News update
  • How Ganges Treaty 1996 Missed Guarantee, Arbitration Clauses     |     
  • Saudi Arabia, Houthis trade strikes over Bab al-Mande     |     
  • Iraq seizes drone-launching pad used targeting Saudi oil pipeline     |     
  • Elena Rybakina beats Aryna Sabalenka to win the US Open title      |     
  • BRICS leaders concerned over ME, condemn unilateral sanctions      |     

‘ইরানকে চুক্তিতে রাজি করাতে বিমানভর্তি অর্থ দিয়েছিলেন ওবামা’

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক সংঘাত 2026-06-18, 12:53am

ewrwetreyrtyr-079b1a175e68384a860efce18fa649e51781722425.jpg




সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাকে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন দেশটির বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, ইরানকে চুক্তিতে রাজি করাতে বিমানভর্তি অর্থ ঘুষ দিয়েছিলেন ওবামা প্রশাসন। ২০১৫ সালে যৌথ সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা (জেসিপিওএ) চুক্তির অংশ হিসেবে ইরানকে ১৭০ কোটি মার্কিন ডলার নগদ অর্থ দিয়েছিল। খবর আলজাজিরার। 

মঙ্গলবার (১৬ জুন) ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত জি৭ সম্মেলনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প এমন মন্তব্য করেন। 

ঘটনার প্রমাণস্বরূপ নিজের কাছে এর ছবি আছে জানিয়ে ট্রাম্প বলেন, ওবামার করা জেসিপিওএ চুক্তির জন্য ব্যাংক থেকে ১ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার নগদ অর্থ বোয়িং ৭৫৭ বিমানে করে ইরানে পাঠানো হয়েছিল। আর তারা বিমানটির সামনে দাঁড়িয়েছিল। 

ওবামার বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে ট্রাম্প আরও বলেন, তিনি ঘুষ দিয়ে পার পাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। আমি তা করার চেষ্টা করিনি। 

সাংবাদিকদের দিকে প্রশ্ন ছুড়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, জানেন ইরানিরা কী করেছিল? তারা ওবামাকে নিয়ে হাসাহাসি করেছিল এবং তাকে গালি দিয়েছিল।

২০১৫ সালে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, রাশিয়া, চীন ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে ইরানের স্বাক্ষরিত জেসিপিওএ চুক্তির লক্ষ্য ছিল দেশটির পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত করার বিনিময়ে তেহরানের ওপর আরোপিত আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা। তবে প্রথমবার ক্ষমতায় আসার পর ২০১৮ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্প জেসিপিওএ থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার করে নেন।

২০১৫ সালের পারমাণবিক চুক্তি জয়েন্ট কমপ্রেহেনসিভ প্ল্যান অব অ্যাকশন (জেসিপিওএ)-এর সময় ইরান যে বিপুল পরিমাণ অর্থ পেয়েছিল, তা নিয়ে শুরু থেকেই সমালোচনা করে আসছেন ট্রাম্প। 

বর্তমানে যুদ্ধ বন্ধের প্রশ্নে তার অবস্থান অনেকটাই নির্ভর করছে তিনি ইরানকে কতটা অর্থনৈতিক সুবিধা দিতে রাজি হন তার ওপর। 

ওয়াশিংটনের মিডল ইস্ট ইনস্টিটিউট-এর ইরান বিশেষজ্ঞ আলেক্স ভাটানকা বলেছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে কোনো সমঝোতায় পৌঁছানোর মূল চাবিকাঠি অর্থ। কয়েক দফায় আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর আলোচনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মার্কিন ও আরব কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ট্রাম্প প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা শিথিল করতে অনীহাই আলোচনা অচল হওয়ার প্রধান কারণ। 

ইরান প্রস্তাব দিয়েছিল, তারা পারমাণবিক কর্মসূচি ও ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ ইস্যুকে আপাতত আলোচনার বাইরে রেখে যুদ্ধ বন্ধ করতে এবং গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দিতে প্রস্তুত। তবে আলোচনায় জড়িত সূত্রগুলোর মতে, প্রকৃত জটিলতা পারমাণবিক ইস্যু নয়, বরং নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার প্রশ্নে। 

ট্রাম্প তার রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের বড় অংশজুড়ে ইরানের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগকে কৌশল হিসাবে ব্যবহার করেছেন। জেসিপিওএ চুক্তি থেকে একতরফাভাবে বেরিয়ে এসে তিনি কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন। যা ইরানের অর্থনীতিকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে।