News update
  • NCP Vows to Contest All 300 Seats in Upcoming Polls     |     
  • Trump's Tariff Hike: How will it affect Bangladesh?     |     
  • Myanmar: UN chief for urgent access as quake toll mounts     |     
  • AI’s $4.8 tn future: UN warns of widening digital divide      |     
  • Volker Turk warns of increasing risk of atrocity crimes in Gaza     |     

একতরফা নির্বাচনী তফসিল সংঘাত সংঘর্ষ গ্রামে মহল্লায় ছড়িয়ে দেবে

বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক

রাজনীতি 2023-11-17, 12:05am

saiful-huq-gs-biplabi-workers-party-406b79aa493653d1ceae683d7b514e411700157900.jpg

Saiful Huq GS Biplabi Workers Party



ঘোষিত নির্বাচনী তফসিল অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে সংঘাত  সংঘর্ষকে পাড়া মহল্লা আর গ্রামে  গ্রামে ছড়িয়ে দেবে। নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিল স্ববিরোধী ও প্রতারণাপূর্ণ। সরকার ও সরকারি দলের ইচ্ছাপূরণের এই নির্বাচনী তফসিল অনতিবিলম্বে স্থগিত করুন।

বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক আজ গণমাধ্যমে প্রদত্ত এক বিবৃতিতে নির্বাচন কমিশন ঘোষিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল প্রত্যাখ্যান করে বলেছেন নির্বাচনকেন্দ্রীক সংকট সমাধানের আগেই নির্বাচনের এই তফসিল দেশে  অনাকাঙ্ক্ষিত সংঘাত -  সংঘর্ষকে এখন পাড়া মহল্লা  আর গ্রামে গ্রামে ছড়িয়ে দেবে। বিএনপিসহ বিরোধী দলসমূহকে বাইরে রেখে সরকার ও সরকারি দলের আর একটি  পাতানো নির্বাচনের জন্যই যে এই তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে  তা অত্যন্ত স্পষ্ট। এই তফসিলের মধ্য দিয়ে সরকারের পাশাপাশি খোদ নির্বাচন কমিশনই যে অবাধ, সুষ্ঠু ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনের বিরুদ্ধে অবস্থান গ্রহণ করল তাও পরিস্কার। 

বিবৃতিতে তিনি বলেন,  নির্বাচন কমিশনের এই তফসিল ঘোষণা স্ববিরোধী ও প্রতারণা পূর্ণ। একদিকে তারা বলছেন অবাধ নির্বাচনের পরিবেশ নেই এবং সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য রাজনৈতিক দলসমূহের মধ্যে বোঝাপড়া প্রয়োজন ; আবার অন্যদিকে সরকারের একতরফা নির্বাচনী নীলনকশা বাস্তবায়নে তফসিলও ঘোষণা করেছেন।

তিনি বলেন, নির্ধারিত সময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠান যেমন তাদের দায়িত্ব, তেমনি অবাধ,নিরপেক্ষ, প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানও তাদের দায়িত্ব। তদুপরি নির্বাচনের পরিবেশ না থাকলে তারা নির্বাচন বন্ধ বা স্থগিতও রাখতে পারেন। কিন্তু নির্বাচন কমিশন সে পথে না হেটে তারা সরকারি দলের ইচ্ছাপূরণের  জন্যেই তফসিল ঘোষণা করেছেন।  এতে  রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে একদিকে তারা জনগণের বিরুদ্ধে যেমন  অবস্থান নিয়েছেন, অপরদিকে এর মধ্য দিয়ে তারা গোটা নির্বাচনী ব্যবস্থার কফিনেও আরও একটি পেরেক ঠুকে দিয়েছেন। 

বিবৃতিতে তিনি উল্লেখ করেন,  নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা মানেই নির্বাচন নয়।তিনি অনতিবিলম্বে  গণআকাঙ্ক্ষার পরিপন্থী আর একটি নির্বাচনী তামাশা থেকে সরে এসে ঘোষিত নির্বাচনী তফসিল স্থগিত করার আহবান জানান। তা নাহলে সরকার ও সরকারি দলের মত মানুষ নির্বাচন কমিশনকেও গণবিরোধী প্রতিষ্ঠান হিসাবে চিহ্নিত করবে।

তিনি বলেন, জনগণের ভোটের অধিকার কেড়ে নিতে তারা যদি সরকারের অনুগত সহযোগী না চান তাহলে তাদের উচিৎ হবে অনতিবিলম্বে নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব থেকে তাদের সরে দাঁড়ানো। - প্রেস বিজ্ঞপ্তি