News update
  • PM Pushes Plans for Second Padma, Jamuna Bridges, Barrage     |     
  • Tap grants, local finance; shun loans for energy sovereignty      |     
  • Govt eyes 3,000-4,000MW solar power addition to grid before next summer: PM     |     
  • Dhaka Ranks Fifth Among World’s Most Polluted Cities on Tuesday      |     
  • Protests Disrupt Production at 681 Factories Across Bangladesh     |     

‘মায়ের ডাক’খ্যাত বিএনপির প্রার্থী তুলির বিরুদ্ধে মামলা

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক রাজনীতি 2025-11-26, 7:18pm

erterterter-179859b28bc89ad99866c1d4b93d858a1764163128.jpg




ইসলাম ধর্ম অবমাননা এবং ধর্মীয় বিশ্বাসে আঘাতের অভিযোগে ঢাকা-১৪ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ও গুমের শিকার ব্যক্তিদের স্বজনদের সংগঠন ‘মায়ের ডাক’-এর সমন্বয়ক সানজিদা ইসলাম তুলির বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করা হয়েছে।

বুধবার (২৬ নভেম্বর) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুবুর রহমানের আদালতে পুরান ঢাকার তরুণ ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক হোসাইন মোহাম্মদ আনোয়ার মামলাটি করেন।

মামলার বাদী হোসাইন মোহাম্মদ আনোয়ারের জবানবন্দি গ্রহণ করে আদালত মামলাটি তদন্তের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) নির্দেশ দিয়েছেন এবং দ্রুত প্রতিবেদন দাখিল করতে বলেছেন। বাদীর আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান জানান, ইসলাম ধর্ম অবমাননার দায়ে বিএনপির প্রার্থী সানজিদা ইসলাম তুলির বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ২৯৫(ক) ধারায় মামলার আবেদন করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ‘সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪১ অনুযায়ী ধর্মচর্চার অধিকার মানুষের মৌলিক অধিকার। বিয়ে হলো ইসলাম ধর্মের একটি গুরুত্বপূর্ণ রীতি ও বিধান। বিবাদী সানজিদা ইসলাম তুলি মুসলমানদের বিয়ে ইস্যুতে অবমাননাকর বক্তব্য দিয়েছেন। তিনি ইসলাম ধর্মকে অপমান করেছেন। তাই এ মামলা করা হয়েছে।’

মামলার অভিযোগে বলা হয়, পবিত্র কোরআনের সুরা নিসার ৩ নম্বর আয়াত অনুযায়ী একজন মুসলিম পুরুষ চারটি পর্যন্ত বিয়ে করতে পারেন। অন্যদিকে বাংলাদেশের প্রচলিত আইন ‘মুসলিম পার্সোনাল ল’ (শরিয়ত) এপ্লিকেশন অ্যাক্ট, ১৯৩৭’-এর ধারা (২) অনুযায়ী বিয়ে, ভরণপোষণ, তালাক ইত্যাদি ক্ষেত্রে ইসলামি শরিয়াহ আইন প্রযোজ্য হবে।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, ‘বিবাদী সানজিদা ইসলাম তুলি ইসলামে বিয়ে ইস্যুতে অবমাননাকর বক্তব্য দিয়েছেন। তিনি মুসলমানদের ধর্মীয় বিশ্বাসে আঘাত করেছেন, যা দণ্ডবিধির ২৯৫(ক) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ।’