News update
  • OPEC faces mounting pressure as officials meet in Vienna     |     
  • Locked in poverty and riverbank erosion: The reality of Kurigram     |     
  • DC conference 2026: 498 proposals set for policy review     |     
  • Govt moves to amend Const; opposition wants reform     |     
  • Govt Proposes 17-Member Panel for Constitution Reform     |     

গুম-খুনের শিকার পরিবারের সদস্যদের আর্তনাদ শুনে কাঁদলেন তারেক রহমান

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক রাজনীতি 2026-01-17, 6:19pm

rtyerterwrwer-ec2b61c21e4966369425a762bd9d3e141768652353.jpg




আওয়ামী লীগের শাসনামলে গুম ও খুনের শিকার ব্যক্তিরা এবং তাদের পরিবার সদস্যদের কান্না আর আর্তনাদে ভারি হয়ে ওঠে চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র। এ সময় বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন, ভেঙে পড়েন কান্নায়। 

শনিবার (১৭জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর চীন মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে 'মায়ের ডাক' ও 'আমরা বিএনপি পরিবার' আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন।  

২০১৩ সালের ২ ডিসেম্বর শাহবাগ থেকে গুম হওয়া পারভেজের কন্যা ঋদি কান্না ভেঙে কন্ঠে বলেন, এ বছর যায়, নতুন বছর আসে, কিন্তু আমাদের বাবা আর আসে না। ৫ আগস্টের পর এক বছরের বেশি সময় পার হয়ে গেল, কিন্তু আমরা কাউকে ফিরে পাইনি।

ঋদি আরও বলেন, আমার ছোটবেলা থেকেই স্বপ্ন ছিল বাবার হাত ধরে স্কুলে যাওয়ার, কিন্তু সেই স্বপ্ন এখনো পূরণ হয়নি।

সেই সঙ্গে, মাত্র দুই মাস বয়সে নিখোঁজ হওয়া সাফা তার বাবার জন্য দীর্ঘদিন অপেক্ষার কথা জানান। কাঁদতে কাঁদতে সাফা বলেন, আমার বাবার কোনো স্মৃতি নেই, এক দশক ধরে সবাই বাবার জন্য অপেক্ষা করছি, কিন্তু এখনও কোনো খোঁজ পাইনি।

অন্যদিকে, তিন বছর বয়সে বাবাকে হারানো মিম বলেন, সমবয়সীরা যখন বাবা থেকে হাঁটা শেখে, আমি তখন বাবাকে খুঁজতে বেড়াই।

গত ১৭ বছরে বিচারবহির্ভূত হত্যা ও গুমের শিকার হয়ে অসংখ্য পরিবার তাদের প্রিয়জন হারিয়েছে। কেউ বাবা, কেউ সন্তান, কেউ ভাই, আবার কেউ স্বামী। তারা এখন শুধুমাত্র সুষ্ঠু বিচার চাইছেন।

দেড় যুগের বেশি নির্বাসিত জীবন কাটানো বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান শোকাহত পরিবারগুলোর সঙ্গে সহমর্মিতা প্রকাশ করেন এবং বলেন, গুম-খুনের সেই বিভীষিকাময় দিন শেষ হয়েছে। দেশের মানুষ গণতন্ত্রের পথে এগিয়ে যাচ্ছে। অনেক সন্তান এখনো অপেক্ষায়, তারা আশা করে তাদের বাবা হঠাৎ করে ফিরে আসবেন। অনেক মা এখনো অপেক্ষায় আছেন, যার সন্তানের ফিরে আসার স্বপ্ন রয়েছে।

একজন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য জানান, গুম প্রতিরোধে এমন আইন প্রণয়ন করতে হবে যাতে ভবিষ্যতে কেউ এ ধরনের অপরাধ করার সাহস না পায়। শেখ হাসিনার শাসনামলে অনেকেই গুম ও খুনের শিকার হয়েছেন।