News update
  • 8 Killed in Ashulia Garment Factory Fire      |     
  • Apratim Murder Suspects Confessed, Says Home Minister     |     
  • Dhaka's air decorded unhealthy for sensitive groups Sunday morning     |     
  • Meet Earth’s newest wild cat species, the first named in over a century     |     
  • Bus torched in Mymensingh early Sunday     |     

ব্রেস্ট ক্যানসারের ভ্যাকসিন নিয়ে সুখবর দিলেন বিজ্ঞানীরা

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক রোগবালাই 2025-12-12, 7:22pm

rfewwerwe-1405c56753b5cad9ef6bc901673b1ff51765545733.jpg




চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা ব্রেস্ট ক্যান্সারের সবচেয়ে আক্রমণাত্মক ধরনগুলোর মধ্যে অন্যতম ট্রিপল-নেগেটিভ ব্রেস্ট ক্যান্সারের(টিএনবিসি) বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নতুন এক ভ্যাকসিনের আবিষ্কারের ঘোষণা দিয়েছেন। এই সাফল্য ক্যান্সারে আক্রান্ত নারীদের চিকিৎসায় এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। খবর এনবিসি নিউজের।

সম্প্রতি প্রকাশিত সেই ভ্যাকসিনের প্রথম পর্যায়ের ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক ফল পাওয়া গেছে। ট্রায়ালে অংশ নেওয়া রোগীদের মধ্যে ৭৪ শতাংশের দেহে শক্তিশালী রোগপ্রতিরোধী (ইমিউন) প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। 

বিজ্ঞানীরা এখন বিশ্বাস করছেন, এই ভ্যাকসিনটি আক্রমণাত্মক টিএনবিসি-এর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ ‘টার্নিং পয়েন্ট’  হতে পারে। 

ট্রিপল-নেগেটিভ ব্রেস্ট ক্যান্সার দীর্ঘদিন ধরেই চিকিৎসা বিজ্ঞানের জন্য রহস্যময় ছিল। কারণ এটি প্রচলিত হরমোন থেরাপি-নির্ভর চিকিৎসায় সাড়া দেয় না এবং এই রোগে আক্রান্ত নারীদের রোগ পুনরাবৃত্তির ঝুঁকি অনেক বেশি থাকে।

ক্লিভল্যান্ড ক্লিনিকের গবেষকরা একটি বায়োটেকনোলজি দলের সঙ্গে কাজ করে এই পরীক্ষামূলক ভ্যাকসিনটি উদ্ভাবন করেছেন। ভ্যাকসিনটি আলফা ল্যাকট্যালবুমিন নামের একটি প্রোটিনকে লক্ষ্য করে শরীরের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থাকে সক্রিয় করতে প্রস্তুত করা হয়েছে।

এই বছর সান আন্তোনিও ব্রেস্ট ক্যান্সার সিম্পোজিয়ামে উপস্থাপিত মানব-পর্যায়ের ট্রায়ালের প্রাথমিক ফলাফল দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিশ্চিত করেছে।

১. নিরাপত্তা: ভ্যাকসিনটি নিরাপদ।

২. সক্রিয়তা: এটি রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতাকে যথেষ্টভাবে সক্রিয় করতে সক্ষম।

এর আগে পশুদের ওপর চালানো পরীক্ষায় দেখা গিয়েছিল, এই প্রোটিনের বিরুদ্ধে রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা সক্রিয় করা সম্ভব হলে টিউমার বেড়ে ওঠার আগেই তা দমন করা যায়।

তবে বিজ্ঞানীরা সতর্ক করে বলেছেন, প্রথম পর্যায়ের এই ট্রায়ালের প্রধান লক্ষ্য ছিল রোগীদের নিরাপত্তা এবং রোগপ্রতিরোধ প্রতিক্রিয়া বোঝা। পুরোপুরি রোগ নিরাময় বা পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে এই ভ্যাকসিন কতটা কার্যকর হবে, তা নিশ্চিত হতে আরও বড় পরিসরের ট্রায়াল প্রয়োজন। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, রোগপ্রতিরোধ কোষগুলোকে টিউমারের প্রাথমিক কার্যকলাপ চিনতে প্রশিক্ষণ দেওয়া সম্ভব হলে, বাকি প্রশ্নগুলোর উত্তরও দ্রুত পাওয়া যাবে।