News update
  • Govt Appoints Indonesian Firm to Operate Cox’s Bazar SPM     |     
  • ADB lowers Bangladesh’s growth forecast to 4 % in FY2027     |     
  • El Niño Tests Global Readiness for a Changing Climate     |     
  • Dhaka's air quality recorded moderate on Wednesday morning      |     
  • Dhaka, Riyadh ties continue to develop across numerous fields: Envoy     |     

নেপালে বন্যায় নিহত বেড়ে ৫৪৭

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক বিপর্যয় 2026-08-28, 7:59pm

img_20260828_195442-4ff4b135103f48ce6611bc22ab7ca1ce1787925587.jpg




নেপালের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় পাহাড়ি জেলা রাসুয়ায় ভয়াবহ আকস্মিক বন্যার পর থেকে এলাকাটি এখন এক করুণ মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছে। কাদা-পাথরের স্তূপ সরিয়ে প্রতি মুহূর্তেই উদ্ধার করা হচ্ছে একের পর এক লাশ। নেপাল পুলিশের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দুর্ঘটনাস্থল ও আশপাশের নদী এলাকা থেকে এ পর্যন্ত ৫৪৭ জনের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মর্মান্তিক এই বিপর্যয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন অন্তত ১ হাজার ৪৭৩ জন।

এর আগে নেপালের জাতীয় দুর্যোগ প্রশমন ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ ৫৩৮ জনের মৃত্যু নিশ্চিত করেছিল। সরকারি বিভিন্ন সংস্থার তথ্যে সামান্য পার্থক্য থাকলেও বাস্তবে প্রাণহানির সংখ্যা আরও অনেক বেশি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

পরিস্থিতি মোকাবেলায় বন্যাকবলিত রসুয়া ও সংলগ্ন এলাকায় উদ্ধার তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে। বর্তমানে ওই দুর্গম এলাকায় পুলিশের ৪ হাজার ৪৭৩ জন সদস্য উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছেন। তাদের সঙ্গে উদ্ধারকাজে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সরাসরি অংশ নিয়েছেন নেপাল সেনাবাহিনীর বিপুলসংখ্যক সদস্য।

উদ্ধারকর্মীদের উদ্বেগের বড় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে নিখোঁজদের দীর্ঘ তালিকা। জাতীয় দুর্যোগ প্রশমন সংস্থার হিসাব মতে, এখনো ৯৭৭ জন মানুষের কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। সবচেয়ে হৃদয়বিদারক বিষয় হলো, নিখোঁজদের মধ্যে ৫১৭ জনই বিভিন্ন দেশের পর্যটক ও বিদেশি নাগরিক।

প্রসঙ্গত, বুধবার (২৬ আগস্ট) সকালে হুট করেই রসুয়া জেলার দিকে প্রচণ্ড শক্তিতে ধেয়ে আসে একটি পাহাড়ি ঢল। পাহাড়ের ওপর জমে থাকা হিমবাহ ধসে তৈরি হওয়া এই ঢলে মুহূর্তেই ফুলেফেঁপে ওঠে রসুয়ার ত্রিশূলি, নারায়নি ও ভোটেকোশি নদী। পানি ও কর্দমাক্ত মাটির প্রচণ্ড বেগে পাহাড়ের বিশাল বিশাল পাথরখণ্ড নেমে আসতে শুরু করে। ধ্বংসাত্মক এই ঢল পথের মধ্যে থাকা ঘরবাড়ি, সেতু, গাছপালা ও বৈদ্যুতিক খুঁটিসহ সব ধরনের অবকাঠামো নিমেষেই মাটির সঙ্গে মিশিয়ে ভাসিয়ে নিয়ে যায়।

প্রাকৃতিক এই তাণ্ডবের আঁচ লেগেছে সীমান্তঘেঁষা চীনের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল তিব্বতেও। তিব্বতের সীমান্ত এলাকায় প্রবল বন্যায় অন্তত ৩০০ জন নিখোঁজ রয়েছেন। চীনের পক্ষ থেকে শুরুতে তিব্বতে ৩ জনের মৃত্যুর কথা বলা হলেও পরবর্তীতে নতুন করে হতাহতের আর কোনো সংখ্যা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি। তবে দেশটির সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে স্বীকার করা হয়েছে যে এই অস্বাভাবিক ঢলে সীমান্তে ব্যাপক প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতি ঘটেছে।