News update
  • 14 lakh Yaba pills seized in Teknaf; two detained     |     
  • UNGA can rebuild trust, good faith now missing from geopolitics: Guterres     |     
  • Parliament scraps controversial bank ownership provision     |     
  • Smokescreen in India over Ganga Treaty extension Alarming: Farakka Committee      |     
  • What 1.5°C Overshoot Means for Small Islands     |     

বিয়ের জন্য পাত্র খুঁজছেন বাঁধন

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক সেলিব্রিটি 2026-06-02, 10:05am

rtyerte4-49156487c21f3cd05e1588bfbc385f831780373131.jpg




সবসময় খোলামেলা কথা বলতেই পছন্দ করেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন। পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে একটি মাল্টিমিডিয়া অনুষ্ঠানে প্রেম, বিয়ে এবং জীবনের নানা সময় ও অভিজ্ঞতা নিয়ে সোজাসাপ্টা কথা বলেছেন তিনি।

অনুষ্ঠানে অভিনেত্রীর কাছে জানতে চাওয়া হয়, নতুন সম্পর্ক বা বিয়ে নিয়ে কোনো ভাবনা আছে কি না?

উত্তরে বাঁধন বলেন, তিনি বিয়ের কথা চিন্তা করছিলেন। তার মনে হয়েছিল বিয়ে করার মতো একজন মানুষ তিনি খুঁজেও পেয়েছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত সেই সম্পর্কটি পরিণতি পায়নি।

বাঁধনের উক্তি, ‘সত্যি বলছি, গত বছর বিয়ের পরিকল্পনা ছিল। পরিকল্পনা থাকলেও আমার পছন্দমতো মানুষ পেতে হবে। বিয়ে করার মতো একজনকে পেয়েও ছিলাম। যার মা আমাকে খুব পছন্দ করেছিল। কিন্তু সে আসলে ভেগে গেছে !’

এখন বিয়ের জন্য উপযুক্ত কাউকে পাচ্ছেন না বলেও জানান তিনি। তবে প্রেম করার মত আছে সেটি অকপটে স্বীকার করেছেন এই অভিনেত্রী।

তার কথায়, ‘এখন বিয়ে করার মতো পাত্র আমার আশপাশে পাই নাই। প্রেম করার জন্য দুই একজনকে পেয়েছিলাম। তার মধ্যে একজনের সঙ্গে প্রেমও করেছি। কিন্তু বিয়ে করার জন্য পাত্র আসলেই গুরুত্বপূর্ণ।’

অতীত অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে বাঁধন বলেন, ‘বিয়ে তো আমি দুইবার করে ফেলেছি। এখন আর নিশ্চয়ই সেই ভুলটা করা যাবে না।’

আলোচনায় তিনি বিভিন্ন অভিজ্ঞতা ও ঈদকে ঘিরে শৈশবের স্মৃতিও তুলে ধরেন। বাঁধন বলেন, ছোটবেলায় কোরবানির ঈদ ছিল অনেক আনন্দের। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে গ্রামের বাড়িতে আনন্দমুখর সময় কাটানো। মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরের বাড়িতে কাটানো ঈদের সময় তাঁর আজও মনে জ্বলজ্বল করে।

তবে সময়ের সাথে মানুষের অনুভূতি বদলে যায়, দায়িত্ববোধের জায়গাটি বেশি অনুভূত হয়। তারও ঠিক একই রকম হয়েছে। অতীতের আনন্দ এখন বিশেষ স্মৃতি।

তিনি বলেন, ‘বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ঈদের আনন্দের চেয়ে দায়িত্ববোধই বেশি অনুভূত হয়। আর রোজার ঈদের সবচেয়ে আনন্দের বিষয় ছিল সিনেমা হলে গিয়ে ছবি দেখা, যা এখনও আমার স্মৃতিতে বিশেষ জায়গা করে আছে।’