News update
  • Mount Everest season opens late, despite huge ice block, high travel costs     |     
  • 2 more children die with measles-like symptoms in Sylhet     |     
  • Dhaka again ranks world’s most polluted city Friday morning     |     
  • Speed up nationality verification for ‘illegal’ migrants: Delhi     |     
  • Rosatom Launches Bangladesh's First Nuclear Power Plant     |     

জীবনধারণের খরচ বেড়ে যাওয়ায় উদ্বিগ্ন জার্মানরা

ডয়চে ভেলে বিবিধ 2025-09-19, 3:39pm

img_20250919_153920-35ce5708ec01548672e1cd3e2b0aea111758274789.jpg




দীর্ঘদিন ধরে নেওয়া জরিপে দেখা যাচ্ছে, জীবনধারণের খরচ বেড়ে যাওয়ায় জার্মানরা বিপন্ন বোধ করছেন। ইউক্রেনের যুদ্ধ এখনো বন্ধ হয়নি, মুদ্রাস্ফীতি ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিতর্কিত সিদ্ধান্তও বিশ্বে প্রভাব ফেলছে, তবে সেসব নিয়ে জার্মানরা আর আগের মতো ভয় পাচ্ছেন না।

অনেকেই জার্মানদের উদ্বেগকে এইভাবে ব্যাখ্যা করেন, জার্মানরা দ্বিধান্বিত, হতাশ, সতর্ক ও নিজেদের সুরক্ষা নিয়ে ভয়ংকরভাবে চিন্তিত।

২০২৫ সালে জার্মানরা কী নিয়ে সবচেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন বা ভয় পাচ্ছেন এই বিষয় নিয়ে প্রচুর সমীক্ষা হয়েছে। ১৯৯২ সাল থেকে বিমা কোম্পানি আর প্লাস ভি ফ্যাজিসাহোঙ্গ এই বিষয়ে সমীক্ষা করছে।

তাদের সমীক্ষা বলছে, বিশ্বজুড়ে নানান সংকট চললেও জার্মানদের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভয় আগের তুলনায় কমেছে।

মারবুর্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ইসাবেলা এই সমীক্ষার পরামর্শদাতা হিসাবে কাজ করেছেন। তিনি ডিডাব্লিউকে বলেছেন, “এটা অত্যন্ত স্বস্তির বিষয়। মানুষ এখন ভবিষ্যতের ভয় নিয়ে চিন্তিত নয়, বরং তারা বর্তমানকে নিয়ে ভাবছে। আর্থিক পরিস্থিতি ও জীবনধারনের খরচ বেড়ে যাওয়ায় তারা উদ্বিগ্ন। তবে আগের মতো তারা আর বিচলিত বোধ করছেন না।”

জার্মানরা তেল-মশলা, জ্বালানি ও বিদ্যুতের দাম বেড়ে যাওয়ায় চিন্তিত। মাসের শেষে সংসার চালাতে তাদের টানাটানির মধ্যে পড়তে হচ্ছে। গতবছরও জিনিসের দাম বাড়া নিয়েই জার্মানরা সবচেয়ে বেশি চিন্তাপ্রকাশ করেছেন। মুদ্রাস্ফীতি নিয়ে তারা খুবই চিন্তিত।

আর্থিক অনটনের চিন্তা তাদের রাতের ঘুম কেড়ে নিয়েছে। তাছাড়া তারা ভাবছেন, কর বাড়তে পারে, কল্যাণমূলক ব্যবস্থা কাটছাঁট হতে পারে এবং আবাসনের খরচ জোগাতে পারবেন না।

অভিবাসন নিয়ে চিন্তা

জার্মানদের চিন্তা ও উদ্বেগের তালিকায় দুই নম্বর জায়গায় আছে অভিবাসন ও অভিবাসী। বিশেষ করে পূর্ব জার্মানির মানুষ এ নিয়ে খুবই উদ্বিগ্ন।

তবে ২০২৫ সালের প্রথমার্ধে জার্মানিতে আশ্রয় চাওয়া মানুষের সংখ্যা ছিল ৭৩ হাজার, যা আগের বছরের তুলনায় ৫০ শতাংশ কম। তার কারণ অবশ্য আগের সরকার অভিবাসন নীতিতে কড়াকড়ি করেছিল।