News update
  • Gas Crisis Deepens as LNG Outage Hits Supply     |     
  • Microplastics Found in 26 of 34 Toothpaste Brands in Bangladesh      |     
  • Shahabuddin Set to Leave Bangabhaban, Hafiz Takes Charge     |     
  • Rail Expansion Planned for 16 Unconnected Districts     |     
  • Rescued elephant Badsha Bahadur gets a second chance to survive      |     

দেশের কোথাও লোডশেডিং নেই: বিদ্যুৎমন্ত্রী

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক বিদ্যুৎ 2026-05-05, 2:45pm

ertret4543-c44602132c5b7e78352d574857f204531777970702.jpg




দেশের কোথাও লোডশেডিং নেই বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।

মঙ্গলবার (৫ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ডিসি সম্মেলনের তৃতীয় দিনে বৈঠক শেষে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, কৃত্রিম সংকট তৈরি করে দেশে জ্বালানি সংকট তৈরি করা হয়েছিল। যারা ডিজেল চুরি এবং এই কৃত্রিম সংকটের সঙ্গে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, দেশের কোথাও লোডশেডিং নেই। তবে কারিগরি ত্রুটির কারণে হয়ত কোথাও কোথাও লোডশেডিং হচ্ছে।  

এদিকে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) সূত্রে জানা গেছে, গত ২৭ এপ্রিল থেকে ৩ মে পর্যন্ত দেশে চাহিদা অনুযায়ী পর্যাপ্ত উৎপাদন থাকায় টানা এক সপ্তাহ কোনো লোডশেডিং হয়নি। বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. রেজাউল করিম গণমাধ্যমকে বলেন, আগের তুলনায় এখন চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ সরবরাহ দেয়া সম্ভব হচ্ছে। ছোট কিছু বিদ্যুৎকেন্দ্রে সমস্যার কারণে আগে উৎপাদনে ঘাটতি ছিল, তবে বর্তমানে সেই সমস্যা নেই। পরিকল্পনা অনুযায়ী সামনের দিনগুলোতেও শূন্য লোডশেডিং ধরে রাখার চেষ্টা চলছে।

তিনি আরও বলেন, নিরবচ্ছিন্ন উৎপাদন বজায় রাখতে এখন মূল লক্ষ্য হলো কয়লা সরবরাহ নিশ্চিত করা। তেল ও গ্যাস সীমিত থাকায় সেগুলো ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ব্যবহার করতে হয়। বর্তমানে কয়লাভিত্তিক কেন্দ্র থেকে প্রয়োজনীয় উৎপাদন পাওয়া যাচ্ছে। পটুয়াখালীর আরএনপিএল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট এরই মধ্যে বাণিজ্যিক উৎপাদনে এসেছে এবং আরেকটি ইউনিট শিগগিরই যুক্ত হবে।

পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসির (পিজিসিবি) চাহিদা, উৎপাদন ও লোডশেডিং পরিস্থিতি বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত ২৭ এপ্রিল সন্ধ্যার পিক আওয়ারে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১২ হাজার ৭৯৩ মেগাওয়াট। একই পরিমাণ বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়, ফলে সেদিন কোনো লোডশেডিং হয়নি।

এছাড়া গত ২৮, ২৯ ও ৩০ এপ্রিল চাহিদা ছিল যথাক্রমে ১১ হাজার ৪৭৫, ১১ হাজার ৩৬ এবং ১২ হাজার ৬১৪ মেগাওয়াট। এসব দিনেও চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকায় লোডশেডিং হয়নি। মে মাসের শুরুতেও একই ধারা অব্যাহত থাকে। ১, ২ ও ৩ মে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল যথাক্রমে ১০ হাজার ৪৬২, ১১ হাজার ৯২ এবং ১২ হাজার ৭৪৫ মেগাওয়াট। এসব দিনেও চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়।