Low pressure area on Bay; Maritime ports to hoist cautionary signal 3     |     
  • Nandini killing: Man sentenced to death in Lalmonirhat     |     
  • Four of a Rangpur family killed for objecting to Yaba taking: Police     |     
  • Bangladesh Rise to Highest-Ever Sixth in Test Rankings     |     

মোবাইল ফোন টাওয়ারের বিকিরণ নিয়ে গবেষণা প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি 2026-05-13, 11:02pm

rerwerw-c5f2758bb09e4446ce75253ee5ed53f01778691741.jpg




মোবাইল ফোনের টাওয়ারের বিকিরণের মাধ্যমে জনস্বাস্থ্যের কী ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে সে বিষয়ে বুয়েটের মাধ্যমে গবেষণা করে প্রতিবেদন দাখিল করতে বিটিআরসিকে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

আজ বুধবার (১৩ মে) বিচারপতি জে বি এম হাসান এবং বিচারপতি আজিজ আহমদ ভূঞার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আবেদনকারী আইনজীবী মনজিল মোরসেদ জানান, শুনানি শেষে আদালত বুয়েটের অধ্যাপক কামরুল হাসানের রিপোর্ট অনুসারে বাংলাদেশে স্থাপিত মোবাইল ফোন টাওয়ারের বিকিরণ থেকে কী ধরনের স্বাস্থ্য ঝুঁকি আছে তা নির্ণয়ের জন্য তার প্রস্তাবিত মত অনুসারে বিটিআরসিকে একটি প্রজেক্টের মাধ্যমে গবেষণা করে প্রতিবেদন তৈরি করতে বলেছেন।  আগামী ৬ মাসের মধ্যে এই প্রতিবেদন  আদালতে দাখিলের  নির্দেশ দিয়েছেন।

একই সাথে আদালত রায়ের যে অন্যান্য নির্দেশনা, পরামর্শ বিশেষ করে পাবলিক প্লেসে অর্থাৎ স্কুল-কলেজ,  বিশ্ববিদ্যালয়, আদালত প্রমুখ স্থানে টাওয়ার স্থাপন না করার বিধান গাইডলাইনে অন্তর্ভুক্ত করার পাশাপাশি আদালতের মতামত অনুসারে  ব্যবস্থা গ্রহণ করেও কম্প্লায়েন্স রিপোর্ট দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।  মামলার পরবর্তী শুনানির তারিখ ২ ডিসেম্বর দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।

মোবাইল ফোনের টাওয়ারের বিকিরণের মাধ্যমে মানুষ, পশুপাখি, গাছপালা ইত্যাদির ক্ষতি হচ্ছে মর্মে মিডিয়ায় রিপোর্ট প্রকাশিত হলে, এ সম্পর্কিত রিপোর্ট সংযোজন করে জনস্বার্থে হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ (এইচআরপিবি)  একটি রিট পিটিশন দায়ের করে। ২০১৯ সালের ২৫ এপ্রিল হাইকোর্ট দীর্ঘ শুনানি শেষে রুল যথাযথ করে রায় দিয়ে বিটিআরসিকে ফিল্ড সার্ভে করে বর্তমান মাত্রা কতটুকু কমানো যায় সে ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।

আদালত রায়ে জনসমাগম স্থলে অর্থাৎ স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, আদালতপাড়াসহ বিভিন্ন জায়গায় যাতে এ ধরনের টাওয়ার স্থাপন করা না হয় গাইডলাইনে তা  অন্তর্ভুক্ত করার কথা বলেন। আদালতের রায়ের পরে বিটিআরসি কর্তৃক একটি কমিটি করে একইভাবে আগের মাত্রা বহাল রাখার প্রতিবেদন দাখিল করে। জবাবে এইচআরপিবি-এর পক্ষে উক্ত প্রতিবেদনের বিষয় আপত্তি তুলে বলা হয়, পার্শ্ববর্তী ভারতসহ বিভিন্ন দেশে উক্ত বিকিরণের মাত্রা ১০ ভাগের এক ভাগ করার যে ব্যবস্থা প্রচলিত আছে, সে অনুসারে বাংলাদেশেও মোবাইল ফোনের টাওয়ারগুলোতে  কমানোর আবেদন করা হোক। এ ব্যাপারে বুয়েটের বিশেষজ্ঞদের মতামত শোনার আবেদন জানানো হয়। এরপরে ২০২৪ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি আদালত এক আদেশে বিশেষজ্ঞ মতামত শুনতে আদেশ দেন।

আদালতের নির্দেশনা অনুসারে বুয়েটের অধ্যাপক কামরুল হাসান  আদালতে এসে বক্তব্য দেন এবং ২০২৪ সালের ৩০ শে এপ্রিল একটি লিখিত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করেন। প্রতিবেদনে তিনি মোবাইল ফোনের টাওয়ার থেকে রেডিয়েশনের (বিকিরণ) মাত্রা কমানোর সুপারিশ করেন, একই সাথে এই ধরনের মাত্রা কি পরিমাণ ক্ষতি করছে সে ব্যাপারে বাংলাদেশে একটি গবেষণার প্রস্তাব দেন।