News update
  • Speaker sees no possibility of Hasina's return even in 10-yrs     |     
  • Bangladesh Ambassador to Japan returns home ahead of PM’s visit     |     
  • Sajek Road Blockade: 2,933 Tourists Evacuated Amid Gunfire     |     
  • Climate Crisis May Displace 7.5% of Bangladeshis by 2050     |     
  • NEIR Rollout Targets Tk 2,000cr Revenue Loss From Illegal Phones     |     

ডিবি পরিচয়ে তুলে নিয়ে রাতভর নির্যাতন, ছাত্রদল নেতার সংবাদ সম্মেলন

রাজনীতি 2026-09-29, 4:32pm

jcd-mohipur-thana-unit-cultural-secretary-mehedi-hasan-faruk-address-a-press-conference-at-kuakata-press-club-on-tuesday-29-september-2026-4fa06eb2bdb1162b841b55ed0fc7e8321790677927.jpg

JCD Mohipur Sadar thana Union cultural secretary Mehedi Hasan Faruk address a press conference At Kuakata Press Club on Tuesday 29 September 2026



পটুয়াখালী: পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ডিবি পুলিশ পরিচয়ে তুলে নিয়ে রাতভর মারধর ও নির্যাতন, আব্বা ডেকেও রেহাই পেলেন না ছাত্রদল নেতা। এমন অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন উপজেলার মহিপুর থানা সদর ইউনিয়নের ছাত্র দলের সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক মেহেদী হাসান ফারুক।

২৯ সেপ্টেম্বর (মঙ্গলবার) দুপুরে কুয়াকাটা প্রেসক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলনে এমন অভিযোগ করেন এই ছাত্রদল নেতা। সংবাদ সম্মেলনে তার সাথে উপস্থিত ছিলেন মহিপুর থানা সদর ইউনিয়ন ছাত্রদলের প্রচার সম্পাদক কামরুল ইসলাম, মুক্তিযোদ্ধা মেমোরিয়াল ডিগ্রি কলেজ শাখার সভাপতি রবিউল ইসলাম প্রমূখ।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মেহেদী হাসান ফারুক বলেন, একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে সাক্ষী হওয়াকে কেন্দ্র করে তার ওপর এ হামলা চালানো হয়। এ ঘটনায় কলাপাড়া উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ রানা, সদস্য সচিব আমিরুল ইসলাম ফাহিম ও রাশেদসহ ১০ থেকে ১৫ জনের বিরুদ্ধে বর্বর নির্যাতনের অভিযোগ আনেন তিনি।

মেহেদী আরও বলেন, গত ১৭ সেপ্টেম্বর রাত ৮টার দিকে মহিপুর থেকে সাদা পোশাকে থাকা কয়েকজন ব্যক্তি নিজেদের ডিবি পুলিশ পরিচয় দিয়ে তাকে তুলে নিয়ে যান। তাদের হাতে ওয়াকিটকি ছিল বলেও দাবি করেন তিনি। তাকে মোটরসাইকেলে বসিয়ে কলাপাড়ায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে আমিরুল ইসলাম ফাহিমের নেতৃত্বে কয়েকজন তাকে দফায় দফায় মারধর ও নির্যাতন করে। রাত ১টা পর্যন্ত তাকে নির্যাতন করা হয়েছে বলেও দাবি করেন মেহেদী। তাকে তুলে নেওয়ার পুরো ঘটনা সিসিটিভি ক্যামেরায় ধারণ হয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়।

তিনি দাবি করেন, ‘‘আমি তাদের পা ধরে, আব্বা বলে ডেকেছি। বলেছি, আমার বাবা নেই, আপনারাই আমার বাবা। আমার মা অসুস্থ—এ ঘটনা জানলে তিনি মারা যেতে পারেন। তারপরও তারা আমাকে ছাড়েনি।’’

খবর পেয়ে মহিপুর ইউনিয়ন শাখা ছাত্রদল নেতা কামরুল ইসলাম শাওন ও রবিউল ইসলাম গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকরা তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। দীর্ঘ ১৫ দিন চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফেরার পর ২৬ সেপ্টেম্বর আবার অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে বরিশালে নেওয়া হয় বলে জানান তিনি। - গোফরান পলাশ