News update
  • 100 CSOs rally against Trump’s trade tactics, urge access to drugs     |     
  • BNP believes in multiparty democracy, not revenge: Moyeen Khan     |     
  • Bangladesh reaffirms commitment to revitalise SAARC process     |     
  • Bangla Academy assures inclusive Ekushey Book Fair From Feb 26     |     
  • 2 former National University VCs face travel ban     |     

সুপ্রিম কোর্টে ট্রাম্পের শুল্ক বাতিল, নতুন করে ১০ শতাংশ আরোপ

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক সংঘাত 2026-02-21, 10:32am

afp_20260220_98ed8pq_v2_highres_776464246-8f38238ba75685549354df201a6463cb1771648344.jpg

২০ ফেব্রুয়ারি হোয়াইট হাউসের ব্র্যাডি প্রেস ব্রিফিং রুমে এক সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: এএফপি



যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট আগের বৈশ্বিক আমদানি শুল্ক নীতিকে বাতিল করার পর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নতুন করে ১০ শতাংশ বৈশ্বিক শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন। আদালতের রায়কে তিনি ‘ভয়াবহ’ আখ্যা দিয়ে সংশ্লিষ্ট বিচারপতিদের সমালোচনাও করেছেন।

স্থানীয় সময় শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দেওয়া ৬-৩ সংখ্যাগরিষ্ঠ রায়ে সুপ্রিম কোর্ট বলেন, ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হিসেবে তার ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করেছেন। আদালতের প্রধান বিচারপতি জন রবার্টস রায়ে উল্লেখ করেন, কংগ্রেস যখন শুল্ক আরোপের ক্ষমতা অর্পণ করেছে, তা স্পষ্ট ও সীমাবদ্ধভাবে করেছে। ১৯৭৭ সালের ‘ইন্টারন্যাশনাল ইমার্জেন্সি ইকোনমিক পাওয়ারস অ্যাক্ট’ (আইইইপিএ) আইনে শুল্ক আরোপের সুস্পষ্ট ক্ষমতা নেই। খবর বিবিসির। 

রায়ের পরই ট্রাম্প ‘সেকশন ১২২’ নামে একটি কম ব্যবহৃত আইনের আওতায় ১০ শতাংশ বৈশ্বিক শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেন। নতুন শুল্ক ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর হবে।

তবে কিছু খাতে এ শুল্ক ছাড় দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে- নির্দিষ্ট খনিজ ও প্রাকৃতিক সম্পদ, সার, কিছু কৃষিপণ্য (যেমন কমলা ও গরুর মাংস), ওষুধ, কিছু ইলেকট্রনিক পণ্য ও নির্দিষ্ট যানবাহন।

উত্তর আমেরিকার মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (ইউএসএমসিএ) অনুযায়ী কানাডা ও মেক্সিকো অধিকাংশ পণ্যে ছাড় বজায় রাখবে।

এদিকে আদালতের রায়কে ব্যবসায়িক মহল স্বাগত জানিয়েছে। ওয়াল স্ট্রিটে শেয়ারবাজার সূচক এসঅ্যান্ডপি ৫০০ প্রায় ০.৭ শতাংশ বেড়ে বন্ধ হয়েছে। অনেক প্রতিষ্ঠান সম্ভাব্য শুল্ক ফেরতের আশায় মামলা করেছে।

তবে ট্রাম্প জানিয়েছেন, শুল্ক ফেরত সহজ হবে না এবং এ নিয়ে দীর্ঘ আইনি লড়াই হতে পারে। সরকার ইতোমধ্যে আইইইপিএ আইনের আওতায় অন্তত ১৩০ বিলিয়ন ডলার শুল্ক সংগ্রহ করেছে।

বিরোধী বিচারপতি ব্রেট ক্যাভানাহ সতর্ক করে বলেন, পরিস্থিতি ‘জটিল ও বিশৃঙ্খল’ হতে পারে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ক্ষুদ্র ব্যবসার জন্য আইনি লড়াইয়ের খরচ বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

ইউরোপীয় কমিশনের মুখপাত্র ওলোফ গিল জানিয়েছেন, তারা আদালতের রায় পর্যবেক্ষণ করছেন। যুক্তরাজ্য, ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে হওয়া পূর্ববর্তী বাণিজ্য চুক্তির আওতায় থাকা দেশগুলোও এখন নতুন ১০ শতাংশ বৈশ্বিক শুল্কের আওতায় পড়বে বলে জানিয়েছে হোয়াইট হাউস।

বিশ্লেষকদের মতে, আদালতের রায় ও নতুন শুল্ক ঘোষণায় বৈশ্বিক বাণিজ্য পরিস্থিতি আরও অনিশ্চিত হয়ে উঠেছে। ট্রাম্প প্রশাসন প্রয়োজনে ‘সেকশন ২৩২’ ও ‘সেকশন ৩০১’-এর মতো অন্যান্য আইনি পথও বিবেচনায় নিতে পারে, যেগুলো জাতীয় নিরাপত্তা বা অন্যায্য বাণিজ্য চর্চার অভিযোগে শুল্ক আরোপের সুযোগ দেয়।