News update
  • Venezuela earthquakes kill 920, tens of thousands missing     |     
  • Search Continues After Venezuela Quakes Kill 235     |     
  • Dhaka, Beijing sign 13 MoUs to deepen cooperation across key areas     |     
  • China Eyes Teesta Project, Trade Boost With Bangladesh     |     
  • PM Tarique, Li Qiang Hold Bilateral Talks in Beijing     |     

গণমাধ্যম এড়িয়ে চলায় এবার নরওয়েতে সাংবাদিকের প্রশ্নে ধরাশায়ী মোদি

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক মিডিয়া 2026-05-20, 4:51pm

2007505052590d7-2d39a6126516387fcd2d6b827d73e6881779274311.jpg




ছয় দিনের পাঁচ দেশ সফরের অংশ হিসেবে নরওয়ের অসলোতে তৃতীয় ভারত-নর্ডিক সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মঙ্গলবার (১৯ মে) এই সম্মেলনের যোগ দেওয়ার আগেই গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে প্রশ্ন এড়িয়ে যাওয়ার পুরোনো অভ্যাস নিয়ে নরওয়ের সাংবাদিকদের তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষের মুখে পড়েন তিনি। খবর দ্য হিন্দুস্তান টাইমস ও বিবিসির।

নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী ইয়োনাস গর স্তোরের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী মোদির একটি যৌথ সংবাদ বিবৃতির আয়োজন করা হয়েছিল। প্রথা অনুযায়ী ব্রিফিংয়ের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নোত্তরের কোনো সুযোগ রাখা হয়নি। ব্রিফিং শেষ করে দুই নেতা যখন সভাস্থল ত্যাগ করছিলেন, ঠিক তখনই মিলনায়তনের পেছন থেকে এক নারী সাংবাদিকের কণ্ঠস্বর ভেসে আসে। তিনি চিৎকার করে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী মোদি, বিশ্বের সবচেয়ে মুক্ত গণমাধ্যমের (নরওয়ে) কাছ থেকে আপনি দু-একটি প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছেন না কেন?’

সরাসরি এই চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেওয়া সাংবাদিকের নাম হেলে লিং। তিনি নরওয়ের স্থানীয় প্রভাবশালী সংবাদপত্র ‘দাগসাভিসেনের’ একজন রিপোর্টার হিসেবে সেখানে পেশাগত দায়িত্ব পালন করছিলেন। পরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) একটি পোস্টে হেলে লিং লেখেন, ‘ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আমার প্রশ্নের উত্তর দেননি। অবশ্য আমি তার কাছ থেকে এমনটাই আশা করেছিলাম।’

ওই সাংবাদিক আরও লেখেন, বিশ্ব সংবাদপত্রের স্বাধীনতা সূচকে নরওয়ে প্রথম স্থানে রয়েছে, ভারত ১৫৭তম স্থানে ফিলিস্তিন, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কিউবার সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। ক্ষমতাকে প্রশ্ন করাই আমাদের কাজ।

ঘটনাটি এখানেই থেমে থাকেনি। এরপর নরওয়ে সফর নিয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়েও হাজির হন হেলে লিং। সেখানে তিনি ভারতীয় কর্মকর্তাদের ওপর রীতিমতো চাপ সৃষ্টি করেন এবং প্রধানমন্ত্রী কেন সাংবাদিকদের এড়িয়ে যান তা জানতে চান। তিনি সরাসরি প্রশ্ন তোলেন, আমরা কেনো আপনাদের বিশ্বাস করব? আপনারা কি প্রতিশ্রুতি দিতে পারেন যে, আপনাদের দেশে যে মানবাধিকার লঙ্ঘন চলছে তা বন্ধ করবেন

এই সাংবাদিক সুনির্দিষ্ট ও সরাসরি উত্তর দাবি করলেও ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা সিবি জর্জ কূটনৈতিকভাবে বিষয়টি এড়িয়ে যান। ভারতের আইনি ও গণতান্ত্রিক কাঠামোর পক্ষে সাফাই গেয়ে তিনি বলেন, ভারতে যদি কারও অধিকার ক্ষুণ্ন হয়, তবে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার পূর্ণ অধিকার তাঁর রয়েছে। আমরা একটি গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে অত্যন্ত গর্বিত।

উল্লেখ্য, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তার দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে সংবাদ সম্মেলন না করা বা সাংবাদিকদের সরাসরি প্রশ্ন এড়িয়ে যাওয়ার জন্য দেশ-বিদেশে প্রায়শই সমালোচিত হন। এবার আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে নরওয়ের মতো সংবাদপত্রের স্বাধীনতার শীর্ষে থাকা দেশে গিয়ে একই আচরণের পুনরাবৃত্তি করায় তা নতুন করে আলোচনা ও বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।