News update
  • BATEXPO 2026 to showcase Bangladesh’s transformed RMG sector     |     
  • Saudi Remittance Rises 38% as UAE, Malaysia Inflows Fall     |     
  • Dhaka Ranks World’s Most Polluted City Today     |     
  • November 7 Declared a Public Holiday Every Year     |     
  • LPG Shortage, Overcharging Hit Consumers Across Dhaka     |     

মার্কিন ঘাঁটিতে নিখুঁত ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাচ্ছে ইরান

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক সংঘাত 2026-07-23, 10:57am

yuktraassttr-fb788330bfcebfca9f97ded0df7bfbaa1784782668.jpg




জর্ডানে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড কোরের (আইআরজিসি) হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের তিন সেনা সদস্য নিহত হয়েছেন। ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু পাঁচ মাস পরও দেশটির এমন সামরিক সক্ষমতা যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন করে ভাবাচ্ছে। 

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথ যুদ্ধ শুরুর পর এটিই যুক্তরাষ্ট্রের কোনো সামরিক ঘাঁটিতে ইরানি হামলায় মার্কিন সেনা নিহতের প্রথম ঘটনা নয়। এর আগে গত ১ মার্চ কুয়েত ও সৌদি আরবে প্রথম প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছিল। এই হামলায় মার্কিন সেনা নিহতের মোট সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৮ জনে। একই সঙ্গে হামলায় আহত হয়েছেন প্রায় ৫০০ সেনা সদস্য। 

বিশ্লেষকদের মতে, পেন্টাগন আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত না জানালেও এ হামলা ওয়াশিংটনের জন্য এক কঠিন বাস্তবতাকে সামনে এনেছে। দফায় দফায় বিমান হামলা চালানো হলেও ইরান তার সামরিক সক্ষমতা ধরে রেখেছে। একই সঙ্গে তারা দীর্ঘমেয়াদী অসম যুদ্ধ চালিয়ে যেতে প্রস্তুত। 

গবেষণা সংস্থা ‘ডিফেন্স প্রায়োরিটিজের’ সামরিক বিশ্লেষক জেনিফার কাভানা জানান, ইরানের সামরিক সক্ষমতা এখনও অত্যন্ত শক্তিশালী এবং তারা প্রত্যাশার চেয়েও দ্রুত ঘুরে দাঁড়িয়েছে। দিন দিন তাদের হামলা আরও নিখুঁত হচ্ছে, যেখানে রাশিয়া ও চীনের গোয়েন্দা তথ্যের সহায়তা থাকতে পারে। পেন্টাগন ইরানকে ‘যুদ্ধ করতে অক্ষম’ বলে দাবি করলেও তা সঠিক নয়।

নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে ৫০ হাজারের বেশি মার্কিন সেনা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও স্থায়ী নয় এমন ঘাঁটিতে অবস্থান করছেন, যা ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের একদম লক্ষ্যসীমার মধ্যে। ফলে অধিকাংশ হামলা প্রতিহত করা হলেও অল্প কিছু ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যূহ ভেদ করে আঘাত হানলেই বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে।

মার্কিন সিনেটে প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ দাবি করেন, ইরানের সামরিক সক্ষমতা ধ্বংস করা হয়েছে। তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, ওয়াশিংটন ইরানের ক্ষতির পরিমাণকে অতিরিক্ত বাড়িয়ে প্রচার করছে। ইরানের সস্তা ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র রুখতে যুক্তরাষ্ট্রের চড়া মূল্যের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহারে যে অতিরিক্ত ব্যয় হচ্ছে, তা দীর্ঘমেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর বড় ধরনের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টি করছে।