News update
  • Experts Call for Better Flood Forecasting, Urban Planning     |     
  • Fakhrul Urges Public to Ignore Resignation Rumours     |     
  • President Shahabuddin Set to Resign Today: Agency     |     
  • Trade Deficit Widens 24% Despite Record Remittances     |     
  • Modi Invites Tarique to BRICS Summit in India     |     

বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের ওপর নতুন শুল্কারোপ যুক্তরাষ্ট্রের

গ্রীণওয়াচ ডেস্ক কুটনীতি 2026-07-24, 12:50pm

img_20260724_124627-7940db600838c95d3c43b285d53c87171784875817.jpg




বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ ৬০ দেশের ওপর নতুন শুল্কারোপ করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। জোরপূর্বক শ্রম-সংক্রান্ত নিষেধাজ্ঞা প্রয়োগে শিথিলতার অভিযোগে ট্রাম্প প্রশাসন এ শুল্ক আরোপ করেছে। এ দেশগুলোর ওপর ১০ শতাংশ এবং ১২ দশমিক ৫ শতাংশ হারে নতুন শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। অস্থায়ী ১০ শতাংশ বৈশ্বিক শুল্কের মেয়াদ শেষ হওয়ায় এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) ফেডারেল রেজিস্টারের বিজ্ঞপ্তিতে নতুন শুল্ক ঘোষণা করা হয়েছে। খবর রয়টার্স ও বিবিসির।

গত ফেব্রুয়ারি মাসে মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর চেষ্টায় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আরোপিত ১০ থেকে ৫০ শতাংশ ‘পারস্পরিক’ শুল্ক বাতিল করে দেয়। এরপর বৈশ্বিক শুল্ক আরোপ-সংক্রান্ত নির্বাচনি পরিকল্পনা পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে হোয়াইট হাউস এ সর্বশেষ পদক্ষেপ নিয়েছে।

ফেডারেল রেজিস্টারের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৯৯ দশমিক ৪ শতাংশ আমদানি এ শুল্কের আওতায় আসবে। তবে তেল ও গ্যাস, সার এবং নির্দিষ্ট কিছু খাদ্যদ্রব্যসহ অসংখ্য পণ্যকে এ শুল্ক থেকে ছাড় দেওয়া হবে। 

গত ফেব্রুয়ারিতে সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর ট্রাম্প ১৫০ দিনের জন্য অস্থায়ী ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেন। এ শুল্কের মেয়াদ আজ শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাত ১২টায় শেষ হবে। নতুন শুল্ক ঠিক সেই সময় থেকেই কার্যকর হবে। তবে ২৮ জুলাই রাত ১২টা ১ মিনিট পর্যন্ত পরিবহণাধীন পণ্যগুলো এ শুল্কের আওতামুক্ত থাকবে।

এক বিবৃতিতে মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার বলেন, ‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র প্রায় এক শতাব্দী ধরে জোরপূর্বক শ্রমের মাধ্যমে উৎপাদিত পণ্য আমদানির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ এবং তা কঠোরভাবে প্রয়োগ করে আসছে। আমাদের বাণিজ্য অংশীদারদেরও একই কাজ করার সময় অনেক আগেই পেরিয়ে গেছে। আজকের এই পদক্ষেপ মানবাধিকার লঙ্ঘন ও বিকৃত বাণিজ্য প্রথা সংশোধন করতে এবং বিশ্বজুড়ে শ্রমিকদের কল্যাণ উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে।’ 

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, নতুন নীতির আওতায় বাংলাদেশ, ব্রিটেন, কম্বোডিয়া, কানাডা, ইকুয়েডর, আর্জেন্টিনা, এল সালভাদর, গুয়াতেমালা, হন্ডুরাস, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, জর্ডান, মালয়েশিয়া, মেক্সিকো, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর পণ্যের ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। 

অন্যদিকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন, তাইওয়ান, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও সুইজারল্যান্ডের ক্ষেত্রে পূর্ব-বিদ্যমান সর্বাধিক সুবিধাপ্রাপ্ত দেশের শুল্ক হারের সঙ্গে সমন্বয় করে মোট শুল্কহার ১০ অথবা ১২ দশমিক ৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। বাকি ৩৮টি দেশের জন্য ১২ দশমিক ৫ শতাংশ শুল্ক নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে চীনও রয়েছে। দেশটির বিরুদ্ধে উইঘুর সংখ্যালঘুদের শ্রমশিবিরে আটক রেখে জোরপূর্বক শ্রমে নিয়োজিত করার অভিযোগ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। যদিও বেইজিং এ অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।

ট্রাম্প প্রশাসনের এ পদক্ষেপের পর কয়েকটি দেশ তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ জানিয়েছে।

নরওয়ের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এসপেন বার্থ আইডে বলেছেন, নরওয়ের বিরুদ্ধে এ শুল্ক আরোপের কোনো ভিত্তি নেই। কারণ, জোরপূর্বক শ্রম ব্যবহার করে উৎপাদিত পণ্যের বাণিজ্য প্রতিরোধে আমাদের ইতোমধ্যেই সুস্পষ্ট নিয়মকানুন রয়েছে। অস্ট্রেলিয়া ও ব্রাজিল নতুন শুল্কগুলোকে অযৌক্তিক বলে অভিহিত করেছে। দেশ দুটি বলেছে, তারা এগুলো প্রত্যাহারের চেষ্টা করবে। অন্যদিকে কানাডাও এ ‘একতরফা’ শুল্কের বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে।