News update
  • Messi Bids Farewell to Argentina After 21-Year Career     |     
  • Toyota Tsusho briefs PM on plan to manufacture vehicles in Bangladesh     |     
  • Security, sacrifice or opportunity: Climate action visions differ      |     
  • Four New Subjects to Join Curriculum From 2027     |     

ইরানে হামলা ঠেকাতে ট্রাম্পের ক্ষমতা সীমিতের প্রস্তাব পাস মার্কিন সিনেটে

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক সংঘাত 2026-06-24, 10:24am

yurtyt4543-6a600f34f52c88ba39ddb0af78cd94741782275081.jpg




মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরানবিরোধী সামরিক পদক্ষেপে লাগাম টানতে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব পাস করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সিনেট। প্রস্তাবে বলা হয়েছে, ভবিষ্যতে ইরানের বিরুদ্ধে নতুন কোনো সামরিক অভিযান চালাতে হলে কংগ্রেসের অনুমোদন নিতে হবে অথবা চলমান অভিযান বন্ধ করতে হবে। এমনটাই জানায় আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসি। 

মঙ্গলবার (২৩ জুন) ৫০-৪৮ ভোটে সিনেটে প্রস্তাবটি অনুমোদিত হয়। এর আগে প্রতিনিধি পরিষদেও এটি পাস হয়েছিল। এর মধ্য দিয়ে ১৯৭৩ সালের যুদ্ধক্ষমতা আইন কার্যকর হওয়ার পর প্রথমবারের মতো কোনো প্রেসিডেন্টের সামরিক পদক্ষেপ সীমিত করার প্রস্তাব কংগ্রেসের উভয় কক্ষে অনুমোদন পেল।

তবে প্রস্তাবটি আইনে পরিণত হচ্ছে না এবং এটি ট্রাম্পের স্বাক্ষরের জন্যও পাঠানো হবে না। ফলে এর সরাসরি আইনি বাধ্যবাধকতা নেই। বিশ্লেষকদের মতে, এটি মূলত প্রেসিডেন্টের প্রতি কংগ্রেসের রাজনৈতিক বার্তা।

সিনেটে রিপাবলিকানদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকা সত্ত্বেও চারজন রিপাবলিকান সদস্য ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে ভোট দেন। অন্যদিকে ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে শুধু একজন সদস্য এর বিপক্ষে অবস্থান নেন।

ইরান যুদ্ধ নিয়ে মার্কিন জনগণের অসন্তোষ এবং তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে রাজনৈতিক চাপ বাড়তে থাকায় এই প্রস্তাবকে তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। সাম্প্রতিক জরিপে দেখা গেছে, খুব কমসংখ্যক মার্কিন নাগরিক মনে করেন যে এই যুদ্ধের খরচ সার্থক ছিল।

ডেমোক্র্যাট নেতা চাক শুমার বলেন, ট্রাম্পের ইরাননীতি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বিভ্রান্তি, বিশৃঙ্খলা ও ব্যয় বাড়িয়েছে। তার মতে, এই যুদ্ধ ভবিষ্যতে মার্কিন পররাষ্ট্রনীতির অন্যতম বড় ভুল হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

অন্যদিকে রিপাবলিকান সিনেটর জেমস রিশ সতর্ক করে বলেন, এই ধরনের প্রস্তাব ইরানকে আলোচনার টেবিল থেকে সরে যেতে উৎসাহিত করতে পারে। তিনি দাবি করেন, ট্রাম্প শেষ পর্যন্ত এই প্রস্তাব কার্যকর হতে দেবেন না।

বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি বহাল রয়েছে। দুই দেশ একটি সমঝোতার ভিত্তিতে দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের লক্ষ্যে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে মধ্যপ্রাচ্যের সামগ্রিক পরিস্থিতি এখনও অনিশ্চিত থাকায় উত্তেজনা পুরোপুরি কাটেনি।

ডেমোক্র্যাট সিনেটর টিম কেইন বলেন, যুদ্ধ ঘোষণা করার ক্ষমতা কোনো একক ব্যক্তির হাতে নয়, বরং জনগণের প্রতিনিধিদের হাতে থাকা উচিত। এজন্য প্রেসিডেন্টের সামরিক ক্ষমতা সীমিত করতে ভবিষ্যতেও তারা উদ্যোগ চালিয়ে যাবেন।