News update
  • Around 7,500 Bangladeshis imprisoned in Saudi Arabia: Shama Obaed     |     
  • Bangladesh Outperforms India in Global Hunger Index 2026     |     
  • Covered van hits Gazipur police patrol team, killing SI, BNP leader     |     
  • Korean City scrambles to rescue dusky shark after it returns to canal     |     
  • PM inspects Mongla Port, Sundarbans, proposed economic zone     |     

এবার পূর্ব জেরুজালেমে ৩ হাজারের বেশি বসতি নির্মাণ করছে ইসরায়েল

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক সংঘাত 2026-01-08, 4:22pm

ertgertretw-0c30d5f5b634427d88ac01ffbfe19b6a1767867726.jpg




ফিলিস্তিনের প্রস্তাবিত রাজধানী পূর্ব জেরুজালেমে নতুন করে ৩ হাজার ৪০১টি বসতি নির্মাণের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছে ইসরায়েল। বুধবার(৭ জানুয়ারি) ফিলিস্তিনি সরকারি সংস্থা ‘ওয়াল অ্যান্ড সেটলমেন্ট কমিশন’ জানিয়েছে, বিতর্কিত ‘ই-ওয়ান’ এলাকায় এই বিশাল প্রকল্পের জন্য ইতিমধ্যে দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই অঞ্চলে নতুন ঘরবাড়ি নির্মাণের ফলে পশ্চিম তীরের সঙ্গে পূর্ব জেরুজালেমের সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ার উপক্রম হয়েছে, যা স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের স্বপ্নকে কার্যত ধূলিসাৎ করে দেবে। খবর আনাদোলু এজেন্সির। 

ইসরায়েলি মন্ত্রিসভা গত ২০২৫ সালের আগস্টে এই প্রকল্পের অনুমোদন দিলেও বিশ্ব সম্প্রদায়ের চাপের মুখে এতদিন কাজ শুরু করতে পারেনি। তবে গাজা যুদ্ধের সুযোগ নিয়ে এখন আন্তর্জাতিক আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে দ্রুতগতিতে দখলদারিত্বের সীমানা বাড়াচ্ছে তেল আবিব। ফিলিস্তিনি কর্মকর্তাদের দাবি, এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হলো ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডকে কয়েক ভাগে বিভক্ত করে দেওয়া এবং ওই এলাকায় স্থানীয় জনসংখ্যার ভারসাম্য নষ্ট করা।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত এক বছরেই পশ্চিম তীরে ১০ হাজার ৯৮টি নতুন বাড়ি নির্মাণের টেন্ডার পাস করেছে ইসরায়েল সরকার। গত তিন দশকের ইতিহাসে এটি সর্বোচ্চ বসতি স্থাপনের রেকর্ড। ১৯৪৮ সালে জাতিসংঘ গাজা ও পশ্চিম তীরের পাশাপাশি পূর্ব জেরুজালেমকে ফিলিস্তিনের অংশ হিসেবে ঘোষণা করলেও ১৯৬৭ সালের যুদ্ধের পর থেকে এটি ইসরায়েলের অবৈধ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। বর্তমান এই ব্যাপক সম্প্রসারণ কার্যক্রম ‘দ্বি-রাষ্ট্র সমাধান’ নীতিকে চিরতরে অচল করে দিতে পারে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।

ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের মতে, ইসরায়েল এখন গাজা যুদ্ধকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে তাদের দীর্ঘমেয়াদী মানচিত্র বাস্তবায়নে মরিয়া হয়ে উঠেছে। এই বসতি নির্মাণ কেবল আবাসন প্রকল্প নয়, বরং এটি ফিলিস্তিনিদের নিজস্ব ভূখণ্ড থেকে চিরস্থায়ীভাবে উচ্ছেদের একটি নীল নকশা। শান্তি আলোচনার সম্ভাবনা যখন দিন দিন ক্ষীণ হয়ে আসছে, তখন ইসরায়েলের এই একতরফা পদক্ষেপ মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতাকে এক ভয়ংকর অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিচ্ছে।